দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালকের মূল লক্ষ্য— 'বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক'। এই মিশনকে সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের যশোর এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হয়েছে।
ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে ৪৯ বিজিবি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেনাপোল, ভোমরা এবং দর্শনা স্থলবন্দরে ৩৩টি বিশেষ তল্লাশি চালানো হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী ২২টি তেল পাম্পে নিয়মিত নজরদারি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সদস্যরা কাজ করছেন।
জ্বালানি পাচার রোধে এ পর্যন্ত:
আসন্ন পহেলা বৈশাখ ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে পশু চোরাচালান রোধে অতিরিক্ত টহল ও সন্দেহভাজন চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ পর্যন্ত ৮৮৪টি মতবিনিময় সভা করা হয়েছে।
যশোর রিজিয়ন চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বিজিবির দেওয়া তথ্যমতে:
যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে বিজিবি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও পাচার রোধে সফল হতে স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ এবং বিশেষ করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালকের মূল লক্ষ্য— 'বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক'। এই মিশনকে সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের যশোর এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হয়েছে।
ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে ৪৯ বিজিবি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেনাপোল, ভোমরা এবং দর্শনা স্থলবন্দরে ৩৩টি বিশেষ তল্লাশি চালানো হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী ২২টি তেল পাম্পে নিয়মিত নজরদারি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সদস্যরা কাজ করছেন।
জ্বালানি পাচার রোধে এ পর্যন্ত:
আসন্ন পহেলা বৈশাখ ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে পশু চোরাচালান রোধে অতিরিক্ত টহল ও সন্দেহভাজন চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ পর্যন্ত ৮৮৪টি মতবিনিময় সভা করা হয়েছে।
যশোর রিজিয়ন চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বিজিবির দেওয়া তথ্যমতে:
যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে বিজিবি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে সীমান্ত নিরাপত্তা ও পাচার রোধে সফল হতে স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ এবং বিশেষ করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

আপনার মতামত লিখুন