দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪০ লাখ টাকা

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪০ লাখ টাকা

রামপুরায় ১৪৭ শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগে সড়ক অবরোধ, দুই ঘণ্টা স্থবির ছিল যান চলাচল

প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেও থামছে না ড্রেজিংয়ের অভিযোগ, আতঙ্কে শাহপুর-রতনপুরের বাসিন্দারা

আয়ের পথ খুলতে মানবিক উদ্যোগ, বিধবা বিনা খাতুন পেলেন ছাগল; স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নে নতুন আলো

চট্টগ্রামে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান, উচ্ছেদ করা হলো দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান

চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে উত্তেজনা, এনসিপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চালক-মালিকদের হাতাহাতি

বিএমডিএর ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত, উত্তরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে নতুন কর্মপরিকল্পনা

মায়ের লাশ দেখতে বাড়ি ফেরার পথে ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণী রেশমা বেগমের

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪০ লাখ টাকা

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪০ লাখ টাকা
-ছবি: সংগৃহীতনিয়ামতপুরে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৯০ কেজি গাঁজা ও গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত।

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, দুইজন গ্রেপ্তার; মিলল কোটি টাকার মাদক চক্রের ইঙ্গিত

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার এবং দুই ব্যক্তির গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯০ কেজি গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এর পেছনে আরও বড় কোনো চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।


পুলিশের দাবি, গোপন তথ্য এবং প্রযুক্তিগত নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

গোপন তথ্য থেকে অভিযান

জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই নিয়ামতপুর থানা পুলিশ তথ্য পাচ্ছিল যে পাঁড়ইল ইউনিয়নের একটি এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত করা হয়েছে। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তায় সন্দেহভাজন একটি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়।

গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার তুলারবাউল এলাকায় একটি মাটির দোতলা বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় বাড়ির একটি শোয়ার ঘর থেকে ১০টি প্যাকেটে রাখা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) ও রশিদ (৪৪)। তাদের দুজনের বাড়িই তুলারবাউল এলাকায়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে যা জানাল পুলিশ

ঘটনার বিষয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। সেখানে জেলা পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও সংরক্ষণের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি বড় চালানের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুরো নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ চলছে।

অন্য কারা জড়িত?

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্ভাব্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।

সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় কেন বাড়ছে মাদকের ঝুঁকি?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে প্রায়ই দেখা যায়, মাদক কারবারিরা জনবসতি থেকে কিছুটা দূরের গ্রামীণ অঞ্চল কিংবা সাধারণ আবাসিক বাড়িকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়দের অজান্তেই অনেক সময় এসব এলাকা মাদক পরিবহনের রুট বা অস্থায়ী মজুতকেন্দ্রে পরিণত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চক্রগুলো সাধারণত দ্রুত লাভের আশায় তরুণদের টার্গেট করে। একই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতার ঘাটতি এবং আর্থিক প্রলোভনের সুযোগও তারা কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।

ফলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ

অভিযানের খবর প্রকাশের পর এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে বলছেন, এত বড় পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় তারা বিস্মিত। তাদের দাবি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি এবং কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।


তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই হবে আইনগত সত্য। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো ঘটনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : নিয়ামতপুরে গাঁজা উদ্ধার, নওগাঁ মাদক অভিযান, ৯০ কেজি গাঁজা, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৪০ লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

নিয়ামতপুরে ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, দুইজন গ্রেপ্তার; মিলল কোটি টাকার মাদক চক্রের ইঙ্গিত

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার এবং দুই ব্যক্তির গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯০ কেজি গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এর পেছনে আরও বড় কোনো চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।


পুলিশের দাবি, গোপন তথ্য এবং প্রযুক্তিগত নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

গোপন তথ্য থেকে অভিযান

জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই নিয়ামতপুর থানা পুলিশ তথ্য পাচ্ছিল যে পাঁড়ইল ইউনিয়নের একটি এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত করা হয়েছে। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তায় সন্দেহভাজন একটি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়।

গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার তুলারবাউল এলাকায় একটি মাটির দোতলা বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় বাড়ির একটি শোয়ার ঘর থেকে ১০টি প্যাকেটে রাখা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) ও রশিদ (৪৪)। তাদের দুজনের বাড়িই তুলারবাউল এলাকায়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে যা জানাল পুলিশ

ঘটনার বিষয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। সেখানে জেলা পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও সংরক্ষণের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি বড় চালানের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুরো নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ চলছে।

অন্য কারা জড়িত?

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্ভাব্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।

সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় কেন বাড়ছে মাদকের ঝুঁকি?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে প্রায়ই দেখা যায়, মাদক কারবারিরা জনবসতি থেকে কিছুটা দূরের গ্রামীণ অঞ্চল কিংবা সাধারণ আবাসিক বাড়িকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এতে স্থানীয়দের অজান্তেই অনেক সময় এসব এলাকা মাদক পরিবহনের রুট বা অস্থায়ী মজুতকেন্দ্রে পরিণত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চক্রগুলো সাধারণত দ্রুত লাভের আশায় তরুণদের টার্গেট করে। একই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতার ঘাটতি এবং আর্থিক প্রলোভনের সুযোগও তারা কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।

ফলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ

অভিযানের খবর প্রকাশের পর এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে বলছেন, এত বড় পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় তারা বিস্মিত। তাদের দাবি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি এবং কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।


তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই হবে আইনগত সত্য। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো ঘটনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর