দেশে হামের পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯০৯ জনের।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন।
এ ছাড়া সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।
তবে একই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ২৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশে মোট নিশ্চিত হাম শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৩ জনে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৬৫ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।
এই সংখ্যার মধ্যে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক বা উপসর্গযুক্ত রোগীর হিসাব আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে সময়মতো শনাক্তকরণ, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং টিকাদানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত তথ্য ও নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া জরুরি।
হামের উপসর্গ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে শিশুদের টিকাদান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে চলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ পর্যবেক্ষণ: নিশ্চিত হামে মৃত্যুর পাশাপাশি উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও নিয়মিত নজরে রাখা দরকার। কারণ এতে রোগের প্রকৃত বিস্তার ও জনস্বাস্থ্যের ওপর চাপ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে হামের পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯০৯ জনের।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন।
এ ছাড়া সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।
তবে একই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ২৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশে মোট নিশ্চিত হাম শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৩ জনে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৬৫ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।
এই সংখ্যার মধ্যে নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক বা উপসর্গযুক্ত রোগীর হিসাব আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে সময়মতো শনাক্তকরণ, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং টিকাদানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত তথ্য ও নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া জরুরি।
হামের উপসর্গ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে শিশুদের টিকাদান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে চলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ পর্যবেক্ষণ: নিশ্চিত হামে মৃত্যুর পাশাপাশি উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও নিয়মিত নজরে রাখা দরকার। কারণ এতে রোগের প্রকৃত বিস্তার ও জনস্বাস্থ্যের ওপর চাপ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন