মুন্সীগঞ্জে গোপনে এক নারীর ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফাহিম মোল্লা (২১), মো. রবিন মোল্লা ও মো. জিসান দেওয়ান (২০)। তাঁদের সবার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায়।সোমবার (২৬ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।যেভাবে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগপুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ হাওলাদারপাড়া এলাকায় এক নারী পোশাক পরিবর্তনের সময় তাঁর অজ্ঞাতে কৌশলে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।পরে ‘Lamiya Khan’ নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ওই নারীর সঙ্গে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে ধারণ করা ভিডিও তাঁকে পাঠিয়ে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানঘটনাটি জানার পর মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আশফাক রাসেলের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। গত ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।মুঠোফোন জব্দ, তদন্ত চলছেপুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব হোসেন জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা জরুরিকোনো ব্যক্তির অজ্ঞাতে তাঁর ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ, তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো কিংবা ভিডিও ব্যবহার করে অর্থ বা সম্পদ দাবি করার অভিযোগ গুরুতর। এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করা, সংরক্ষণ করে ছড়িয়ে দেওয়া বা ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকা উচিত।সর্বশেষ অবস্থা: পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত বিচারিক নিষ্পত্তি আদালতের মাধ্যমে হবে।
অনলাইন জরিপ
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।শফিকুর রহমান তাঁর স্ট্যাটাসে বলেন, ‘এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর।’তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলা চালান। পরে সেখানে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয় এবং কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।ঘটনাস্থলে একটি ‘রহস্যজনক’ সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন জামায়াত আমির।ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে, তা খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।শফিকুর রহমানের বক্তব্য, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছে, অন্যদিকে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি। হামলাকারীর সংখ্যা, হামলার ধরন ও ঘটনার পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে শফিকুর রহমানের বক্তব্যই তুলে ধরা হয়েছে; এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।পরে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর ঘটনার বিষয়ে তদন্তের জন্য তাদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করে পুলিশ।মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলাম ছাড়াও মরিয়মের মামা মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।মামলার অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং ঘটনার পেছনের কারণ আদালতের আদেশে বা তদন্তে কীভাবে উঠে আসে, সেটিই এখন পরবর্তী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।রিমান্ডের মাধ্যমে পুলিশ সাধারণত মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল—এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। তবে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করায় কোনো আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন অর্থ নয়।এই ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং পরবর্তী সময়ে আদালতে কী উপস্থাপন করে, তার ওপর মামলার পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করবে।গাজী নজরুল ইসলামের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।মরিয়মের বাবা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেছেন।মামলায় গাজী নজরুল ও মাকছুদা ছাড়াও মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কোনো আসামিকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়। বিশেষ করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মতো মামলায় তদন্তের তথ্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ।এ ঘটনায় রিমান্ডের মেয়াদ দুই আসামির ক্ষেত্রে আলাদা হওয়ায় তদন্তে প্রত্যেকের ভূমিকা আলাদাভাবে যাচাই করার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে রিমান্ডের মেয়াদ বা আদালতের আদেশকে কারও অপরাধ প্রমাণের মাপকাঠি হিসেবে দেখা উচিত নয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্বের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।সাক্ষাতের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।দুই পক্ষের আলোচনায় বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। বিশেষ করে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।বাংলাদেশের অবকাঠামো, বাণিজ্য ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক পর্যায়ের যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশের উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টিও এ ধরনের বৈঠকে গুরুত্ব বহন করে।সাক্ষাৎকালে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক অ্যাটাচে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলমও সেখানে ছিলেন।গুরুত্বপূর্ণ দিকমঙ্গলবার বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।দুই দেশের রাজনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত।বৈঠকে চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ নয়; বাণিজ্য, অবকাঠামো ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে। তাই দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদের নিয়মিত যোগাযোগ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্ব বহন করে।মূল পর্যবেক্ষণ: এই সাক্ষাতের তাৎপর্য শুধু সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ কীভাবে এগোয়, ভবিষ্যতে সেটিই এ ধরনের বৈঠকের বাস্তব গুরুত্ব নির্ধারণ করবে।
বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। দলের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সতর্কতারিজভী বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে অনিয়ম বা অপকর্মে জড়ালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি গঠনমূলক কাজে যুক্ত হয়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগবর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রিজভী দাবি করেন, ক্ষমতায় এসে বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করছে। তাঁর দাবি, জনগণের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব মোকাবিলা করেই দল এগিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও বক্তব্যস্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী জানান, দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ওপর থাকবে। দলীয় প্রতীক না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ দিক দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি। নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান। দলীয় শৃঙ্খলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন রিজভী। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে স্থানীয় নেতাদের ভূমিকার কথা জানিয়েছেন তিনি। কেন এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ?রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি অনিয়মে জড়ালে তার প্রভাব শুধু ব্যক্তির ওপর পড়ে না; দলের ভাবমূর্তিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই অভিযোগ উঠলে তা যাচাই করে দলীয় বিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: রিজভীর বক্তব্যে শুধু শাস্তির বার্তা নয়, নেতাকর্মীদের ‘জনগণের প্রতিনিধি’ হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বানও রয়েছে। অর্থাৎ দলীয় পরিচয়কে ব্যক্তিগত সুবিধার বদলে জনসম্পৃক্ত কাজে ব্যবহারের বিষয়টিও সামনে এসেছে। সাধারণ মানুষের ভাবনা রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অনিয়ম করলে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে অভিযোগ যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কোনো অভিযোগকে সত্য ধরে নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও যাচাইযোগ্য তথ্য দেখা জরুরি।
দেশের নারী উদ্যোক্তা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ, শিল্পোদ্যোক্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ আর নেই। থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।ব্যবসা, নারী নেতৃত্ব এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রশ্নে বাংলাদেশে যে কয়েকজন মানুষের নাম আলাদা করে উচ্চারিত হয়, সেলিমা আহমাদ ছিলেন তাদের একজন। বিশেষ করে হাজার হাজার নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে দাঁড় করানোর যে আন্দোলন তিনি শুরু করেছিলেন, সেটিই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচয় এনে দেয়।পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। তার মৃত্যুতে ব্যবসায়ী মহল, নারী উদ্যোক্তা সমাজ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ব্যবসায়িক নেতৃত্ব থেকে জাতীয় পরিচিতি১৯৬০ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণকারী সেলিমা আহমাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে জাপান, ডেনমার্ক, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে পেশাগত প্রশিক্ষণ নেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোশিপ লাভ করেন।তিনি দেশের অন্যতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। অটোমোবাইল, সিমেন্ট, কাগজ, রিয়েল এস্টেট, আর্থিক সেবাসহ বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত এই শিল্পগোষ্ঠীর ব্যবস্থাপনা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মাতলুব আহমাদের সহধর্মিণী ছিলেন তিনি।নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছিলেনসেলিমা আহমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় সম্ভবত বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিডব্লিউসিসিআই) প্রতিষ্ঠা। ২০০১ সালে তার উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই সংগঠন দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রথম জাতীয় পর্যায়ের বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পায়।তার নেতৃত্বে হাজার হাজার নারী প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ, বাজারসংযোগ ও ব্যবসায়িক পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নারীদের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক নারী প্রথমবারের মতো ব্যবসা শুরু করার সাহস পেয়েছিলেন সেলিমা আহমাদের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরামর্শ থেকে।ব্যাংকিং খাত ও নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকাশুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠান নয়, দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতেও সক্রিয় ছিলেন সেলিমা আহমাদ। তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেছেন।অর্থনীতিবিদদের মতে, নারী উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। ব্যবসা ও অর্থনীতির বিভিন্ন ফোরামে তিনি নারী অংশগ্রহণ বাড়ানোর পক্ষে ধারাবাহিকভাবে কথা বলেছেন।রাজনীতিতেও ছিল সক্রিয় উপস্থিতিব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও যুক্ত হন সেলিমা আহমাদ। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।সংসদে তিনি নারী উন্নয়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখসেলিমা আহমাদের কর্মজীবনের অন্যতম বড় স্বীকৃতি আসে ২০১৪ সালে। সে বছর তিনি অসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। ব্যবসার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন ও ইতিবাচক প্রভাব তৈরির স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বেস্ট বিজনেস উইমেন, প্রিয়দর্শিনী এবং বিজনেস এক্সপ্রেস অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।কেন তার মৃত্যু গুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তা আন্দোলন আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে কয়েকজন পথপ্রদর্শকের অবদান রয়েছে। সেলিমা আহমাদ ছিলেন সেই অগ্রগামীদের অন্যতম।তার সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল শহরের গণ্ডি পেরিয়ে গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার প্রচেষ্টা। অনেক ক্ষেত্রে তিনি শুধু প্রশিক্ষণ দেননি, বরং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দরজাও খুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশে নারীদের ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়লেও এখনো অর্থায়ন, বাজারসংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেলিমা আহমাদের মতো নেতৃত্বের অভাব ভবিষ্যতে আরও বেশি অনুভূত হতে পারে।একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণবাংলাদেশের ব্যবসায়িক ইতিহাসে খুব কম মানুষই আছেন, যারা একই সঙ্গে করপোরেট নেতৃত্ব, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যাংকিং খাতের নীতিনির্ধারণ এবং জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সেলিমা আহমাদ সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন, যিনি চারটি ক্ষেত্রেই নিজের স্বতন্ত্র ছাপ রেখে গেছেন।গুরুত্বপূর্ণ দিক• বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নারী বাণিজ্য সংগঠন বিডব্লিউসিসিআই প্রতিষ্ঠা করেন• হাজার হাজার নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও ব্যবসায়িক সহায়তার সুযোগ করে দেন• নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে শিল্প খাতে নেতৃত্ব দেন• আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেনসাধারণ মানুষের ভাবনাবাংলাদেশে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কথা যখন বলা হয়, তখন শুধু নীতিমালা নয়, প্রয়োজন হয় বাস্তব নেতৃত্বের। সেলিমা আহমাদের জীবন দেখিয়েছে—একজন মানুষের উদ্যোগ হাজারো মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। তার মৃত্যুতে অনেকেই মনে করছেন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য শুরু করা কাজগুলো আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নেওয়া এখন সময়ের দাবি।নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, সহজ অর্থায়ন এবং বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা গেলে সেটিই হবে তার প্রতি সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধা।
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। দুর্ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সলঙ্গা থানাধীন চরিয়া এলাকায় RAB-12-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সলঙ্গা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা সিরাজগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা রাজশাহীগামী একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়।দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।পুলিশের বক্তব্যঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন Md. Aslam Ali।তিনি জানান, “সলঙ্গা থেকে যাত্রী নিয়ে সিএনজি অটোরিকশাটি সিরাজগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।”তিনি আরও বলেন, নিহতদের মরদেহ Hatikumrul Highway Police Station-এ রাখা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কদুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা গেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতির বাস চলাচল বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “বাসটি খুব দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ করেই অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।”আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা হয়। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা খুব একটা দেখা যায় না।”সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্নসাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়তে থাকায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, ক্লান্ত চালক এবং ট্রাফিক নিয়ম না মানার কারণে এমন দুর্ঘটনা বাড়ছে।বিশেষ করে মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ভারী যানবাহনের একসঙ্গে চলাচলকে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থাপুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।একই সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।উপসংহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। মুহূর্তের অসতর্কতা বা বেপরোয়া গতি কত দ্রুত কয়েকটি পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিতে পারে, এই ঘটনাই তার আরেকটি নির্মম উদাহরণ।