ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় নজরুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোগীর স্বজনেরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে দায়িত্বরত চিকিৎসককে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় হাসপাতালে বিক্ষোভ, ধস্তাধস্তি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।
শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে রোগীর মৃত্যু ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রিশাল উপজেলার পাঁচপাড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রথমে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে স্বজনেরা দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমতিয়াজ মাহামুদ পাঠানকে ওয়ার্ডে ডেকে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসক রোগীকে একটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই নজরুল ইসলামের শরীরে খিঁচুনি শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান।
রোগীর স্বজনেরা দাবি করেন, চিকিৎসকের দেওয়া ওই ইনজেকশনের পরই পরিস্থিতি হঠাৎ খারাপ হয়ে যায়। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসায় গাফিলতি ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
নজরুল ইসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্বজনেরা চিকিৎসকের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় কয়েকজন স্বজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ আছে, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে চিকিৎসকের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায়। হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারীকেও ক্ষুব্ধ স্বজনদের চাপের মুখে পড়তে হয়।
ঘটনার সময় হাসপাতালের পরিবেশ কিছু সময়ের জন্য অস্থির হয়ে পড়ে। রোগীর স্বজনেরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
রোগীর পরিবারের সদস্যরা বলছেন, চিকিৎসকের আচরণও তাঁদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দেয়। তাঁদের ভাষ্য, রোগীর অবস্থার অবনতির পর চিকিৎসক বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি এবং পরে প্রশ্ন করলে তাঁদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমতিয়াজ মাহামুদ পাঠান। তিনি দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ীই রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর পক্ষ থেকে কোনো অবহেলা ছিল না।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোগীর শ্বাসকষ্ট থাকায় প্রথমে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ওমিপ্রাজল ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক হলেও চিকিৎসায় গাফিলতির কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম জিয়াউল বারী বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার সময় থেকেই তাঁর অবস্থা জটিল ছিল। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ত্রিশাল থানা–এর পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা রুবেল হাসপাতালে যান। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমানও সেখানে উপস্থিত হন।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরে স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আপাতত স্বজনেরা কোনো আইনি পদক্ষেপ নেবেন না বলে জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
ত্রিশালের এই ঘটনাটি শুধু একটি মৃত্যুর ঘটনাই নয়, বরং স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার প্রশ্নও সামনে এনে দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায়ই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। অন্যদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন, অনেক সময় রোগীকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়, ফলে সব চেষ্টা সত্ত্বেও জীবন বাঁচানো সম্ভব হয় না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। কারণ ভুল চিকিৎসার অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, আবার ভিত্তিহীন অভিযোগ হলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নজরুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় আলোচনা থামছে না। স্থানীয় অনেকেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার না হলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে নজরুল ইসলামের পরিবার শোকাহত অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যেও চাপা উদ্বেগ কাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দিকেই এখন সবার নজর।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় নজরুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোগীর স্বজনেরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে দায়িত্বরত চিকিৎসককে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় হাসপাতালে বিক্ষোভ, ধস্তাধস্তি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।
শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে রোগীর মৃত্যু ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রিশাল উপজেলার পাঁচপাড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রথমে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে স্বজনেরা দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমতিয়াজ মাহামুদ পাঠানকে ওয়ার্ডে ডেকে আনেন। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসক রোগীকে একটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই নজরুল ইসলামের শরীরে খিঁচুনি শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান।
রোগীর স্বজনেরা দাবি করেন, চিকিৎসকের দেওয়া ওই ইনজেকশনের পরই পরিস্থিতি হঠাৎ খারাপ হয়ে যায়। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসায় গাফিলতি ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
নজরুল ইসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্বজনেরা চিকিৎসকের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় কয়েকজন স্বজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ আছে, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে চিকিৎসকের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায়। হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারীকেও ক্ষুব্ধ স্বজনদের চাপের মুখে পড়তে হয়।
ঘটনার সময় হাসপাতালের পরিবেশ কিছু সময়ের জন্য অস্থির হয়ে পড়ে। রোগীর স্বজনেরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
রোগীর পরিবারের সদস্যরা বলছেন, চিকিৎসকের আচরণও তাঁদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দেয়। তাঁদের ভাষ্য, রোগীর অবস্থার অবনতির পর চিকিৎসক বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি এবং পরে প্রশ্ন করলে তাঁদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমতিয়াজ মাহামুদ পাঠান। তিনি দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ীই রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর পক্ষ থেকে কোনো অবহেলা ছিল না।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোগীর শ্বাসকষ্ট থাকায় প্রথমে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ওমিপ্রাজল ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক হলেও চিকিৎসায় গাফিলতির কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম জিয়াউল বারী বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার সময় থেকেই তাঁর অবস্থা জটিল ছিল। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ত্রিশাল থানা–এর পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা রুবেল হাসপাতালে যান। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমানও সেখানে উপস্থিত হন।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরে স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আপাতত স্বজনেরা কোনো আইনি পদক্ষেপ নেবেন না বলে জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
ত্রিশালের এই ঘটনাটি শুধু একটি মৃত্যুর ঘটনাই নয়, বরং স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার প্রশ্নও সামনে এনে দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ, চিকিৎসক সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায়ই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। অন্যদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন, অনেক সময় রোগীকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়, ফলে সব চেষ্টা সত্ত্বেও জীবন বাঁচানো সম্ভব হয় না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। কারণ ভুল চিকিৎসার অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, আবার ভিত্তিহীন অভিযোগ হলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নজরুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় আলোচনা থামছে না। স্থানীয় অনেকেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার না হলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে নজরুল ইসলামের পরিবার শোকাহত অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যেও চাপা উদ্বেগ কাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দিকেই এখন সবার নজর।

আপনার মতামত লিখুন