দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এবার প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। ফলে নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে লাগবে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর সভায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে নতুন এ দর নির্ধারণ করেন।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে—
এর আগে বুধবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ নতুন দরে ভরিতে দাম কমেছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার দামেও পরিবর্তন এনেছে বাজুস। নতুন তালিকায় প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—
বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দর বহাল থাকবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রি বা পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
স্বর্ণের দাম কমার খবর সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও বাজারে স্বর্ণের দাম এখনও অনেক বেশি। বিশেষ করে বিয়ে বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য যারা স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের জন্য প্রতি ভরিতে কয়েক হাজার টাকা কমাও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শুধু ঘোষিত স্বর্ণের দাম দেখলেই চূড়ান্ত খরচ বোঝা যাবে না। অলংকারের নকশা, মজুরি ও অন্যান্য প্রযোজ্য হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে। তাই কেনার আগে জুয়েলারির কাছ থেকে মোট মূল্য ও হিসাব পরিষ্কারভাবে জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজার, বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে ওঠানামা করে। ফলে একবার দাম কমেছে মানেই সামনে আরও কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য বাজুসের সর্বশেষ ঘোষিত দর এবং দোকানের চূড়ান্ত হিসাব মিলিয়ে কেনাকাটা করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এবার প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। ফলে নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে লাগবে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর সভায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে নতুন এ দর নির্ধারণ করেন।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে—
এর আগে বুধবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ নতুন দরে ভরিতে দাম কমেছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার দামেও পরিবর্তন এনেছে বাজুস। নতুন তালিকায় প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—
বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দর বহাল থাকবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রি বা পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
স্বর্ণের দাম কমার খবর সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও বাজারে স্বর্ণের দাম এখনও অনেক বেশি। বিশেষ করে বিয়ে বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য যারা স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের জন্য প্রতি ভরিতে কয়েক হাজার টাকা কমাও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শুধু ঘোষিত স্বর্ণের দাম দেখলেই চূড়ান্ত খরচ বোঝা যাবে না। অলংকারের নকশা, মজুরি ও অন্যান্য প্রযোজ্য হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে। তাই কেনার আগে জুয়েলারির কাছ থেকে মোট মূল্য ও হিসাব পরিষ্কারভাবে জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজার, বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে ওঠানামা করে। ফলে একবার দাম কমেছে মানেই সামনে আরও কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য বাজুসের সর্বশেষ ঘোষিত দর এবং দোকানের চূড়ান্ত হিসাব মিলিয়ে কেনাকাটা করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

আপনার মতামত লিখুন