রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী চার নম্বর আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল আটজনে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে ডিবি এবং পাঁচজনকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদী এলাকায় নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
হামলার সময় ওই প্রকল্পে থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ক্ষয়ক্ষতি ও হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করে।
ঘটনার পর নিউ গিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।
মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চার নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এর আগে একই মামলার অন্যতম আসামি মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
পুলিশ বলছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মামলায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, হামলায় কারা কীভাবে অংশ নিয়েছিল এবং আবাসন প্রকল্পের ভেতরে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বিশেষ করে মামলায় এত বিপুলসংখ্যক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করার কারণে তদন্তে প্রত্যেকের ভূমিকা আলাদাভাবে শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাদের নাম মামলায় রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের নির্দিষ্ট ভিত্তি ও ঘটনার সময় তাদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার বিষয়ও রয়েছে।
কোনো আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটের ঘটনা শুধু সম্পদের ক্ষতি নয়, সংশ্লিষ্ট বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে কোনো ঘটনায় বিপুলসংখ্যক মানুষকে অজ্ঞাত আসামি করা হলে তদন্তে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তাই গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার পেছনের কারণ, প্রত্যেক অভিযুক্তের নির্দিষ্ট ভূমিকা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া জরুরি।
এই মামলার পরবর্তী তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে অভিযোগের সঙ্গে প্রত্যেক আসামির নির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা কীভাবে প্রমাণিত হয়। এজাহারে নাম থাকা বা গ্রেপ্তার হওয়া নিজেই অপরাধ প্রমাণ করে না; অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
একই সঙ্গে হামলার সময়কার ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এবং ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণ করে কারা সরাসরি হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটে অংশ নিয়েছিল—তা স্পষ্ট করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী চার নম্বর আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলাটিতে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল আটজনে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে ডিবি এবং পাঁচজনকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদী এলাকায় নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
হামলার সময় ওই প্রকল্পে থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ক্ষয়ক্ষতি ও হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করে।
ঘটনার পর নিউ গিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।
মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চার নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এর আগে একই মামলার অন্যতম আসামি মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
পুলিশ বলছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মামলায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, হামলায় কারা কীভাবে অংশ নিয়েছিল এবং আবাসন প্রকল্পের ভেতরে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বিশেষ করে মামলায় এত বিপুলসংখ্যক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করার কারণে তদন্তে প্রত্যেকের ভূমিকা আলাদাভাবে শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাদের নাম মামলায় রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের নির্দিষ্ট ভিত্তি ও ঘটনার সময় তাদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার বিষয়ও রয়েছে।
কোনো আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটের ঘটনা শুধু সম্পদের ক্ষতি নয়, সংশ্লিষ্ট বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে কোনো ঘটনায় বিপুলসংখ্যক মানুষকে অজ্ঞাত আসামি করা হলে তদন্তে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তাই গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার পেছনের কারণ, প্রত্যেক অভিযুক্তের নির্দিষ্ট ভূমিকা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া জরুরি।
এই মামলার পরবর্তী তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে অভিযোগের সঙ্গে প্রত্যেক আসামির নির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা কীভাবে প্রমাণিত হয়। এজাহারে নাম থাকা বা গ্রেপ্তার হওয়া নিজেই অপরাধ প্রমাণ করে না; অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
একই সঙ্গে হামলার সময়কার ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এবং ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণ করে কারা সরাসরি হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটে অংশ নিয়েছিল—তা স্পষ্ট করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন