দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীতে কড়াকড়ি, অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীতে কড়াকড়ি, অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

শাহজালাল বিমানবন্দরের কুরিয়ার শেডে আগুন, কনটেইনারের ভেতর থেকেও আগুনের সূত্রপাত দেখেছে কর্তৃপক্ষ

আহসানগঞ্জ স্টেশনে ঢাকাগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা

কটিয়াদীতে বিএনপি-যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, থমথমে বনগ্রাম বাজার

বাঞ্ছারামপুরে অটোচালক হত্যা: দুই সপ্তাহ পেরোলেও রহস্য উদঘাটন হয়নি

মিরপুরে ফ্ল্যাট থেকে ৭৫ বছর বয়সী নারীর মরদেহ উদ্ধার, কয়েকদিন পর জানাজানি

ভোলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি ঘর ছাই, মুহূর্তেই নিঃস্ব তিন সহোদরের পরিবার

বেনাপোল সীমান্তে ‘পুশইন’ চেষ্টার অভিযোগ, বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ উদ্যোগ

সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীতে কড়াকড়ি, অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীতে কড়াকড়ি, অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ
সংসদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। -ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে রাত থেকেই কড়াকড়ি, সংসদ অধিবেশন ঘিরে অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার রাত ১২টা থেকে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অস্ত্র, বিস্ফোরক ও ক্ষতিকর বস্তু বহনের পাশাপাশি সব ধরনের


 সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমন ঘোষণার পর রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৭ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন কোন এলাকায় থাকবে নিষেধাজ্ঞা?

ডিএমপির ঘোষণায় রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংলগ্ন এলাকাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামটর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা। এছাড়া বাংলামটর লিংক রোড, হোটেল সোনারগাঁও সংলগ্ন অংশ, পান্থপথ, ফার্মগেট, শ্যামলী, ধানমন্ডির নির্দিষ্ট অংশ, বিজয় সরণি, রোকেয়া সরণি, ইন্দিরা রোড, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শুধু প্রধান সড়ক নয়, এসব এলাকার ভেতরে থাকা ছোট রাস্তা ও গলিপথও এই আদেশের আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেন নেওয়া হলো এই সিদ্ধান্ত?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক কার্যক্রমের একটি অংশ। এ সময় সংসদ ভবন এলাকায় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির উপস্থিতি থাকে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমিয়ে আনা এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বা


 রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের আগে এমন বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় সফর কিংবা সংসদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে একই ধরনের ব্যবস্থা দেখা গেছে।

সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে চলাচলকারী মানুষকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংগঠনিক কোনো কর্মসূচি থাকলে আয়োজকদের বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদ ভবনের আশপাশে নিরাপত্তা তল্লাশি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত ডিএমপির পক্ষ থেকে যান চলাচলে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সাধারণ যানবাহন স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু এলাকায় সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে।

নিরাপত্তা বনাম গণজমায়েতের প্রশ্ন

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি নাগরিকদের স্বাভাবিক কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতি বছর বিভিন্ন সময় নিরাপত্তাজনিত কারণে এমন বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও এ নিয়ে নাগরিক মহলে ভিন্নমত দেখা যায়।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বর্তমান সময়ে বড় জনসমাগম, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা থাকলে প্রশাসন সাধারণত আগাম ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী হয়। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধের চেষ্টা করা হয়। তবে একই সঙ্গে নাগরিকদের কাছে এসব সিদ্ধান্তের কারণ


 স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হলে জনআস্থাও বাড়ে।

অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানকারী ব্যক্তি, সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এ সময়ের মধ্যে ঘোষিত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে সংসদ অধিবেশনকে ঘিরে প্রশাসনের প্রস্তুতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এখন অধিবেশন চলাকালে পরিস্থিতি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সবার।

বিষয় : জাতীয় সংসদ অধিবেশন ডিএমপি নিষেধাজ্ঞা, ঢাকা সমাবেশ নিষিদ্ধ, সংসদ ভবন নিরাপত্তা, রাজধানীর সর্বশেষ খবর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীতে কড়াকড়ি, অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীতে রাত থেকেই কড়াকড়ি, সংসদ অধিবেশন ঘিরে অস্ত্র বহন ও সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার রাত ১২টা থেকে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অস্ত্র, বিস্ফোরক ও ক্ষতিকর বস্তু বহনের পাশাপাশি সব ধরনের


 সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমন ঘোষণার পর রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৭ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন কোন এলাকায় থাকবে নিষেধাজ্ঞা?

ডিএমপির ঘোষণায় রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংলগ্ন এলাকাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামটর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা। এছাড়া বাংলামটর লিংক রোড, হোটেল সোনারগাঁও সংলগ্ন অংশ, পান্থপথ, ফার্মগেট, শ্যামলী, ধানমন্ডির নির্দিষ্ট অংশ, বিজয় সরণি, রোকেয়া সরণি, ইন্দিরা রোড, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শুধু প্রধান সড়ক নয়, এসব এলাকার ভেতরে থাকা ছোট রাস্তা ও গলিপথও এই আদেশের আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কেন নেওয়া হলো এই সিদ্ধান্ত?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক কার্যক্রমের একটি অংশ। এ সময় সংসদ ভবন এলাকায় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির উপস্থিতি থাকে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমিয়ে আনা এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বা


 রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের আগে এমন বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় সফর কিংবা সংসদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে একই ধরনের ব্যবস্থা দেখা গেছে।

সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে চলাচলকারী মানুষকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংগঠনিক কোনো কর্মসূচি থাকলে আয়োজকদের বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদ ভবনের আশপাশে নিরাপত্তা তল্লাশি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এখন পর্যন্ত ডিএমপির পক্ষ থেকে যান চলাচলে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সাধারণ যানবাহন স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু এলাকায় সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে।

নিরাপত্তা বনাম গণজমায়েতের প্রশ্ন

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি নাগরিকদের স্বাভাবিক কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতি বছর বিভিন্ন সময় নিরাপত্তাজনিত কারণে এমন বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও এ নিয়ে নাগরিক মহলে ভিন্নমত দেখা যায়।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বর্তমান সময়ে বড় জনসমাগম, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা থাকলে প্রশাসন সাধারণত আগাম ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী হয়। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধের চেষ্টা করা হয়। তবে একই সঙ্গে নাগরিকদের কাছে এসব সিদ্ধান্তের কারণ


 স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হলে জনআস্থাও বাড়ে।

অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে

ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানকারী ব্যক্তি, সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এ সময়ের মধ্যে ঘোষিত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে সংসদ অধিবেশনকে ঘিরে প্রশাসনের প্রস্তুতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এখন অধিবেশন চলাকালে পরিস্থিতি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সবার।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর