বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে দুদকের এ পদক্ষেপের সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
দুদকের অভিযোগ, অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের বিষয়ে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।
দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন, অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাজমুল আলমের বিদেশ গমন রহিত করার সুপারিশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
তবে সে সময় কমিশন না থাকায় তখন এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে দুদক সূত্র।
দুদক সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে সাত মাস পর কমিশন তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার অনুমোদন দিয়েছে।
অর্থাৎ, নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি করা হচ্ছে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে। আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
দুদক সূত্রের দাবি, নাজমুল আলম দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি বিদেশে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তার বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান এখনো চলমান। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুদকের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো এখনো অনুসন্ধানাধীন। অভিযোগ ওঠা এবং আদালতে বা তদন্তে তা প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়।
নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তার নিজের বক্তব্য বা আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে সেটিও প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে আদালতের সিদ্ধান্ত ও দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে বিষয়টির আইনি গতিপথ।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে দুদকের এ পদক্ষেপের সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
দুদকের অভিযোগ, অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের বিষয়ে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।
দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন, অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাজমুল আলমের বিদেশ গমন রহিত করার সুপারিশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
তবে সে সময় কমিশন না থাকায় তখন এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে দুদক সূত্র।
দুদক সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে সাত মাস পর কমিশন তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার অনুমোদন দিয়েছে।
অর্থাৎ, নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি করা হচ্ছে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে। আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
দুদক সূত্রের দাবি, নাজমুল আলম দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি বিদেশে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তার বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান এখনো চলমান। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুদকের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো এখনো অনুসন্ধানাধীন। অভিযোগ ওঠা এবং আদালতে বা তদন্তে তা প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়।
নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তার নিজের বক্তব্য বা আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে সেটিও প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে আদালতের সিদ্ধান্ত ও দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে বিষয়টির আইনি গতিপথ।

আপনার মতামত লিখুন