দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,০২৬ জন

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২০

হামের চিকিৎসার পর ডেঙ্গু শনাক্ত, রাজশাহীতে দেড় বছরের শিশু তাইবার মৃত্যু

হামে ৬০০ শিশুর মৃত্যু: খালি হচ্ছে মায়ের কোল, থামছে না সংক্রমণ

দেশে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে হাম, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ মৃত্যু; আক্রান্ত প্রায় ৬৮ হাজার

হাম প্রতিরোধে দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা, অর্জনের হার ১২২ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢামেক শিশু ওয়ার্ডে বেড সংকট চরমে, এক বেডে চিকিৎসা নিচ্ছে পাঁচ শিশু

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা; গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৯০ শিশু।

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৬ শিশু

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬৮

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫১।

এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ২৮ শিশু।

এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮। মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা নিশ্চিত হাম রোগীর তুলনায় অনেক বেশি। তাই উপসর্গ দেখা দিলেই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হিসাব আলাদাভাবে দেওয়া হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৬৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ—দুই হিসাব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬৭

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি: হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সব শিশুর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে হাম—এমন সিদ্ধান্ত এই পরিসংখ্যান থেকে নেওয়া যায় না। চিকিৎসা ও পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
  • একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ১ হাজার ৫১৬ জন
  • ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৯০ শিশু
  • ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হাম রোগী ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জন
  • নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮ জন


শিশুর শরীরে হাম বা হামের মতো উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। বিশেষ করে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা অন্যান্য অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

একই ধরনের উপসর্গ অন্য রোগেও দেখা দিতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে নিজে থেকে রোগ নিশ্চিত করা ঠিক নয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যেও নিশ্চিত হাম এবং সন্দেহজনক বা উপসর্গজনিত রোগীর হিসাব আলাদাভাবে দেওয়া হয়েছে।

একদিনে ১ হাজারের বেশি শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য শুধু রোগীর সংখ্যা নয়, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপেরও ইঙ্গিত দেয়। শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত শয্যা, চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো—মোট আক্রান্তের সংখ্যা যেমন নজর কাড়ছে, তেমনি প্রতিদিন কতজন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এবং কতজন সুস্থ হয়ে ফিরছে—এই দুই সংখ্যার ব্যবধানও পরিস্থিতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর তাৎক্ষণিক চাপের একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যায়।

হাম নিয়ে উদ্বেগ স্বাভাবিক। তবে কোনো শিশুর শরীরে উপসর্গ দেখা দিলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে নিজে থেকে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। শিশুর অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু এবং নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর হিসাব এক করে প্রচার করলে মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করা এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী হালনাগাদ প্রতিবেদনে আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে।

বিষয় : ইরান ইসরায়েল ড্রোন হামলা বাংলাদেশে হাম, শিশুদের হাম হামের লক্ষণ হামের চিকিৎসা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫১৬

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৬ শিশু

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬৮

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫১।

এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ২৮ শিশু।

এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮। মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা নিশ্চিত হাম রোগীর তুলনায় অনেক বেশি। তাই উপসর্গ দেখা দিলেই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হিসাব আলাদাভাবে দেওয়া হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৬৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ—দুই হিসাব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬৭

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি: হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সব শিশুর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে হাম—এমন সিদ্ধান্ত এই পরিসংখ্যান থেকে নেওয়া যায় না। চিকিৎসা ও পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
  • একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ১ হাজার ৫১৬ জন
  • ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৯০ শিশু
  • ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হাম রোগী ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জন
  • নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮ জন


শিশুর শরীরে হাম বা হামের মতো উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। বিশেষ করে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা অন্যান্য অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

একই ধরনের উপসর্গ অন্য রোগেও দেখা দিতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে নিজে থেকে রোগ নিশ্চিত করা ঠিক নয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যেও নিশ্চিত হাম এবং সন্দেহজনক বা উপসর্গজনিত রোগীর হিসাব আলাদাভাবে দেওয়া হয়েছে।

একদিনে ১ হাজারের বেশি শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য শুধু রোগীর সংখ্যা নয়, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপেরও ইঙ্গিত দেয়। শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত শয্যা, চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো—মোট আক্রান্তের সংখ্যা যেমন নজর কাড়ছে, তেমনি প্রতিদিন কতজন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এবং কতজন সুস্থ হয়ে ফিরছে—এই দুই সংখ্যার ব্যবধানও পরিস্থিতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর তাৎক্ষণিক চাপের একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যায়।

হাম নিয়ে উদ্বেগ স্বাভাবিক। তবে কোনো শিশুর শরীরে উপসর্গ দেখা দিলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে নিজে থেকে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। শিশুর অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু এবং নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর হিসাব এক করে প্রচার করলে মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করা এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী হালনাগাদ প্রতিবেদনে আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর