কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজার ও পেকুয়া এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। আত্মীয়-স্বজন, সাবেক সহকর্মী এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শেষ বিদায়ে অংশ নিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শনিবার (২৩ মে) রাত ৮টা ৪ মিনিটে রাজধানীর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
দুই দফা জানাজা অনুষ্ঠিত
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের এস এম পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। পরে দ্বিতীয় জানাজা তাঁর নিজ এলাকা পেকুয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রতিবেশী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজার সময় অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। উপস্থিত সবাই মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
কর্মজীবনে ছিলেন সৎ ও দায়িত্বশীল
মোঃ ছাবের আহমদ দীর্ঘ সময় কক্সবাজার আয়কর অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মজীবনে তিনি সততা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক আচরণের জন্য সবার কাছে সম্মানিত ছিলেন।
তার সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন সাবেক সহকর্মী জানান, তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করতেন। কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক সম্পর্কেও ছিলেন অত্যন্ত মিশুক।
স্থানীয়রাও বলছেন, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি শান্ত স্বভাবের ও সহযোগিতাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাকে সক্রিয় দেখা যেত।
এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজার ও পেকুয়ায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, একজন অভিজ্ঞ ও সম্মানিত মানুষকে হারিয়ে সমাজে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন বা কাছ থেকে চিনতেন, তারা এই মৃত্যুতে গভীরভাবে ব্যথিত।
সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, কর্মজীবনে সততা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে যারা মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন, মৃত্যুর পরও তারা মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকেন। মোঃ ছাবের আহমদের ক্ষেত্রেও সেটিই দেখা যাচ্ছে।
পরিবারের প্রতি সমবেদনা
জানাজায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন ব্যক্তি মরহুমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় ফুটে ওঠে তার কর্ম ও আচরণে। মোঃ ছাবের আহমদের জীবন ও আচরণ অনেকের কাছে ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজার ও পেকুয়া এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। আত্মীয়-স্বজন, সাবেক সহকর্মী এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শেষ বিদায়ে অংশ নিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শনিবার (২৩ মে) রাত ৮টা ৪ মিনিটে রাজধানীর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
দুই দফা জানাজা অনুষ্ঠিত
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের এস এম পাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। পরে দ্বিতীয় জানাজা তাঁর নিজ এলাকা পেকুয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রতিবেশী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজার সময় অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। উপস্থিত সবাই মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
কর্মজীবনে ছিলেন সৎ ও দায়িত্বশীল
মোঃ ছাবের আহমদ দীর্ঘ সময় কক্সবাজার আয়কর অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মজীবনে তিনি সততা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক আচরণের জন্য সবার কাছে সম্মানিত ছিলেন।
তার সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন সাবেক সহকর্মী জানান, তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করতেন। কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক সম্পর্কেও ছিলেন অত্যন্ত মিশুক।
স্থানীয়রাও বলছেন, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি শান্ত স্বভাবের ও সহযোগিতাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাকে সক্রিয় দেখা যেত।
এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজার ও পেকুয়ায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, একজন অভিজ্ঞ ও সম্মানিত মানুষকে হারিয়ে সমাজে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন বা কাছ থেকে চিনতেন, তারা এই মৃত্যুতে গভীরভাবে ব্যথিত।
সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, কর্মজীবনে সততা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে যারা মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন, মৃত্যুর পরও তারা মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে থাকেন। মোঃ ছাবের আহমদের ক্ষেত্রেও সেটিই দেখা যাচ্ছে।
পরিবারের প্রতি সমবেদনা
জানাজায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন ব্যক্তি মরহুমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় ফুটে ওঠে তার কর্ম ও আচরণে। মোঃ ছাবের আহমদের জীবন ও আচরণ অনেকের কাছে ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন