দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
  • photo-stories ফটো স্টোরি

জাতীয়

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম
পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: আহ্বায়ক কবির হোসেনের হুঁশিয়ারি

কোতোয়ালি থানায় নারী নির্যাতন, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

আশকোনায় বোমা উদ্ধার: দক্ষিণখান থানার তৎপরতায় রক্ষা পেল হাজারো প্রাণ

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে ইফতার মাহফিল, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

১০

বনানীতে শারমীন শিলার কুকর্ম সীমাহীন মুল টার্গেট শিল্পপতি ব্যবসায়ী!!!

জনপ্রিয় সব খবর

ভবন নির্মাণ থেমে আছে, চিকিৎসক নেই—সরাইলের স্বাস্থ্যসেবার বেহাল চিত্র সংসদে

তুরস্কে স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা: ৮ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯, আহত ১৩

স্বাধীনতার পর অর্জন আছে, কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জেসিআই অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: প্রথম ধাক্কা খেতে পারে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো

ডিএমপির মার্চের অপরাধ সভায় শ্রেষ্ঠ মিরপুর বিভাগ, সেরা থানা হাজারীবাগ

জ্বালানি সংকটে হাতিরঝিলের ওয়াটার ট্যাক্সি: ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় যাত্রীরা

ইন্টারনেট বন্ধের কারণ নিয়ে পলকের বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’—ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

গণতন্ত্র ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে নিউক্যাসেলে ঐক্যের ডাক

১০

উত্তর ইতালিতে বন্যা ও ঝড়ের তাণ্ডব: পানির নিচে বহু এলাকা, উদ্ধার অভিযান জোরদার

সর্বশেষ সব খবর

সারাদেশ

ইরেকশনে সমস্যা? অবহেলা নয়, সময়মতো চিকিৎসাই ফিরিয়ে দিতে পারে স্বাভাবিক জীবন

ইরেকশনে সমস্যা? অবহেলা নয়, সময়মতো চিকিৎসাই ফিরিয়ে দিতে পারে স্বাভাবিক জীবন

পুরুষদের মধ্যে ইরেকশনে সমস্যা বা ইরেকটাইল ডিসফাংশন এখন বেশ সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। অনেকেই বিষয়টি লজ্জা বা সংকোচের কারণে লুকিয়ে রাখেন, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন—সময়মতো চিকিৎসা নিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে, মাঝে মাঝে ইরেকশনে সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এটি যদি বারবার ঘটে বা দীর্ঘদিন ধরে থাকে, তাহলে তা শরীরের অন্য কোনো সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ইরেকটাইল ডিসফাংশন এমন একটি অবস্থা, যেখানে একজন পুরুষ যৌন মিলনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্ত ও স্থায়ী ইরেকশন অর্জন করতে পারেন না বা ধরে রাখতে পারেন না। এই সমস্যার পেছনে শারীরিক এবং মানসিক—দুই ধরনের কারণই থাকতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, স্থূলতা, ধূমপান এবং অতিরিক্ত মদ্যপান ইরেকটাইল ডিসফাংশনের অন্যতম বড় কারণ। এসব রোগ ধীরে ধীরে শরীরের রক্তনালি ও স্নায়ুর ওপর প্রভাব ফেলে, যার ফলে লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা সম্পর্কজনিত সমস্যা থেকেও এই রোগ দেখা দিতে পারে।ইরেকশন আসলে একটি জটিল শারীরিক প্রক্রিয়া। যৌন উত্তেজনার সময় স্নায়ু থেকে সংকেত পাঠানো হয় এবং তখন লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ বাড়ে। এই বাড়তি রক্ত লিঙ্গের ভেতরের স্পঞ্জের মতো অংশে জমা হয়ে সেটিকে শক্ত করে তোলে। এই প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে সমস্যা হলেই ইরেকটাইল ডিসফাংশন দেখা দিতে পারে।চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সমস্যাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। প্রাথমিক নপুংসকতা হলো এমন অবস্থা, যেখানে ব্যক্তি কখনই স্বাভাবিকভাবে ইরেকশন পাননি। আবার সেকেন্ডারি নপুংসকতায় আগে স্বাভাবিক ইরেকশন থাকলেও পরে তা কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতিগত নপুংসকতায় নির্দিষ্ট পরিবেশ বা অবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়, যা সাধারণত মানসিক কারণে হয়। এছাড়া আংশিক ও সম্পূর্ণ নপুংসকতার মতো অবস্থাও রয়েছে।চিকিৎসকরা জানান, জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন এই সমস্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন—ধূমপান বন্ধ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানসিক চাপ কমানো অনেক সময় ওষুধ ছাড়াই উপকার এনে দেয়।প্রয়োজনে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ ব্যবহার করা হয়, যা শরীরে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে এবং ইরেকশন সহজ করে। তবে এসব ওষুধ অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়েই বর্তমানে ইরেকটাইল ডিসফাংশন একটি বাড়তে থাকা সমস্যা। বিশেষ করে ৪০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়মিত জীবনযাত্রার কারণে তরুণদের মধ্যেও এই সমস্যা বাড়ছে, যা স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।চিকিৎসকদের ভাষ্য, ইরেকটাইল ডিসফাংশন শুধু যৌন জীবনের সমস্যা নয়—এটি অনেক সময় হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের আগাম সতর্ক সংকেত হিসেবেও কাজ করতে পারে। তাই বিষয়টি লুকিয়ে না রেখে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত। সব মিলিয়ে বলা যায়, সচেতনতা, সঠিক জীবনযাপন এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন এখন আর ভয় বা লজ্জার বিষয় নয়। বরং এটি এমন একটি সমস্যা, যার কার্যকর সমাধান চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইতোমধ্যেই রয়েছে।

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা: ফরিদপুরে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা: ফরিদপুরে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ফরিদপুর সদর উপজেলার এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। সোমবার (দুপুর ১২টার দিকে) ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ মোল্লা সদর উপজেলার তাম্বুলখানা এলাকার বাসিন্দা এবং লতিফ মোল্লার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই যৌতুকের দাবিতে রাশেদ মোল্লা তার স্ত্রীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনাটি ঘটার পর আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ ১৭ জুলাই নিহতের ভাই জলিল শেখ কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর দীর্ঘ তদন্ত ও শুনানি শেষে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন।এ বিষয়ে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এমন নৃশংস ঘটনা কোনো সুস্থ সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মূলত নারী ও শিশুদের ওপর সংঘটিত সহিংসতা, যৌতুকজনিত নির্যাতন ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ দ্রুত বিচার করার জন্য গঠন করা হয়েছে। এসব আদালত সাধারণ আদালতের তুলনায় দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষ করার চেষ্টা করে থাকে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা এখনও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটে থাকে। যদিও আইন অনুযায়ী যৌতুক নেওয়া ও দেওয়া—দুটিই শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তবুও সচেতনতার অভাব ও সামাজিক চাপের কারণে অনেক ঘটনা প্রকাশ পায় না। তাই এমন রায় সমাজে একটি শক্ত বার্তা দেয় যে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আইন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ভবিষ্যতে যৌতুকসংক্রান্ত সহিংসতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। সব মিলিয়ে আদালতের এই রায় শুধু একটি মামলার নিষ্পত্তিই নয়, বরং নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় আইনের কঠোর অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

মরদেহ বিকৃত করে গোপন করার চেষ্টা: কক্সবাজারে স্বামীর স্বীকারোক্তি

মরদেহ বিকৃত করে গোপন করার চেষ্টা: কক্সবাজারে স্বামীর স্বীকারোক্তি

কক্সবাজারে এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গলা কাটা এবং হাতের কব্জিবিহীন মরদেহ উদ্ধারের রহস্য শেষ পর্যন্ত উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের স্বামীকেই গ্রেফতার করা হয়েছে, যা পুরো এলাকাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।পুলিশ জানায়, গত ১১ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল প্রায় ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের জানার ঘোনা এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ছিল মস্তকবিহীন এবং দুই হাতের কব্জি কাটা। এমন ভয়াবহ অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।ঘটনার পরপরই কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং স্থানীয়দের সহায়তায় কয়েকদিনের মধ্যেই নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি শাহিদা আক্তার রিপা (মুন্নি) নামে পরিচিত। এরপর তদন্তের গতি বাড়ানো হলে সন্দেহের তীর যায় তার স্বামী সাইফুল ইসলাম তারেকের দিকে।পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম তারেককে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। ঘটনার দিন তিনি রসমালাইয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রীকে খাওয়ান। স্ত্রী অচেতন হয়ে পড়লে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে হত্যা করেন।হত্যার পর ঘটনাটি গোপন করতে তিনি মরদেহের মাথা এবং দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করেন। পরদিন তিনি মস্তকবিহীন মরদেহটি একটি ডোবায় ফেলে দেন। আর বিচ্ছিন্ন মাথা ও হাতের কব্জি খুরুশকুল নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে বাঁকখালী নদীতে ফেলে দেন বলে স্বীকার করেছেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ আসামির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং ঘুমের ওষুধ মেশানো রসমালাইয়ের কিছু অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করেছে। বর্তমানে বাঁকখালী নদীতে নিহতের বিচ্ছিন্ন অঙ্গ উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, পারিবারিক বিরোধ বা ব্যক্তিগত সমস্যার জেরে এমন ভয়াবহ অপরাধ দিন দিন বাড়ছে, যা সমাজের জন্য বড় হুমকি।উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলায় এর আগেও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনা সামনে এসেছে। তবে এই ঘটনার নির্মমতা এবং পরিকল্পিত দিকটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত অপরাধী আগে থেকেই পরিকল্পনা করে এবং প্রমাণ লুকানোর চেষ্টা করে, যা তদন্তকে জটিল করে তোলে।পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। সব মিলিয়ে, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য একটি সতর্কবার্তা। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা রাগ থেকে এমন ভয়াবহ অপরাধ যেন আর না ঘটে—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

খুলনায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু

খুলনায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু

খুলনা নগরীর দৌলতপুর এলাকায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক দম্পতির করুণ মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে রেলিগেট মোড়ে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা। নিহতরা হলেন তানভীর হাসান ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম। তারা নগরীর বয়রা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রয়েল পরিবহনের একটি বাস দৌলতপুর রেলিগেট মোড় পার হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে বাসটির সরাসরি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে মোটরসাইকেলটি মুহূর্তেই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দ শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখেন মোটরসাইকেলে থাকা দম্পতি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই ভিড় জমিয়ে মরদেহ দেখতে থাকেন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই বাসটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বাস চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, দৌলতপুরের রেলিগেট মোড় এলাকাটি খুলনা শহরের একটি ব্যস্ত সড়ক সংযোগস্থল। এখানে প্রায়ই যানজট এবং দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সড়কটিতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এমন দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা একটি বড় সমস্যা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। বিশেষ করে বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। ট্রাফিক আইন অমান্য, অতিরিক্ত গতি এবং চালকদের অসতর্কতা এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন করলেই হবে না, তার বাস্তব প্রয়োগ এবং চালকদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। সবশেষে বলা যায়, একটি মুহূর্তের অসতর্কতা কত বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে—দৌলতপুরের এই ঘটনা তারই এক নির্মম উদাহরণ। তানভীর ও লামিয়ার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই এক গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।

আন্তর্জাতিক

তুরস্কে স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা: ৮ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯, আহত ১৩

তুরস্কে স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলা: ৮ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯, আহত ১৩

তুরস্কের একটি মাধ্যমিক স্কুলে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর চালানো বন্দুক হামলায় ৮ শিক্ষার্থীসহ মোট ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। ঘটনার পর দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও উদ্বেগের ছায়া। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে কাহরামানমারাস শহরের একটি স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে আটজন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারী ওই স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাতটি ম্যাগাজিন নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করে। এরপর দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায়। হামলার কিছু সময় পর সে নিজের গায়েও গুলি করে আত্মহত্যা করে। এত অল্প বয়সী একজন শিক্ষার্থীর এমন সহিংস ঘটনায় দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরিবারভিত্তিক নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো হামলাকারীর বাবার। তার বাবা একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অস্ত্রগুলো কীভাবে শিক্ষার্থীর হাতে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।এই ঘটনার মাত্র একদিন আগে সানলিউরফা প্রদেশের একটি স্কুলেও হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে এক সাবেক শিক্ষার্থী হামলা চালিয়ে অন্তত ১৬ জনকে আহত করে। ওই হামলাকারীও পরে আত্মহত্যা করে। পরপর দুই দিনের ব্যবধানে স্কুলে এমন সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।তুরস্কে সাধারণত স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা খুব বেশি দেখা যায় না। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পারিবারিক অস্ত্র নিরাপত্তা ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পরিমাণ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবারের কাছে থাকা বৈধ অস্ত্র নিরাপদভাবে সংরক্ষণ না করলে তা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কিশোর বয়সে মানসিক চাপ, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বা পারিবারিক সমস্যার কারণে অনেক সময় এমন চরম আচরণ দেখা দিতে পারে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলিং ব্যবস্থা জোরদার করা এবং শিক্ষার্থীদের আচরণগত পরিবর্তনের দিকে নজর দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ঘটনার পর দেশটির প্রশাসন স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পরপর দুটি স্কুলে হামলার ঘটনায় তুরস্ক জুড়ে শিক্ষার্থী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নিরাপত্তা বাড়ালেই হবে না—শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, পরিবারে অস্ত্র সংরক্ষণের নিয়ম এবং সামাজিক সচেতনতা—সব দিকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তবেই ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হতে পারে।

২৪ মিনিট আগে

আইন-বিচার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

 মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তামধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরান, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট উত্তেজনার কারণে—সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ভাই-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো যাচ্ছে: জরুরি করণীয়1️⃣ আপনার অবস্থানরত দেশে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি, হয়রানি, বা জরুরি পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে দ্রুত নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/এম্বাসির সাথে যোগাযোগ করুন।2️⃣ দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে আমাদেরকে অবহিত করুন।3️⃣ আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে সমাধানের ব্যবস্থা করতে। আমরা আছি আপনাদের পাশেপ্রবাসে থাকা আমাদের ভাই-বোনেরা দেশের গর্ব ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। আপনাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।পাশে ছিলাম, পাশে আছি, পাশে থাকব — ইনশাআল্লাহ।ইঞ্জি: আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংসদ সদস্য, নরসিংদী- ৫ রায়পুরা

০১ মার্চ ২০২৬

রাজনীতি

ভবন নির্মাণ থেমে আছে, চিকিৎসক নেই—সরাইলের স্বাস্থ্যসেবার বেহাল চিত্র সংসদে

ভবন নির্মাণ থেমে আছে, চিকিৎসক নেই—সরাইলের স্বাস্থ্যসেবার বেহাল চিত্র সংসদে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতালটি এখন নিজেই যেন চিকিৎসার প্রয়োজন এমন অবস্থায় রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি সরাইলের স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য সরাইল উপজেলায় মাত্র একটি ৫০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। অথচ এত বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য এই হাসপাতালের অবকাঠামো, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কোনো দিক থেকেই যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, “হাসপাতালটা নিজেই এখন একটা রোগীর মতো।”তিনি আরও জানান, হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় কর্মচারীর তীব্র সংকট চলছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদ খালি পড়ে আছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের মোট ৬৪টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। ফলে হাসপাতালে আসা রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।সংসদ সদস্য বলেন, শুধু জনবল নয়, হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় ওষুধেরও ঘাটতি রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাবও স্পষ্ট। এতে করে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে জেলা শহর বা ঢাকার হাসপাতালের দিকে ছুটতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই দিক থেকেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরাইল উপজেলা হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্টের পর ঠিকাদার কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ায় সেই নির্মাণকাজ এখন বন্ধ হয়ে আছে। ফলে নতুন ভবনের সুবিধা থেকে এখনো বঞ্চিত এলাকাবাসী। বর্তমানে হাসপাতালের পুরোনো দোতলা ভবনেই সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালানো হচ্ছে।স্থানীয়ভাবে জানা যায়, সরাইল উপজেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি বড় ও জনবহুল উপজেলা। এখানকার বেশিরভাগ মানুষ গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন এবং তাদের প্রধান ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে হাসপাতালটি প্রত্যাশিত মানের সেবা দিতে পারছে না।বাংলাদেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো মূলত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব হাসপাতালের মাধ্যমে মাতৃসেবা, শিশুচিকিৎসা, টিকাদান কর্মসূচি এবং সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাব থাকলে এই সেবাগুলো ব্যাহত হওয়াই স্বাভাবিক।সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তব্যের মাধ্যমে সরাইল উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার দুর্বল চিত্রটি নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত হাসপাতালের শূন্য পদগুলো পূরণ করবে এবং বন্ধ হয়ে থাকা ভবন নির্মাণের কাজ আবার শুরু হবে। এতে করে এলাকার সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন এবং কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে।

ইন্টারনেট বন্ধের কারণ নিয়ে পলকের বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’—ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

ইন্টারনেট বন্ধের কারণ নিয়ে পলকের বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’—ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনাকে ঘিরে নতুন তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের দেওয়া বক্তব্য ছিল রাজনৈতিক—এমন দাবি করেছেন একজন ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট খাতের সাবেক সংগঠনপ্রধান মো. ইমদাদুল হক মোল্লা।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি দেন। মামলাটি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের বিরুদ্ধে।জবানবন্দিতে ইমদাদুল হক জানান, তিনি অপ্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের পরিচালক এবং ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইন্টারনেট সেবা কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার কারণে ওই সময়ের ঘটনাগুলো সম্পর্কে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগে। ওইদিন বিকেল ৪টার দিকে দেশের কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে শুরু করে। পরে রাত ৯টার দিকে সারা দেশে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।ইমদাদুল হক জানান, ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ের আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ ধাপে কাজ করে। এর আগে থাকে ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) এবং ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্টোরিয়াল কোম্পানি (আইটিসি)। তারা আইআইজির সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানানো হয়, আইটিসি থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তখনই তারা বুঝতে পারেন এটি কোনো কারিগরি সমস্যা নয়, বরং সরকারের সিদ্ধান্তে সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ২৩ জুলাই তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক মহাখালীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আসেন। সেখানে উপস্থিত ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরা দ্রুত সেবা চালুর অনুরোধ জানান। তখন পলক জানান, রাতের মধ্যেই ইন্টারনেট চালু হবে।কিন্তু একই জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন যে ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কারণে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। এ বক্তব্যকে রাজনৈতিক বলে মনে হয়েছে বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন ইমদাদুল হক। তার ভাষায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগলেও কোনো ডাটা সেন্টারে আগুন লাগেনি। কিছু জায়গায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল পুড়ে গেলেও সারা দেশের ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়।প্রসঙ্গত, দেশে ইন্টারনেট অবকাঠামো সাধারণত একাধিক স্তরে পরিচালিত হয়। আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ, গেটওয়ে নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিতরণ—এই তিন স্তরের সমন্বয়ে পুরো নেটওয়ার্ক সচল থাকে। ফলে জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়া সাধারণত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া সম্ভব হয় না বলে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।এছাড়া অতীতেও বড় রাজনৈতিক অস্থিরতা বা নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে দেশে আংশিক বা পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নজির রয়েছে। তবে প্রতিবারই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এই সাক্ষ্য এখন মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্য এবং আদালতের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে। পুরো বিষয়টি নিয়ে জনমনে আগ্রহও বাড়ছে।

জুলাই আন্দোলনের আসামিদের জামিন নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সারজিস, সতর্কবার্তা বিএনপিকে

রাজধানীতে এক মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা সারজিস আলম। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর মধ্যে একটি “অলিখিত সমঝোতা” তৈরি হয়েছে। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপস্থিত শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের আহতদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে সারজিস বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বিএনপি আওয়ামী লীগের ভোটের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছে—এমন কথাও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন। এমনকি দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের বাইরে থেকেও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।সারজিস আলম বলেন, এই রাজনৈতিক সমীকরণের কারণেই জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল, তাদের অনেকেই এখন জামিনে বেরিয়ে আসছে। তার দাবি, এসব ঘটনায় শহীদ পরিবার ও আহতরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে হুমকিও পাচ্ছেন।তিনি আরও বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ যেসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিরোধী দলের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেগুলো সংস্কার করার বদলে নিজেদের মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, এই কারণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।বিএনপির প্রতি সরাসরি সতর্কবার্তাও দেন সারজিস। তিনি বলেন, যদি বিএনপি মনে করে তারা বিরোধী দলের কবর খুঁড়বে এবং সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটবে, তাহলে সেই কবরে সবার আগে তাদেরই জায়গা হবে। তার এই বক্তব্যে উপস্থিতদের মধ্যে বেশ আলোড়ন দেখা যায়।মতবিনিময় সভায় শহীদ পরিবার ও আহতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো ধরনের প্রলোভনে বিভক্ত হয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শহীদ পরিবার বা আহতদের কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে দেখা গেলে আন্দোলনের মূল চেতনা দুর্বল হয়ে যাবে। তাদের সবসময় জনগণের পক্ষে থাকার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট ধরে রাখতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এমনকি জাতীয় নাগরিক পার্টি নিজেও যদি কখনো জনগণের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধেও কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত গণআন্দোলনগুলোর একটি, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। এই আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে আন্দোলনের ঘটনায় দায়ীদের বিচার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের বিষয়টি তখন থেকেই আলোচনায় রয়েছে।এদিকে শহীদ পরিবার ও আহতদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও অতীতে একাধিকবার জানিয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সারজিস আলমের এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমত দেখা দিলেও বিষয়টি যে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে, তা স্পষ্ট। ভবিষ্যতে এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং বাস্তব রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

জুলাই আন্দোলনের আসামিদের জামিন নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সারজিস, সতর্কবার্তা বিএনপিকে

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে বিএনপির শীর্ষ নেতারা

চীন সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘চায়না নর্দান এয়ারলাইন্স’-এর একটি ফ্লাইটে ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি চীনের পথে যাত্রা করে।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই সফরটি চীন সরকারের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কূটনৈতিক সফর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ। তার নেতৃত্বে এই সফরে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতা অংশ নিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সফরকালে পারস্পরিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন আলতাব হোসেন চৌধুরী, নাজমুল হক নান্নু, মো. শামসুজ্জামান, এস এম আসাদুজ্জামান রিপন, বেবী নাজনীন, খাইরুল কবির খোকন, হাবিবুর নবী খান সোহেল, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কামরুজ্জামান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সাঈদ আল নোমান, মনোয়ার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, কামাল আনোয়ার আহমেদ, মো. ইউনুস আলী, মো. আমানুল্লাহ এবং মীর সোলায়মান।দলের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরের সময় চীনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগিতা, অবকাঠামো, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ এবং বিভিন্ন বড় প্রকল্পে চীন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও পারস্পরিক সফর ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি ধারা আগে থেকেই রয়েছে। এই ধরনের সফর সাধারণত ভবিষ্যতের সহযোগিতার নতুন পথ তৈরি করতে সহায়তা করে।অতীতেও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা চীন সফর করেছেন এবং সেখানে দলীয় সংগঠন পরিচালনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এবারের সফরটিকে দেখা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।দলের পক্ষ থেকে এখনো সফরের বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিনের এই সফরে প্রতিনিধি দলটি বেইজিংয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সফর করবে এবং একাধিক বৈঠকে অংশ নেবে। সামগ্রিকভাবে এই সফরকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সফর শেষে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হলে এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে বিএনপির শীর্ষ নেতারা

ইসিতে আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিন শুরু: পাঁচ দিনে মঞ্জুর ২৭৭, বাতিল ৮১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ নিয়ে করা আপিলের শুনানি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। ষষ্ঠ দিনের মতো আজও নির্বাচন কমিশনে ১০০টি আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে, যা নিয়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক মহলে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়। আজকের তালিকায় রয়েছে ৩৮১ থেকে ৪৮০ নম্বর পর্যন্ত মোট ১০০টি আপিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন-এর সভাপতিত্বে পূর্ণাঙ্গ কমিশন দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শুনানি চালিয়ে যাবেন।এর আগে বুধবার পঞ্চম দিনের শুনানিতে আরও ১০০টি আপিল নিষ্পত্তি করা হয়। ওই দিন ৭৩টি আপিল মঞ্জুর করা হয়, ১৭টি নামঞ্জুর করা হয় এবং ১০টি আপিল অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এতে করে এখন পর্যন্ত মোট নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে।ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ দিনে মোট ৩৮০টি আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৭টি আপিল মঞ্জুর হয়েছে, ৮১টি আপিল বাতিল হয়েছে এবং ২৩টি আপিল বিভিন্ন কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে, অনেক প্রার্থী তাদের বাতিল হওয়া মনোনয়ন পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাচ্ছেন।নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৪৮১ থেকে ৫১০ নম্বর আপিল এবং অপেক্ষমাণ কিছু আপিলের শুনানি হবে। এরপর শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ৫১১ থেকে ৬১০ নম্বর আপিল এবং রোববার (১৮ জানুয়ারি) শেষ দিনে ৬১১ থেকে ৬৪৫ নম্বর আপিল নিষ্পত্তির মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।এবারের সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাইয়ের শেষ দিনে ৩০০ আসনে জমা দেওয়া ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল, যার বিরুদ্ধেই এসব আপিল করা হয়েছে।বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার পুরো দায়িত্ব থাকে নির্বাচন কমিশনের ওপর। মনোনয়ন যাচাই–বাছাই এবং আপিল শুনানি নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই ধাপে ভুল সংশোধনের সুযোগ থাকায় অনেক প্রার্থী শেষ মুহূর্তে আবার নির্বাচনের প্রতিযোগিতায় ফিরে আসতে পারেন। অতীত নির্বাচনগুলোর ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, আপিল শুনানির মাধ্যমে বেশ কিছু প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ফলে এই প্রক্রিয়াকে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরা হয়। সব মিলিয়ে আপিল শুনানির শেষ পর্যায়ে এসে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব আপিল নিষ্পত্তি হলে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পথ আরও পরিষ্কার হবে, যা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি আনবে বলে ম

ইসিতে আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিন শুরু: পাঁচ দিনে মঞ্জুর ২৭৭, বাতিল ৮১

শাপলা চত্বর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক আইজিপি মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনাল

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ কারণে তাকে এই মামলায় আসামি করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি শুধু দেশের মানুষ নয়, বিশ্বের মানুষের কাছেও আলোচিত হয়েছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হোক বা সাধারণ মানুষ—কেউই বিচারের বাইরে থাকবে না। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, তদন্ত সংস্থা ইতোমধ্যে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আসামি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত এগিয়ে চলেছে এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।এর আগে জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক আইজিপি মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম ১৩ দফা দাবি তুলে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। তাদের দাবির মধ্যে ছিল ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নারীনীতির কিছু বিষয় পরিবর্তনের আহ্বান। ওই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লাখো কওমি আলেম, শিক্ষার্থী ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। সমাবেশকে ঘিরে ওই দিন মতিঝিল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে।পরে গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে সমাবেশকারীদের শাপলা চত্বর এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই অভিযানে কতজন নিহত বা আহত হয়েছিলেন, তা নিয়ে তখন থেকেই নানা ধরনের আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও রাজনৈতিক দলও বিষয়টি নিয়ে আলাদা আলাদা মতামত দেয়।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য গঠিত একটি বিশেষ আদালত। সাধারণত বড় ধরনের সহিংসতা, গণহত্যা বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করে এই ট্রাইব্যুনাল বিচার প্রক্রিয়া চালায়। তাই শাপলা চত্বরের ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর। এই ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সব মিলিয়ে শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আইনি তৎপরতা শুরু হওয়ায় বিষয়টি আবারও জাতীয় আলোচনায় এসেছে। তদন্ত শেষ হলে এই মামলায় আরও কারা অভিযুক্ত হতে পারেন, সেটিই এখন সবার নজরে রয়েছে। 

শাপলা চত্বর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক আইজিপি মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনাল

খেলাধুলা

সকল জেলার খবর

প্রবাস

আর্কাইভ

খেলাধুলা

ব্রাজিলের কাছে ৩–০ গোলে বিধ্বস্ত আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭, ম্যাচ শেষে উত্তেজনা গড়ায় হাতাহাতিতে

ব্রাজিলের কাছে ৩–০ গোলে বিধ্বস্ত আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭, ম্যাচ শেষে উত্তেজনা গড়ায় হাতাহাতিতে

দক্ষিণআমেরিকান অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের কাছে ৩–০ গোলে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭ দল। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা এতটাই বেড়ে যায় যে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এই জয়ের ফলে ব্রাজিল আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে। প্যারাগুয়েতে চলমান টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপের এই ম্যাচে শুরু থেকেই ব্রাজিল ছিল বেশি আক্রমণাত্মক। ম্যাচের প্রথমার্ধেই তারা খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং দ্রুত গোলের সুযোগ তৈরি করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রিকেলমের জোড়া গোলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এই দুই গোল আর্জেন্টিনাকে শুরুতেই চাপে ফেলে দেয়। বিরতির পর আর্জেন্টিনা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মাঝমাঠে বল দখল বাড়িয়ে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে তারা খুব একটা সফল হতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে এদুয়ার্দোর একটি গোল ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ৩–০ গোলের বড় ব্যবধানে জিতে নেয় ব্রাজিল। এই হারের পরও আর্জেন্টিনা এখনও গ্রুপের লড়াইয়ে টিকে আছে। চার ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট, যা নিয়ে তারা গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তবে তাদের সামনে এখনও কঠিন সমীকরণ অপেক্ষা করছে। কারণ পেছনেই রয়েছে ভেনেজুয়েলা ও বলিভিয়া। ফলে শেষ ম্যাচে বলিভিয়ার বিপক্ষে জয় না পেলে তাদের ফাইনাল রাউন্ডে ওঠা এবং বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। ম্যাচের আরেকটি আলোচিত দিক ছিল শেষ বাঁশি বাজানোর পরের উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেফারিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এই সময় আর্জেন্টিনার টোবিয়াস গইতিয়া লাল কার্ড দেখেন। ফলে তিনি দলের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না, যা আর্জেন্টিনার জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরোনো। বয়সভিত্তিক ফুটবল থেকেও এই উত্তেজনার শুরু। সিনিয়র দল থেকে শুরু করে অনূর্ধ্ব-১৭—প্রতিটি পর্যায়েই এই দুই দলের ম্যাচ সাধারণত খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে থাকে। তাই এই ম্যাচেও শুরু থেকেই মাঠে বাড়তি উত্তেজনা ছিল। এবারের অনূর্ধ্ব-১৭ দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপটি হচ্ছে প্যারাগুয়েতে, এবং এই প্রতিযোগিতা থেকে শীর্ষ সাতটি দল সরাসরি ২০২৬ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। দক্ষিণ আমেরিকার বয়সভিত্তিক ফুটবলে এই টুর্নামেন্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়, কারণ এখান থেকেই ভবিষ্যতের অনেক তারকা খেলোয়াড় উঠে আসে। সব মিলিয়ে এই ম্যাচে ব্রাজিল যেমন নিজেদের শক্ত অবস্থান আরও মজবুত করেছে, তেমনি আর্জেন্টিনার সামনে তৈরি হয়েছে নতুন চাপ। এখন বলিভিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি তাদের জন্য অনেকটাই ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই ম্যাচের ফলই ঠিক করে দেবে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন কতটা এগোবে। 

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !