দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ সমন্বয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বেড়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার নতুন দাম ঘোষণা করে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে—
বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকারের এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
স্বর্ণের দাম এর আগেও সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছিল। ২০ আগস্ট বাজুস ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল।
এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ক্রেতাদের ওপর স্বর্ণ কেনার খরচ আরও বেড়েছে।
চলতি বছর দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ১০৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৫৪ দফায় দাম বেড়েছে, ৫১ দফায় কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
শুধু স্বর্ণ নয়, দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি রুপার দাম—
চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ১০ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ৩ বার।
বাজুসের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের বাজারে দাম বাড়লে শুধু বিনিয়োগকারী নয়, বিয়ের অনুষ্ঠান বা পারিবারিক প্রয়োজনে গয়না কিনতে যাওয়া সাধারণ ক্রেতারাও সরাসরি চাপের মধ্যে পড়েন। বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে একাধিকবার দাম পরিবর্তন হলে ক্রেতাদের জন্য কেনাকাটার বাজেট ঠিক করাও কঠিন হয়ে যায়।
নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ১০৬ বার সমন্বয়ের তথ্যটি বাজারের অস্থিরতার একটি পরিষ্কার ছবি দেয়। অর্থাৎ এখন স্বর্ণ কিনতে গেলে শুধু আজকের দাম জানলেই হচ্ছে না—কেনার আগে সর্বশেষ মূল্য ঘোষণা হয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
স্বর্ণের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক পরিবারের বিয়ের গয়না কেনার বাজেটেও পরিবর্তন আসতে পারে। তাই গয়না কেনার আগে বর্তমান বাজারদর, ক্যারেট, ওজন, মজুরি ও ভ্যাট—সবকিছু মিলিয়ে মোট খরচ কত হচ্ছে তা জেনে নেওয়া ভালো।
একই সঙ্গে শুধু দাম বাড়ছে দেখে তাড়াহুড়ো করে কেনাকাটা বা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করা উচিত।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ সমন্বয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বেড়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার নতুন দাম ঘোষণা করে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে—
বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকারের এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
স্বর্ণের দাম এর আগেও সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছিল। ২০ আগস্ট বাজুস ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল।
এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ক্রেতাদের ওপর স্বর্ণ কেনার খরচ আরও বেড়েছে।
চলতি বছর দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ১০৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৫৪ দফায় দাম বেড়েছে, ৫১ দফায় কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
শুধু স্বর্ণ নয়, দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি রুপার দাম—
চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ১০ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ৩ বার।
বাজুসের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের বাজারে দাম বাড়লে শুধু বিনিয়োগকারী নয়, বিয়ের অনুষ্ঠান বা পারিবারিক প্রয়োজনে গয়না কিনতে যাওয়া সাধারণ ক্রেতারাও সরাসরি চাপের মধ্যে পড়েন। বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে একাধিকবার দাম পরিবর্তন হলে ক্রেতাদের জন্য কেনাকাটার বাজেট ঠিক করাও কঠিন হয়ে যায়।
নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ১০৬ বার সমন্বয়ের তথ্যটি বাজারের অস্থিরতার একটি পরিষ্কার ছবি দেয়। অর্থাৎ এখন স্বর্ণ কিনতে গেলে শুধু আজকের দাম জানলেই হচ্ছে না—কেনার আগে সর্বশেষ মূল্য ঘোষণা হয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
স্বর্ণের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক পরিবারের বিয়ের গয়না কেনার বাজেটেও পরিবর্তন আসতে পারে। তাই গয়না কেনার আগে বর্তমান বাজারদর, ক্যারেট, ওজন, মজুরি ও ভ্যাট—সবকিছু মিলিয়ে মোট খরচ কত হচ্ছে তা জেনে নেওয়া ভালো।
একই সঙ্গে শুধু দাম বাড়ছে দেখে তাড়াহুড়ো করে কেনাকাটা বা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন