দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

প্রিয়া বাপাটের বিস্ফোরক দাবি: শুটিংয়ে সহ-অভিনেতার আচরণে পড়েছিলেন চরম অস্বস্তিতে

প্রিয়া বাপাটের বিস্ফোরক দাবি: শুটিংয়ে সহ-অভিনেতার আচরণে পড়েছিলেন চরম অস্বস্তিতে

প্রথমবার ধারাবাহিক নাটকের নায়ক প্রত্যয় খান, আজ শুরু ‘এই শহর এই পরিবার’

জীবনের অর্থ নিয়ে আবেগঘন বার্তা, ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আলোচনায় ঐশ্বরিয়া রাই

আজম খানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে চ্যানেল আইয়ের বিশেষ আয়োজন, প্রচার হবে ‘ট্রিবিউট টু গুরু আজম খান’

ব্রাজিলের পতাকার রঙে শাড়ি পরে আলোচনায় হিমি, ‘এইবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল’ পোস্ট ঘিরে তুমুল আলোচনা

সময়ের অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘গুপ্তধনের খোঁজে’

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের এফআইআর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

কান চলচ্চিত্র উৎসবে নীল গাউনে নজর কাড়লেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের এফআইআর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের এফআইআর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের অভিযোগ ঘিরে পাকিস্তানের রাজনীতি ও শোবিজে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। -ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর গুরুতর অভিযোগ, থানায় এফআইআর

পাকিস্তানের রাজনীতি ও শোবিজ অঙ্গনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে এক অভিনেত্রীর অভিযোগকে ঘিরে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সাকিব চাধারের বিরুদ্ধে হয়রানি, ব্ল্যাকমেল এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছেন অভিনেত্রী ও মডেল মোমিনা ইকবাল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।


পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভি–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ মে লাহোরের চুং থানায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেখানে অভিনেত্রী দাবি করেছেন, পাকিস্তানের মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সাকিব চাধার তাকে এবং তার হবু স্বামীকে ফোনে বারবার হুমকি দিয়ে আসছেন।

‘বিয়ের প্রস্তাব’ থেকে দ্বন্দ্বের শুরু?

এফআইআরে মোমিনা ইকবাল দাবি করেছেন, সাকিব চাধার তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পরে তিনি জানতে পারেন, এই রাজনীতিক আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার দুই স্ত্রী রয়েছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই আচরণ পাল্টে যায় ওই আইনপ্রণেতার। তিনি নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন এবং ফোনে অশালীন ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার শুরু করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে পাকিস্তানের অনলাইন মহলেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। কেউ এটিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ পুরো বিষয়টি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে সাকিব চাধারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শুধু অভিনেত্রী নন, পরিবারের দিকেও অভিযোগ

মোমিনার অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার বোনের ফোনেও হুমকিমূলক ও আপত্তিকর বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এতে পুরো পরিবার মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এফআইআরে।

পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গনের কয়েকজন ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরোক্ষভাবে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। যদিও কেউ সরাসরি নাম উল্লেখ করেননি, তবুও নারী শিল্পীদের নিরাপত্তা এবং ক্ষমতাবানদের আচরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে ক্ষমতা, প্রভাব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা অনেক সময় ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষ করে জনপ্রিয় বা পরিচিত নারীরা প্রায়ই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব, মানসিক চাপ কিংবা অনলাইন হয়রানির মুখোমুখি হন। অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা— এমন ঘটনায় সামাজিক প্রভাব অনেক গভীর হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কড়া বার্তা

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মরিয়ম নওয়াজ। তিনি বলেছেন, মোমিনা ও সাকিবকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের তদন্তে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব, চাপ বা ভয়ভীতি সহ্য করা হবে না।


মরিয়ম নওয়াজের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তথ্য যাচাই করবে এবং তদন্তে কেউ হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্যের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বেড়েছে। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন দেখা যায়। ফলে এবার প্রশাসনের অবস্থান কতটা নিরপেক্ষ থাকে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তানে নারী হয়রানির অভিযোগ কেন বারবার সামনে আসে?

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে নারী শিল্পী, সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও হুমকির বহু অভিযোগ সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগকারীরা বলেছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কথা বললে সামাজিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে নারীদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত— বিশেষ করে বিয়ে বা সম্পর্ক নিয়ে ‘না’ বলাকে অনেক সময় সহজভাবে নেওয়া হয় না। এর ফলে মানসিক নির্যাতন, অনলাইন হুমকি কিংবা সামাজিক অপমানের মতো ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রত্যাখ্যানকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে নেওয়ার প্রবণতা থেকেই অনেক সময় আগ্রাসী আচরণ তৈরি হয়। আর ক্ষমতা বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকলে সেটি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। যদিও এই নির্দিষ্ট ঘটনায় অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

তদন্তের দিকে নজর সবার

চুং থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরের পর তদন্ত শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি।


এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোমিনা ইকবালের সমর্থনে অনেকে পোস্ট করছেন। আবার কেউ কেউ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। কারণ, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও মত দিচ্ছেন অনেকে।

পুরো ঘটনায় পাকিস্তানের রাজনীতি ও বিনোদন অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং অভিযুক্ত এমপিএর প্রতিক্রিয়া এখন সবার নজরে।

বিষয় : মোমিনা ইকবাল সাকিব চাধার পাকিস্তান শোবিজ খবর, পাকিস্তান রাজনৈতিক খবর, অভিনেত্রী হয়রানির অভিযোগ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের এফআইআর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর গুরুতর অভিযোগ, থানায় এফআইআর

পাকিস্তানের রাজনীতি ও শোবিজ অঙ্গনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে এক অভিনেত্রীর অভিযোগকে ঘিরে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সাকিব চাধারের বিরুদ্ধে হয়রানি, ব্ল্যাকমেল এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছেন অভিনেত্রী ও মডেল মোমিনা ইকবাল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।


পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভি–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ মে লাহোরের চুং থানায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেখানে অভিনেত্রী দাবি করেছেন, পাকিস্তানের মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সাকিব চাধার তাকে এবং তার হবু স্বামীকে ফোনে বারবার হুমকি দিয়ে আসছেন।

‘বিয়ের প্রস্তাব’ থেকে দ্বন্দ্বের শুরু?

এফআইআরে মোমিনা ইকবাল দাবি করেছেন, সাকিব চাধার তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পরে তিনি জানতে পারেন, এই রাজনীতিক আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার দুই স্ত্রী রয়েছেন। বিষয়টি জানার পর তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই আচরণ পাল্টে যায় ওই আইনপ্রণেতার। তিনি নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন এবং ফোনে অশালীন ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার শুরু করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে পাকিস্তানের অনলাইন মহলেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। কেউ এটিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ পুরো বিষয়টি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে সাকিব চাধারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শুধু অভিনেত্রী নন, পরিবারের দিকেও অভিযোগ

মোমিনার অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার বোনের ফোনেও হুমকিমূলক ও আপত্তিকর বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এতে পুরো পরিবার মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এফআইআরে।

পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গনের কয়েকজন ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরোক্ষভাবে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। যদিও কেউ সরাসরি নাম উল্লেখ করেননি, তবুও নারী শিল্পীদের নিরাপত্তা এবং ক্ষমতাবানদের আচরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে ক্ষমতা, প্রভাব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা অনেক সময় ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষ করে জনপ্রিয় বা পরিচিত নারীরা প্রায়ই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব, মানসিক চাপ কিংবা অনলাইন হয়রানির মুখোমুখি হন। অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা— এমন ঘটনায় সামাজিক প্রভাব অনেক গভীর হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের কড়া বার্তা

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মরিয়ম নওয়াজ। তিনি বলেছেন, মোমিনা ও সাকিবকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের তদন্তে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব, চাপ বা ভয়ভীতি সহ্য করা হবে না।


মরিয়ম নওয়াজের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তথ্য যাচাই করবে এবং তদন্তে কেউ হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্যের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বেড়েছে। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন দেখা যায়। ফলে এবার প্রশাসনের অবস্থান কতটা নিরপেক্ষ থাকে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তানে নারী হয়রানির অভিযোগ কেন বারবার সামনে আসে?

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে নারী শিল্পী, সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও হুমকির বহু অভিযোগ সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগকারীরা বলেছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কথা বললে সামাজিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে নারীদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত— বিশেষ করে বিয়ে বা সম্পর্ক নিয়ে ‘না’ বলাকে অনেক সময় সহজভাবে নেওয়া হয় না। এর ফলে মানসিক নির্যাতন, অনলাইন হুমকি কিংবা সামাজিক অপমানের মতো ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রত্যাখ্যানকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে নেওয়ার প্রবণতা থেকেই অনেক সময় আগ্রাসী আচরণ তৈরি হয়। আর ক্ষমতা বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকলে সেটি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। যদিও এই নির্দিষ্ট ঘটনায় অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

তদন্তের দিকে নজর সবার

চুং থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরের পর তদন্ত শুরু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি।


এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোমিনা ইকবালের সমর্থনে অনেকে পোস্ট করছেন। আবার কেউ কেউ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। কারণ, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও মত দিচ্ছেন অনেকে।

পুরো ঘটনায় পাকিস্তানের রাজনীতি ও বিনোদন অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং অভিযুক্ত এমপিএর প্রতিক্রিয়া এখন সবার নজরে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর