দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ‘প্রকৃত গরিবরা বাদ পড়ছেন’ বললেন ডেপুটি স্পিকার

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ‘প্রকৃত গরিবরা বাদ পড়ছেন’ বললেন ডেপুটি স্পিকার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ, জাতীয় সংসদে শোকের আবহ

সব মামলায় জামিন বহাল: সাবেক মেয়র আইভীর মুক্তিতে আর বাধা নেই

নরসিংদী পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভা, সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক নির্দেশ পুলিশ সুপারের

সেন্টমার্টিনের সাগরে কোস্ট গার্ড–নৌবাহিনীর অভিযান, ১৬ লাখ টাকার সিমেন্ট জব্দ; আটক ৩৩

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত সময়ে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে

রামুতে র‍্যাবের চমকপ্রদ অভিযান, প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেপ্তার

ঈদযাত্রায় ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চের বিশেষ সার্ভিস ২৫ মে থেকে, আজ শুরু টিকিট বিক্রি

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ, জাতীয় সংসদে শোকের আবহ

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ, জাতীয় সংসদে শোকের আবহ
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক নেতারা। -ছবি: সংগৃহীত

সাবেক সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও শিল্পোদ্যোক্তা মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী আবু রায়হান নামাজে ইমামতি করেন। জানাজা ঘিরে সংসদ এলাকায় তৈরি হয় শোকের পরিবেশ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে মিজানুর রহমান সিনহার অবদান স্মরণ করেন উপস্থিত নেতারা।

সংসদ প্রাঙ্গণে শেষ বিদায়

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।


জানাজার আগে ডেপুটি স্পিকার মরহুমের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। সেখানে তার রাজনৈতিক পথচলা, শিল্পখাতে সম্পৃক্ততা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মিজানুর রহমান সিনহা একজন সৎ ও বন্ধুবৎসল মানুষ ছিলেন। দেশের শিল্পখাত এবং জনসেবায় তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

জানাজা শেষে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সঙ্গে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিএনপির মহাসচিব এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় বিভিন্ন নেতাকে। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান সিনহার ছেলে। তিনি উপস্থিত সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া কামনা করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

রাজনীতি ও শিল্পখাতে পরিচিত মুখ

মিজানুর রহমান সিনহা একসময় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বাইরে দেশের শিল্পখাতেও তিনি পরিচিত একজন উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পান।


বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দলীয় কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক সহকর্মীদের অনেকেই জানিয়েছেন, দলীয় সংকটের সময়েও তিনি সংগঠনের পাশে ছিলেন।

তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন কয়েকজন নেতা। যদিও তার মৃত্যুর কারণ বা অসুস্থতা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি

জানাজায় শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নন, মরহুমের নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, দলীয় নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও অংশ নেন। অনেকেই তাকে “সহজে কাছে টানা মানুষ” হিসেবে উল্লেখ করেন।

একাধিক উপস্থিত ব্যক্তি জানান, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি আন্তরিক ছিলেন। ফলে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়।

তবে মরহুমকে ঘিরে রাজনৈতিক মূল্যায়নে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ তার সাংগঠনিক দক্ষতার কথা বলছেন, আবার কেউ তার শিল্পখাতের অবদানের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ কারণে তার মৃত্যু বিএনপির ভেতরেও একটি শূন্যতা তৈরি করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

জাতীয় রাজনীতিতে প্রবীণ নেতৃত্বের শূন্যতা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবীণ নেতাদের একের পর এক বিদায় রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অভিজ্ঞ নেতৃত্ব হারানোর কারণে দলীয় ইতিহাস, সাংগঠনিক স্মৃতি এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো প্রজন্মের নেতারা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, সংকট মোকাবিলা ও দলীয় ঐক্য ধরে রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। ফলে তাদের অনুপস্থিতি নতুন নেতৃত্বের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।


মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যু নিয়েও বিএনপির ভেতরে একই ধরনের আলোচনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দলীয় অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততার বিষয়টি নেতাকর্মীদের আলোচনায় এসেছে।

শেষ যাত্রায় রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সম্মান

জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলছেন, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে তার বহুমাত্রিক পরিচয় তাকে আলাদা অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।

বিষয় : তারেক রহমান, মিজানুর রহমান সিনহা জাতীয় সংসদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ, জাতীয় সংসদে শোকের আবহ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

সাবেক সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও শিল্পোদ্যোক্তা মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী আবু রায়হান নামাজে ইমামতি করেন। জানাজা ঘিরে সংসদ এলাকায় তৈরি হয় শোকের পরিবেশ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে মিজানুর রহমান সিনহার অবদান স্মরণ করেন উপস্থিত নেতারা।

সংসদ প্রাঙ্গণে শেষ বিদায়

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।


জানাজার আগে ডেপুটি স্পিকার মরহুমের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। সেখানে তার রাজনৈতিক পথচলা, শিল্পখাতে সম্পৃক্ততা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মিজানুর রহমান সিনহা একজন সৎ ও বন্ধুবৎসল মানুষ ছিলেন। দেশের শিল্পখাত এবং জনসেবায় তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

জানাজা শেষে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সঙ্গে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিএনপির মহাসচিব এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে দেখা যায় বিভিন্ন নেতাকে। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান সিনহার ছেলে। তিনি উপস্থিত সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া কামনা করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

রাজনীতি ও শিল্পখাতে পরিচিত মুখ

মিজানুর রহমান সিনহা একসময় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বাইরে দেশের শিল্পখাতেও তিনি পরিচিত একজন উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পান।


বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দলীয় কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক সহকর্মীদের অনেকেই জানিয়েছেন, দলীয় সংকটের সময়েও তিনি সংগঠনের পাশে ছিলেন।

তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন কয়েকজন নেতা। যদিও তার মৃত্যুর কারণ বা অসুস্থতা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি

জানাজায় শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নন, মরহুমের নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, দলীয় নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও অংশ নেন। অনেকেই তাকে “সহজে কাছে টানা মানুষ” হিসেবে উল্লেখ করেন।

একাধিক উপস্থিত ব্যক্তি জানান, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি আন্তরিক ছিলেন। ফলে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়।

তবে মরহুমকে ঘিরে রাজনৈতিক মূল্যায়নে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ তার সাংগঠনিক দক্ষতার কথা বলছেন, আবার কেউ তার শিল্পখাতের অবদানের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ কারণে তার মৃত্যু বিএনপির ভেতরেও একটি শূন্যতা তৈরি করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

জাতীয় রাজনীতিতে প্রবীণ নেতৃত্বের শূন্যতা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবীণ নেতাদের একের পর এক বিদায় রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অভিজ্ঞ নেতৃত্ব হারানোর কারণে দলীয় ইতিহাস, সাংগঠনিক স্মৃতি এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা অনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো প্রজন্মের নেতারা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, সংকট মোকাবিলা ও দলীয় ঐক্য ধরে রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। ফলে তাদের অনুপস্থিতি নতুন নেতৃত্বের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।


মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যু নিয়েও বিএনপির ভেতরে একই ধরনের আলোচনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দলীয় অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততার বিষয়টি নেতাকর্মীদের আলোচনায় এসেছে।

শেষ যাত্রায় রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সম্মান

জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলছেন, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে তার বহুমাত্রিক পরিচয় তাকে আলাদা অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর