দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমে যুক্ত হলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমে যুক্ত হলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

বাংলাদেশকে আগামী ৫ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি, বাড়ছে বার্ষিক ঋণ সহায়তা

এনআরবিসি ব্যাংকের এমটিওদের ৩ সপ্তাহের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষ, সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত

দেশের অদেখা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদযাত্রা ও চিত্র প্রদর্শনী

পিআরআই সতর্কতা: প্রবৃদ্ধিমুখী ব্যয় বাড়ালে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে

বাংলাদেশের চা শিল্পে সংকট ও সম্ভাবনা: সমন্বিত উদ্যোগে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নতুন সুযোগ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে এনওসি ছাড়া পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ২৮ টন রক সল্ট আটকে দেওয়া হলো

ইউরোপের বাজারে আবারও সাতক্ষীরার হিমসাগর আম, চাষি-রপ্তানিকারকদের চোখে নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমে যুক্ত হলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমে যুক্ত হলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক
ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিমে অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। -ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দিতে অংশীদার হয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এর ফলে যোগ্য উদ্যোক্তারা বছরে মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, যা ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা মূলধন সংকটে ভুগছেন। উচ্চ সুদের কারণে অনেকেই ব্যবসা বড় করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগকে উদ্যোক্তাদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কী এই ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম মূলত এমন সব ব্যবসায়িক গোষ্ঠী বা শিল্পাঞ্চলকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে একই ধরনের পণ্য বা সেবাকে কেন্দ্র করে বহু উদ্যোক্তা কাজ করেন। এসব ক্লাস্টারে থাকা ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে অর্থায়নের আওতায় আনার লক্ষ্যেই গঠন করা হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল।

এই স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো প্রথমে উদ্যোক্তাদের ঋণ দেবে। পরে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সেই ঋণের একটি অংশ পুনঃঅর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংকগুলোও তুলনামূলক কম খরচে উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে পারবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র উৎপাদন ইউনিট এবং স্থানীয় অর্থনীতিনির্ভর ব্যবসাগুলো এ উদ্যোগ থেকে বেশি সুবিধা পেতে পারে।

চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার এবং নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. এহতেশামুল হক খান। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এসএমইএসপিডি বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা।


এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এসইভিপি ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার আনোয়ার ফারুক তালুকদারও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উদ্যোক্তাদের জন্য কী সুবিধা?

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৭ শতাংশ সুদে ঋণ বর্তমান বাজার বাস্তবতায় অনেক উদ্যোক্তার জন্য স্বস্তির খবর। কারণ ব্যবসার সম্প্রসারণে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি হলো অর্থের জোগান।

কম সুদের অর্থায়ন পাওয়া গেলে উদ্যোক্তারা নতুন যন্ত্রপাতি কিনতে, উৎপাদন বাড়াতে, কর্মী নিয়োগ দিতে এবং বাজার সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশের বিভিন্ন শিল্প ক্লাস্টারে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ?

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য।

তবে অনেক উদ্যোক্তা এখনও প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বাইরে রয়ে গেছেন। ব্যাংক ঋণ পাওয়ার জটিলতা, উচ্চ সুদ এবং জামানত সংক্রান্ত বাধার কারণে তারা অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক উৎসের ওপর নির্ভর করেন।

এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়নভিত্তিক স্কিমগুলোকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ক্লাস্টারভিত্তিক অর্থায়ন একই ধরনের ব্যবসাকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।


বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ঋণ প্রদান নয়, এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উদ্যোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যদি তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই উদ্যোগ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নতুন গতি এনে দিতে পারে।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিমে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের যুক্ত হওয়া উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল। কম সুদে অর্থায়নের এই সুযোগ দেশের উৎপাদন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ, ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম, এসএমই ঋণ বাংলাদেশ, ৭ শতাংশ সুদে ঋণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইনান্সিং স্কিমে যুক্ত হলো ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দিতে অংশীদার হয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এর ফলে যোগ্য উদ্যোক্তারা বছরে মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, যা ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা মূলধন সংকটে ভুগছেন। উচ্চ সুদের কারণে অনেকেই ব্যবসা বড় করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগকে উদ্যোক্তাদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কী এই ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম মূলত এমন সব ব্যবসায়িক গোষ্ঠী বা শিল্পাঞ্চলকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে একই ধরনের পণ্য বা সেবাকে কেন্দ্র করে বহু উদ্যোক্তা কাজ করেন। এসব ক্লাস্টারে থাকা ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে অর্থায়নের আওতায় আনার লক্ষ্যেই গঠন করা হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল।

এই স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো প্রথমে উদ্যোক্তাদের ঋণ দেবে। পরে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সেই ঋণের একটি অংশ পুনঃঅর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংকগুলোও তুলনামূলক কম খরচে উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে পারবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হস্তশিল্প, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র উৎপাদন ইউনিট এবং স্থানীয় অর্থনীতিনির্ভর ব্যবসাগুলো এ উদ্যোগ থেকে বেশি সুবিধা পেতে পারে।

চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার এবং নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. এহতেশামুল হক খান। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এসএমইএসপিডি বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা।


এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এসইভিপি ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার আনোয়ার ফারুক তালুকদারও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উদ্যোক্তাদের জন্য কী সুবিধা?

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৭ শতাংশ সুদে ঋণ বর্তমান বাজার বাস্তবতায় অনেক উদ্যোক্তার জন্য স্বস্তির খবর। কারণ ব্যবসার সম্প্রসারণে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি হলো অর্থের জোগান।

কম সুদের অর্থায়ন পাওয়া গেলে উদ্যোক্তারা নতুন যন্ত্রপাতি কিনতে, উৎপাদন বাড়াতে, কর্মী নিয়োগ দিতে এবং বাজার সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশের বিভিন্ন শিল্প ক্লাস্টারে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ?

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য।

তবে অনেক উদ্যোক্তা এখনও প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বাইরে রয়ে গেছেন। ব্যাংক ঋণ পাওয়ার জটিলতা, উচ্চ সুদ এবং জামানত সংক্রান্ত বাধার কারণে তারা অনেক সময় অনানুষ্ঠানিক উৎসের ওপর নির্ভর করেন।

এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়নভিত্তিক স্কিমগুলোকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ক্লাস্টারভিত্তিক অর্থায়ন একই ধরনের ব্যবসাকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।


বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ঋণ প্রদান নয়, এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উদ্যোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যদি তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই উদ্যোগ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নতুন গতি এনে দিতে পারে।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিমে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের যুক্ত হওয়া উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল। কম সুদে অর্থায়নের এই সুযোগ দেশের উৎপাদন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর