দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৯

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৯

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৯২

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, দেশে মোট প্রাণহানি ১,০০৯

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,০২৬ জন

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২০

হামের চিকিৎসার পর ডেঙ্গু শনাক্ত, রাজশাহীতে দেড় বছরের শিশু তাইবার মৃত্যু

হামে ৬০০ শিশুর মৃত্যু: খালি হচ্ছে মায়ের কোল, থামছে না সংক্রমণ

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,০২৬ জন

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,০২৬ জন
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। রোববার প্রকাশিত হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু

সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩৩ জনে

তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—হামের উপসর্গে মৃত্যু এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু এক নয়। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দুই ধরনের মৃত্যুর তথ্য আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩১ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৭

এই সময়ে মোট ১ হাজার ২৬ জন নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিপরীতে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২৪ শিশু

হাসপাতালে নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্র পাওয়ার এই ব্যবধান দেখাচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর রোগীর চাপ এখনও উল্লেখযোগ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩

এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪০৪

এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ জন। চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
  • একই সময়ে নতুন করে ১,০২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
  • ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৩৪
  • নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ জনের
  • সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

হাম একটি সংক্রামক রোগ। শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া ও শরীরে র‍্যাশসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গ দেখা দিলেই যে নিশ্চিতভাবে হাম হয়েছে, তা বলা যায় না।

তাই শিশুর শরীরে এমন উপসর্গ দেখা দিলে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কোনো শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অন্য শিশুদের কাছ থেকে কিছুটা দূরে রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সংক্রমণ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: এই পরিসংখ্যানে সবচেয়ে চোখে পড়ার বিষয় হলো—নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর তুলনায় ‘হামের উপসর্গ’ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে শুধু নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দেখলে পরিস্থিতির পুরো চিত্র বোঝা যায় না; উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর চাপও নজরে রাখা জরুরি।

শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর বা হামের মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে টিকা সংক্রান্ত শিশুর তথ্য হালনাগাদ আছে কি না, তা অভিভাবকদের চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

হাম নিয়ে গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অযাচাইকৃত পরামর্শের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের নির্দেশনাকে গুরুত্ব দেওয়াই নিরাপদ।

বিষয় : হামের উপসর্গ, হামের খবর বাংলাদেশে হাম শিশুদের হাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম রিপোর্ট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,০২৬ জন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। রোববার প্রকাশিত হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু

সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩৩ জনে

তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—হামের উপসর্গে মৃত্যু এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মৃত্যু এক নয়। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দুই ধরনের মৃত্যুর তথ্য আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩১ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৭

এই সময়ে মোট ১ হাজার ২৬ জন নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিপরীতে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২৪ শিশু

হাসপাতালে নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্র পাওয়ার এই ব্যবধান দেখাচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর রোগীর চাপ এখনও উল্লেখযোগ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩

এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪০৪

এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ জন। চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
  • একই সময়ে নতুন করে ১,০২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
  • ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৩৪
  • নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ জনের
  • সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

হাম একটি সংক্রামক রোগ। শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া ও শরীরে র‍্যাশসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গ দেখা দিলেই যে নিশ্চিতভাবে হাম হয়েছে, তা বলা যায় না।

তাই শিশুর শরীরে এমন উপসর্গ দেখা দিলে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কোনো শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অন্য শিশুদের কাছ থেকে কিছুটা দূরে রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সংক্রমণ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: এই পরিসংখ্যানে সবচেয়ে চোখে পড়ার বিষয় হলো—নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর তুলনায় ‘হামের উপসর্গ’ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে শুধু নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দেখলে পরিস্থিতির পুরো চিত্র বোঝা যায় না; উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর চাপও নজরে রাখা জরুরি।

শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর বা হামের মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে টিকা সংক্রান্ত শিশুর তথ্য হালনাগাদ আছে কি না, তা অভিভাবকদের চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

হাম নিয়ে গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অযাচাইকৃত পরামর্শের ওপর নির্ভর না করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের নির্দেশনাকে গুরুত্ব দেওয়াই নিরাপদ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর