দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

দেশের বাইরে সিদ্দিকী নাজমুলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর পদত্যাগ করলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ : আয়ু বাড়ছে, বাড়াতে হবে প্রবীণবান্ধব ব্যবস্থাও

গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপসনামা, আদালত আমলে নেননি

জিয়াউলের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: প্রসিকিউটর তামিম

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা-ভাঙচুর: সাবেক সেনা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার

২৩৫ ইউনিটে ৫০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল, মাগুরায় পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত

মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন
মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বড় অঙ্কের ব্যয়ের পথ খুলেছে। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিপো, ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথ, স্টেশন, ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ।

লাইন-১-এর প্যাকেজ সিপি-২-এর আওতায় ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে ওয়ার্কশপ, স্টাবলিং শেড, অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এবং বিভিন্ন উপকেন্দ্র ও ট্র্যাকশন উপকেন্দ্র।

এ কাজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

প্রাক-যোগ্যতা উত্তীর্ণ তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয় এবং তিনটি প্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। পরে সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়।

লাইন-৫-এর প্যাকেজ সিপি-৩-এর আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং নতুন বাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত আরও শূন্য দশমিক ৯ কিলোমিটারসহ মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিনবাজার ও ভাটারা—এই পাঁচটি উড়াল স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা। চীনের সিআরইসি, এমআইএল ও এমবিইএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-৬ প্যাকেজে নাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত মোট ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে।

এর মধ্যে দুটি টানেল এবং বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ ও খেলক্ষেত—এই তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। পাশাপাশি টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) চালুর জন্য শ্যাফট নির্মাণ করা হবে।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা।

প্রাক-যোগ্যতা পাওয়া সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি দরপত্র জমা দেয় এবং দুটিই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। পরে জাপানের নিশিমাতসু, টিপিএল ও টোডার যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ এবং বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রেল, টার্নআউট, পয়েন্ট ও ক্রসিংসহ ট্র্যাক নির্মাণ, ১৩২ কেভি ফিডার ব্যবস্থা, বিভিন্ন উপকেন্দ্র এবং ১ হাজার ৫০০ ভোল্ট ডিসি ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগ থাকবে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ তদারকি ও তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও স্থাপন করা হবে।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। ভারতের এলঅ্যান্ডটি ও সুমিতোমোর যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রেও সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-১০ প্যাকেজে মেট্রোরেলের সংকেত, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্মের দরজা ব্যবস্থার কাজ হবে।

এর মধ্যে থাকবে যোগাযোগভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক, এলটিই প্রযুক্তির বেতার যোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা। ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দরও দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৫০ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।

বৈঠকে লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-৪ প্যাকেজে রামপুরা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে মূল চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। সুপারিশকৃত দরদাতা জাপানের টোকিউ-মিল যৌথ উদ্যোগ।

সিপি-৭ প্যাকেজে ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা।

অন্যদিকে লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণকাজ হবে। এর মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫—দুই প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প একনেক গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করেছে।

প্রকল্প দুটির মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে এসব প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।

বিষয় : ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প ৪৬ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয়

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫-এর ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বড় অঙ্কের ব্যয়ের পথ খুলেছে। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিপো, ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথ, স্টেশন, ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ।

লাইন-১-এর প্যাকেজ সিপি-২-এর আওতায় ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে ওয়ার্কশপ, স্টাবলিং শেড, অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এবং বিভিন্ন উপকেন্দ্র ও ট্র্যাকশন উপকেন্দ্র।

এ কাজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

প্রাক-যোগ্যতা উত্তীর্ণ তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয় এবং তিনটি প্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। পরে সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়।

লাইন-৫-এর প্যাকেজ সিপি-৩-এর আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং নতুন বাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত আরও শূন্য দশমিক ৯ কিলোমিটারসহ মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিনবাজার ও ভাটারা—এই পাঁচটি উড়াল স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা। চীনের সিআরইসি, এমআইএল ও এমবিইএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-৬ প্যাকেজে নাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত মোট ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে।

এর মধ্যে দুটি টানেল এবং বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ ও খেলক্ষেত—এই তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। পাশাপাশি টানেল বোরিং মেশিন (টিবিএম) চালুর জন্য শ্যাফট নির্মাণ করা হবে।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা।

প্রাক-যোগ্যতা পাওয়া সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি দরপত্র জমা দেয় এবং দুটিই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। পরে জাপানের নিশিমাতসু, টিপিএল ও টোডার যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক নির্মাণ এবং বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রেল, টার্নআউট, পয়েন্ট ও ক্রসিংসহ ট্র্যাক নির্মাণ, ১৩২ কেভি ফিডার ব্যবস্থা, বিভিন্ন উপকেন্দ্র এবং ১ হাজার ৫০০ ভোল্ট ডিসি ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগ থাকবে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ তদারকি ও তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও স্থাপন করা হবে।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। ভারতের এলঅ্যান্ডটি ও সুমিতোমোর যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রেও সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

লাইন-১-এর সিপি-১০ প্যাকেজে মেট্রোরেলের সংকেত, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্মের দরজা ব্যবস্থার কাজ হবে।

এর মধ্যে থাকবে যোগাযোগভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক, এলটিই প্রযুক্তির বেতার যোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।

এ প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা। ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

এ প্যাকেজের সুপারিশকৃত দরও দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ভ্যাট ও কর বাদে ৫০ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।

বৈঠকে লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-৪ প্যাকেজে রামপুরা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে মূল চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। সুপারিশকৃত দরদাতা জাপানের টোকিউ-মিল যৌথ উদ্যোগ।

সিপি-৭ প্যাকেজে ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা।

অন্যদিকে লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণকাজ হবে। এর মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫—দুই প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প একনেক গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করেছে।

প্রকল্প দুটির মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে এসব প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর