দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৪৮ হাজার ৪৩০ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩৯ জনের। আর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৫৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছেন খুলনা বিভাগে—২৮৪ জন।
এ ছাড়া—
তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৮ হাজার ৪৩০ জন।
এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ হাজার ৮৫৭ জন। অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৯ জনে।
একদিনে প্রায় দেড় হাজার রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা ডেঙ্গুর চাপ কতটা বাড়ছে, তার একটি বড় ইঙ্গিত। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী শনাক্ত হওয়ায় ডেঙ্গু এখন শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক সমস্যা নয়।
ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামলানোর প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতালনির্ভর ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকা, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র কিংবা বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। তাই সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব রয়েছে।
এবারের পরিসংখ্যানে ঢাকার পাশাপাশি খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের বাইরের এলাকাতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু রাজধানী নয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও নজরদারি এবং প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৪৮ হাজার ৪৩০ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩৯ জনের। আর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৮৫৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছেন খুলনা বিভাগে—২৮৪ জন।
এ ছাড়া—
তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৮ হাজার ৪৩০ জন।
এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ হাজার ৮৫৭ জন। অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৯ জনে।
একদিনে প্রায় দেড় হাজার রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা ডেঙ্গুর চাপ কতটা বাড়ছে, তার একটি বড় ইঙ্গিত। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী শনাক্ত হওয়ায় ডেঙ্গু এখন শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক সমস্যা নয়।
ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামলানোর প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতালনির্ভর ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকা, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র কিংবা বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। তাই সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব রয়েছে।
এবারের পরিসংখ্যানে ঢাকার পাশাপাশি খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের বাইরের এলাকাতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু রাজধানী নয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও নজরদারি এবং প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন