মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার সময় নিয়ে সতর্ক করছেন পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, ভুল সময়ে মিষ্টি খেলে শরীরে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মানলে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।
পুষ্টিবিদদের মতে, খালি পেটে মিষ্টি খেলে শরীরে দ্রুত গ্লুকোজ প্রবেশ করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে।
তারা পরামর্শ দিয়েছেন, মিষ্টি কখনোই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি খাওয়ার সময় যদি প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফাইবারযুক্ত খাবারের সঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে এটি শরীরে ধীরে শোষিত হয়।
ফলে রক্তে শর্করা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
পুষ্টিবিদ ভাবিকা প্যাটেলের মতে, দুপুরের খাবারের পর মিষ্টি খাওয়া তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। কারণ এই সময় শরীরের বিপাকক্রিয়া (metabolism) বেশি সক্রিয় থাকে, ফলে খাবার দ্রুত শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
তিনি আরও বলেন, দিনের বেলায় মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা থাকলে সেটি গ্রহণ করা যেতে পারে, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা রাতের বেলায় মিষ্টি খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ রাতে শরীরের কার্যক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, ফলে অতিরিক্ত চিনি শরীরে জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এতে ওজন বৃদ্ধি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, শুধু রসগোল্লা, কেক বা পেস্ট্রিতেই নয়—নরম পানীয়, প্যাকেটজাত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারেও প্রচুর চিনি থাকে।
তাই অনেক সময় আমরা না বুঝেই অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করি, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
চিনি শরীরের জন্য শক্তির উৎস হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ করলে এটি ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দৈনন্দিন চিনি গ্রহণ সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকে।
বিশেষ করে দ্রুত শোষিত চিনি (refined sugar) শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করার কথা বলছেন না বিশেষজ্ঞরা, বরং সঠিক সময় ও নিয়ম মেনে খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
খালি পেটে না খাওয়া, খাবারের পর সীমিত পরিমাণে গ্রহণ এবং রাতে এড়িয়ে চলা—এই কয়েকটি অভ্যাস মেনে চললে মিষ্টি উপভোগ করেও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪
মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার সময় নিয়ে সতর্ক করছেন পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, ভুল সময়ে মিষ্টি খেলে শরীরে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মানলে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।
পুষ্টিবিদদের মতে, খালি পেটে মিষ্টি খেলে শরীরে দ্রুত গ্লুকোজ প্রবেশ করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে।
তারা পরামর্শ দিয়েছেন, মিষ্টি কখনোই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিষ্টি খাওয়ার সময় যদি প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফাইবারযুক্ত খাবারের সঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে এটি শরীরে ধীরে শোষিত হয়।
ফলে রক্তে শর্করা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
পুষ্টিবিদ ভাবিকা প্যাটেলের মতে, দুপুরের খাবারের পর মিষ্টি খাওয়া তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। কারণ এই সময় শরীরের বিপাকক্রিয়া (metabolism) বেশি সক্রিয় থাকে, ফলে খাবার দ্রুত শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
তিনি আরও বলেন, দিনের বেলায় মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা থাকলে সেটি গ্রহণ করা যেতে পারে, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা রাতের বেলায় মিষ্টি খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ রাতে শরীরের কার্যক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, ফলে অতিরিক্ত চিনি শরীরে জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এতে ওজন বৃদ্ধি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, শুধু রসগোল্লা, কেক বা পেস্ট্রিতেই নয়—নরম পানীয়, প্যাকেটজাত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারেও প্রচুর চিনি থাকে।
তাই অনেক সময় আমরা না বুঝেই অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করি, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
চিনি শরীরের জন্য শক্তির উৎস হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ করলে এটি ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দৈনন্দিন চিনি গ্রহণ সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকে।
বিশেষ করে দ্রুত শোষিত চিনি (refined sugar) শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করার কথা বলছেন না বিশেষজ্ঞরা, বরং সঠিক সময় ও নিয়ম মেনে খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
খালি পেটে না খাওয়া, খাবারের পর সীমিত পরিমাণে গ্রহণ এবং রাতে এড়িয়ে চলা—এই কয়েকটি অভ্যাস মেনে চললে মিষ্টি উপভোগ করেও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন