নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা নিজেদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক সদস্যদের বক্তব্য শুনে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেন।
রবিবার (১৭ মে) পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আয়োজিত এ সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদস্যদের কথা শুনলেন পুলিশ সুপার
সভায় সভাপতিত্ব করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক। কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন, কর্মপরিবেশ ও কল্যাণসংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং যেসব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান সম্ভব, সেগুলো নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
সততা ও পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্ব
সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে পুলিশ সুপার সকল সদস্যকে সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে পেশাদার আচরণ ও সেবামূলক মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
কর্মমূল্যায়নে সম্মাননা প্রদান
কল্যাণ সভার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এপ্রিল ২০২৬ মাসের কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কার বিতরণ। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত অফিসার ও ফোর্সদের নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করে এবং কর্মস্পৃহা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
উপস্থিত ছিলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিট ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত কল্যাণ সভার মাধ্যমে সদস্যদের মতামত, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও কাজের পরিবেশ উন্নত করা সম্ভব হয়।
জনবান্ধব পুলিশিংয়ে গুরুত্ব
বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কল্যাণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে মাঠপর্যায়ের সেবার মানও উন্নত হয়। সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করা জনবান্ধব পুলিশিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তারা মনে করেন, নিয়মিত কল্যাণ সভা সদস্যদের মধ্যে আস্থা ও যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সেবামুখী করতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা নিজেদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক সদস্যদের বক্তব্য শুনে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেন।
রবিবার (১৭ মে) পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আয়োজিত এ সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সদস্যদের কথা শুনলেন পুলিশ সুপার
সভায় সভাপতিত্ব করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক। কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন, কর্মপরিবেশ ও কল্যাণসংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং যেসব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান সম্ভব, সেগুলো নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
সততা ও পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্ব
সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে পুলিশ সুপার সকল সদস্যকে সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে পেশাদার আচরণ ও সেবামূলক মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
কর্মমূল্যায়নে সম্মাননা প্রদান
কল্যাণ সভার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এপ্রিল ২০২৬ মাসের কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কার বিতরণ। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত অফিসার ও ফোর্সদের নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করে এবং কর্মস্পৃহা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
উপস্থিত ছিলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিট ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত কল্যাণ সভার মাধ্যমে সদস্যদের মতামত, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও কাজের পরিবেশ উন্নত করা সম্ভব হয়।
জনবান্ধব পুলিশিংয়ে গুরুত্ব
বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কল্যাণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে মাঠপর্যায়ের সেবার মানও উন্নত হয়। সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করা জনবান্ধব পুলিশিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তারা মনে করেন, নিয়মিত কল্যাণ সভা সদস্যদের মধ্যে আস্থা ও যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সেবামুখী করতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন