দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

এইচএসসি ২০২৬: ১৫ জুন থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ, ভুল সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

এইচএসসি ২০২৬: ১৫ জুন থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ, ভুল সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

এনসিটিবির বিনা মূল্যের বই ছাপায় ১৮৩ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, নিরীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা: স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিক্যান্ট ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে?

জাকার্তার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা, নর্দান ইউনিভার্সিটির তিন শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক সাফল্যের অভিযাত্রা

ড্যাফোডিল ও সুইসকন্ট্যাক্টের যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথম ইউজিসি অনুমোদিত সাস্টেইনেবিলিটি পিজিডি চালু

ইডেন কলেজে শিশু রামিসার হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

জবিতে বৃহস্পতিবারের অনলাইন ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত, ৭ জুন থেকে ফিরছে পূর্ণাঙ্গ সশরীরে ক্লাস

ভিসি প্রত্যাহারের দাবিতে ডুয়েটে শাটডাউন ঘোষণা, সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

এইচএসসি ২০২৬: ১৫ জুন থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ, ভুল সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

এইচএসসি ২০২৬: ১৫ জুন থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ, ভুল সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত
১৫ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ কার্যক্রম। -ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন, ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ১৫ জুন থেকে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবেশপত্রে কোনো ভুল বা তথ্যগত অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধনের জন্যও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।


রোববার (৭ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বোর্ডের এই নির্দেশনার ফলে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের প্রবেশপত্র হাতে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোন জেলার প্রবেশপত্র কবে বিতরণ?

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ জুন সকাল ১০টা থেকে টাঙ্গাইল, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে।

বোর্ড জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র একসঙ্গে সংগ্রহ করতে হবে এবং দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।

শিক্ষক ছাড়া অন্য কেউ নিতে পারবেন না

প্রবেশপত্র সংগ্রহের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে অথবা তাঁর অনুমোদিত কোনো শিক্ষক প্রবেশপত্র গ্রহণ করতে পারবেন।

অনুমোদিত শিক্ষককে অবশ্যই যথাযথ স্বাক্ষর সত্যায়নসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কোনো কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে আবেদনপত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি, জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে।


ভুল থাকলে দ্রুত যাচাই করুন

প্রবেশপত্র হাতে পাওয়ার পর তা ভালোভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, নিবন্ধন নম্বর, বিষয় কোড কিংবা অন্যান্য তথ্যের কোনো ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।

বোর্ড জানিয়েছে, ১৮ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত প্রবেশপত্র সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করে উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চমাধ্যমিক)-এর কাছে জমা দিতে হবে।


সংশোধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো সমস্যা ধরা পড়লে তা সমাধান করা কঠিন হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সময়মতো সংশোধন না করলে দায় কার?

বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্রের ভুল সংশোধন না করলে পরীক্ষার সময় কোনো জটিলতা তৈরি হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানকেই নিতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রায় প্রতি বছরই কিছু শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে নামের বানান, বিষয় কোড কিংবা অন্যান্য তথ্যগত ত্রুটি ধরা পড়ে। এসব ভুল শেষ মুহূর্তে পরীক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি করে এবং কখনও কখনও পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটায়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই যাচাই প্রক্রিয়া?

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রবেশপত্র শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতিপত্র নয়, বরং একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্রও। এখানে থাকা তথ্য পরবর্তীতে ফলাফল প্রকাশ, সনদপত্র প্রস্তুত এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ কারণে প্রবেশপত্র হাতে পাওয়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সব পক্ষেরই তথ্যগুলো মনোযোগ দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন। সামান্য একটি ভুলও পরবর্তীতে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

এদিকে এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির শেষ পর্যায় চলছে। প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হওয়ায় পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রবেশপত্র সংগ্রহের পর প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা এবং কোনো ত্রুটি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সংশোধন করে নেওয়া।

বিষয় : এইচএসসি ২০২৬ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, এইচএসসি প্রবেশপত্র HSC Exam Bangladesh

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


এইচএসসি ২০২৬: ১৫ জুন থেকে প্রবেশপত্র বিতরণ, ভুল সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন, ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ ২৫ জুন পর্যন্ত

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ১৫ জুন থেকে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবেশপত্রে কোনো ভুল বা তথ্যগত অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধনের জন্যও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।


রোববার (৭ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বোর্ডের এই নির্দেশনার ফলে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের প্রবেশপত্র হাতে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোন জেলার প্রবেশপত্র কবে বিতরণ?

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ জুন সকাল ১০টা থেকে টাঙ্গাইল, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে।

বোর্ড জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র একসঙ্গে সংগ্রহ করতে হবে এবং দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।

শিক্ষক ছাড়া অন্য কেউ নিতে পারবেন না

প্রবেশপত্র সংগ্রহের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে অথবা তাঁর অনুমোদিত কোনো শিক্ষক প্রবেশপত্র গ্রহণ করতে পারবেন।

অনুমোদিত শিক্ষককে অবশ্যই যথাযথ স্বাক্ষর সত্যায়নসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কোনো কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে আবেদনপত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি, জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে।


ভুল থাকলে দ্রুত যাচাই করুন

প্রবেশপত্র হাতে পাওয়ার পর তা ভালোভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, নিবন্ধন নম্বর, বিষয় কোড কিংবা অন্যান্য তথ্যের কোনো ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।

বোর্ড জানিয়েছে, ১৮ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত প্রবেশপত্র সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করে উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চমাধ্যমিক)-এর কাছে জমা দিতে হবে।


সংশোধনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো সমস্যা ধরা পড়লে তা সমাধান করা কঠিন হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সময়মতো সংশোধন না করলে দায় কার?

বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্রের ভুল সংশোধন না করলে পরীক্ষার সময় কোনো জটিলতা তৈরি হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানকেই নিতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রায় প্রতি বছরই কিছু শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে নামের বানান, বিষয় কোড কিংবা অন্যান্য তথ্যগত ত্রুটি ধরা পড়ে। এসব ভুল শেষ মুহূর্তে পরীক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি করে এবং কখনও কখনও পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটায়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই যাচাই প্রক্রিয়া?

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রবেশপত্র শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতিপত্র নয়, বরং একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্রও। এখানে থাকা তথ্য পরবর্তীতে ফলাফল প্রকাশ, সনদপত্র প্রস্তুত এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ কারণে প্রবেশপত্র হাতে পাওয়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সব পক্ষেরই তথ্যগুলো মনোযোগ দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন। সামান্য একটি ভুলও পরবর্তীতে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতার কারণ হতে পারে।

এদিকে এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির শেষ পর্যায় চলছে। প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হওয়ায় পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রবেশপত্র সংগ্রহের পর প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা এবং কোনো ত্রুটি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা সংশোধন করে নেওয়া।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর