দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

বরিশালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ

বরিশালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, যুবক পলাতক

চাঁদপুরে ‘হানিট্র্যাপ’ ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, আটক ৪ নারী

গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাতকড়া নিয়ে পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, আহত ২ পুলিশ

যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া প্রধান শিক্ষক ফিরোজ জামিনে মুক্ত, বাদীকে হুমকির অভিযোগ

রূপগঞ্জে ড্রেন থেকে হাত-পা বাঁধা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহের ভালুকায় পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে একসঙ্গে দুজনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, যুবক পলাতক

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, যুবক পলাতক
কক্সবাজারের বাস টার্মিনাল এলাকার আবাসিক হোটেল থেকে কুলছুমা নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে কুলছুমা নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে তখন তার বছর-দুই বয়সী শিশুসন্তানও ছিল।

ঘটনার পর কুলছুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা এক যুবক পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টে’ এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের নিবন্ধন খাতায় নিহত নারীর নাম কুলছুমা, বাবার নাম আলম এবং ঠিকানা ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্বামীর নাম হারুন।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্বামীর সঙ্গে কুলছুমার একটি মামলা চলছিল। ওই মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার কক্সবাজার শহরে আসেন তিনি। পরে বাস টার্মিনাল এলাকার ওই আবাসিক হোটেলে ওঠেন।

তবে ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা যুবকটি তার স্বামী ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হোটেলের কক্ষে থাকা অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুলছুমাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। হত্যার সময় তার শিশুসন্তানও কক্ষের মধ্যে ছিল।

পরে ওই যুবক দ্রুত হোটেল থেকে পালিয়ে যান বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা যুবক তার স্বামী নন। কুলছুমার স্বামী হারুন এবং তাদের বাড়ি ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা এলাকায়।

ওসি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে নিহত নারীর পরিবারের সদস্যরা চেনেন না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার কারণ এবং ওই যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করা হচ্ছে।

ঘটনাটির সবচেয়ে মর্মান্তিক দিক হলো, মায়ের মৃত্যুর সময় শিশুটিও একই কক্ষে ছিল। এমন ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, শারীরিক অবস্থা এবং পরবর্তী দেখভালের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

পুলিশের তদন্তে হত্যার কারণ, নিহত নারীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক এবং ঘটনার আগে ও পরে হোটেল কক্ষে কী ঘটেছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিষয় : কক্সবাজার হোটেলে নারী হত্যা হোটেল কক্ষে হত্যা আবাসিক হোটেলে হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, যুবক পলাতক

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে কুলছুমা নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে তখন তার বছর-দুই বয়সী শিশুসন্তানও ছিল।

ঘটনার পর কুলছুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা এক যুবক পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টে’ এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের নিবন্ধন খাতায় নিহত নারীর নাম কুলছুমা, বাবার নাম আলম এবং ঠিকানা ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্বামীর নাম হারুন।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্বামীর সঙ্গে কুলছুমার একটি মামলা চলছিল। ওই মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার কক্সবাজার শহরে আসেন তিনি। পরে বাস টার্মিনাল এলাকার ওই আবাসিক হোটেলে ওঠেন।

তবে ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা যুবকটি তার স্বামী ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হোটেলের কক্ষে থাকা অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুলছুমাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। হত্যার সময় তার শিশুসন্তানও কক্ষের মধ্যে ছিল।

পরে ওই যুবক দ্রুত হোটেল থেকে পালিয়ে যান বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা যুবক তার স্বামী নন। কুলছুমার স্বামী হারুন এবং তাদের বাড়ি ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা এলাকায়।

ওসি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে নিহত নারীর পরিবারের সদস্যরা চেনেন না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার কারণ এবং ওই যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করা হচ্ছে।

ঘটনাটির সবচেয়ে মর্মান্তিক দিক হলো, মায়ের মৃত্যুর সময় শিশুটিও একই কক্ষে ছিল। এমন ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, শারীরিক অবস্থা এবং পরবর্তী দেখভালের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

পুলিশের তদন্তে হত্যার কারণ, নিহত নারীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক এবং ঘটনার আগে ও পরে হোটেল কক্ষে কী ঘটেছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর