দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ

ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে এসি-সুইমিং পুল-জিম, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা

সেনা প্রত্যাহার করলেও ইরাকের তেল রাজস্বে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ

ট্রাম্প প্রশাসন বদলের আহ্বান আইআরজিসির, মার্কিন ভোটারদের উদ্দেশে খোলা চিঠি

বাংলাদেশকে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি দিতে পারবে না কাতার

আমিরাতে নেতানিয়াহুর ছয় ঘণ্টার গোপন সফর, আলোচনায় ইরান

এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি বিদেশি আটক, ১২ হাজারের বেশি ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ
মাঝ আকাশে পাইলটদের মধ্যে সহিংসতার পর ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান।

দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে দুই পাইলটের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে একজন পাইলট ছুরিকাঘাতে আহত হন এবং বিমানটির উচ্চতা দ্রুত কমে যায়। পরে জরুরি সংকেত পরিবর্তন করে সম্ভাব্য ছিনতাই বা বেআইনি হস্তক্ষেপের সংকেতও দেওয়া হয়।

বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কার মধ্যে যাত্রীদের আসনে থাকা দুই পাইলট ককপিটে গিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৮০ যাত্রীসহ বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের যাত্রী ও ক্রুরা নিরাপদে আছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩। বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন।

তাবুক বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় পাইলট ও সহকারী পাইলট দুজনই আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বিমানটির সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে আছেন।

ঘটনার পর বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুকের দিকে নেওয়া হয়।

ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক ছিল বিমানটির আকস্মিক উচ্চতা কমে যাওয়া। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১টা ২০ মিনিটে বিমানটি ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল।

মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে সেটি প্রায় ১৬ হাজার ৬০০ ফুটে নেমে আসে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যে বিমানটি প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ ফুট উচ্চতা হারায়।

এর কয়েক মিনিট পর, রাত ১টা ৩২ মিনিটে বিমান থেকে প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানো হয়।

প্রথমে ৭৭০০ স্কোয়াক কোড ব্যবহার করা হয়। বিমান চলাচলে এটি সাধারণ জরুরি পরিস্থিতির সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে কোড পরিবর্তন করে ৭৫০০ করা হয়, যা বিমানে বেআইনি হস্তক্ষেপ বা সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের সংকেত।

তবে শুধু ৭৫০০ সংকেতের ভিত্তিতে বিমানের ভেতরে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

ঘটনার পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক মূল্যায়নেও পরিবর্তন আসে। প্রথমদিকে দুই পাইলটের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষকে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দেখা হলেও পরে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার বিষয়টিও পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়নি।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানে কয়েক ডজন ইসরায়েলি নাগরিক থাকায় ৭৫০০ সংকেত পাওয়ার পর সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় তেল আবিব থেকে যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।

এরই মধ্যে ফ্লাইটটি ইসরায়েলের দিকে না গিয়ে জর্ডানের আকাশসীমার দিকে সরে যায়। পরে সেটি ঘুরে সৌদি আরবের দিকে যায় এবং তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঘটনার সঙ্গে পরিচিত এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ককপিটে পাইলটদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়েছিল।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে যাত্রীদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এক পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। কয়েকজন ইসরায়েলি যাত্রীও ক্রুদের সঙ্গে মিলে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে কিছু প্রতিবেদনে একজন পাইলট বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এ তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ককপিটে সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, তা তদন্তের বিষয়।

মিরিয়াম নামের এক যাত্রী চ্যানেল ১৫-কে বলেন, ফ্লাইটের ভেতরে হঠাৎ চিৎকারের শব্দ শুনতে পান তারা। পরে ককপিটের দরজা খোলা হলে ভেতরে রক্ত দেখতে পান।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আহত পাইলটের শার্ট রক্তে ভিজে গিয়েছিল। একটি ভাঁজ করা ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

যাত্রীদের কয়েকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্রুদের সহায়তা করেন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ থামানো সম্ভব হয়। তবে তখন যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল এবং কেউ কেউ মনে করেছিলেন, তারা হয়তো আর জীবিত অবস্থায় বিমান থেকে বের হতে পারবেন না।

জেরুজালেম পোস্টকে আরেক যাত্রী জানান, দুই পাইলটের মধ্যে ঝামেলার সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামছিল। পরে যাত্রীদের আসনে থাকা দুই পাইলট ককপিটে গিয়ে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সহায়তা করেন বলে তিনি জানান।

এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও ককপিটের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে একজন পাইলট কীভাবে ককপিটে থাকা আরেক পাইলটকে আক্রমণ করার সুযোগ পেলেন, সেটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

এ ছাড়া জরুরি অবস্থায় বিমানের নিয়ন্ত্রণ কীভাবে অন্য পাইলটদের হাতে গেল, ককপিটে থাকা নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করেছে এবং দ্রুত উচ্চতা কমে যাওয়ার পেছনে ঠিক কী কারণ ছিল—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

একই সঙ্গে ৭৫০০ সংকেত দেওয়ার কারণ এবং ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বিষয় : ফ্লাইদুবাই বিমান পাইলটকে ছুরিকাঘাত মাঝ আকাশে পাইলটের ওপর হামলা সৌদিতে জরুরি অবতরণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ১৮০ যাত্রী নিয়ে সৌদিতে জরুরি অবতরণ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে দুই পাইলটের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে একজন পাইলট ছুরিকাঘাতে আহত হন এবং বিমানটির উচ্চতা দ্রুত কমে যায়। পরে জরুরি সংকেত পরিবর্তন করে সম্ভাব্য ছিনতাই বা বেআইনি হস্তক্ষেপের সংকেতও দেওয়া হয়।

বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কার মধ্যে যাত্রীদের আসনে থাকা দুই পাইলট ককপিটে গিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৮০ যাত্রীসহ বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের যাত্রী ও ক্রুরা নিরাপদে আছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩। বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন।

তাবুক বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় পাইলট ও সহকারী পাইলট দুজনই আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বিমানটির সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে আছেন।

ঘটনার পর বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুকের দিকে নেওয়া হয়।

ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক ছিল বিমানটির আকস্মিক উচ্চতা কমে যাওয়া। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১টা ২০ মিনিটে বিমানটি ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল।

মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে সেটি প্রায় ১৬ হাজার ৬০০ ফুটে নেমে আসে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যে বিমানটি প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ ফুট উচ্চতা হারায়।

এর কয়েক মিনিট পর, রাত ১টা ৩২ মিনিটে বিমান থেকে প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানো হয়।

প্রথমে ৭৭০০ স্কোয়াক কোড ব্যবহার করা হয়। বিমান চলাচলে এটি সাধারণ জরুরি পরিস্থিতির সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে কোড পরিবর্তন করে ৭৫০০ করা হয়, যা বিমানে বেআইনি হস্তক্ষেপ বা সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের সংকেত।

তবে শুধু ৭৫০০ সংকেতের ভিত্তিতে বিমানের ভেতরে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

ঘটনার পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক মূল্যায়নেও পরিবর্তন আসে। প্রথমদিকে দুই পাইলটের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষকে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দেখা হলেও পরে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার বিষয়টিও পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়নি।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানে কয়েক ডজন ইসরায়েলি নাগরিক থাকায় ৭৫০০ সংকেত পাওয়ার পর সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় তেল আবিব থেকে যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।

এরই মধ্যে ফ্লাইটটি ইসরায়েলের দিকে না গিয়ে জর্ডানের আকাশসীমার দিকে সরে যায়। পরে সেটি ঘুরে সৌদি আরবের দিকে যায় এবং তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঘটনার সঙ্গে পরিচিত এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ককপিটে পাইলটদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়েছিল।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে যাত্রীদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এক পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। কয়েকজন ইসরায়েলি যাত্রীও ক্রুদের সঙ্গে মিলে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে কিছু প্রতিবেদনে একজন পাইলট বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এ তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ককপিটে সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, তা তদন্তের বিষয়।

মিরিয়াম নামের এক যাত্রী চ্যানেল ১৫-কে বলেন, ফ্লাইটের ভেতরে হঠাৎ চিৎকারের শব্দ শুনতে পান তারা। পরে ককপিটের দরজা খোলা হলে ভেতরে রক্ত দেখতে পান।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আহত পাইলটের শার্ট রক্তে ভিজে গিয়েছিল। একটি ভাঁজ করা ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

যাত্রীদের কয়েকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্রুদের সহায়তা করেন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ থামানো সম্ভব হয়। তবে তখন যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল এবং কেউ কেউ মনে করেছিলেন, তারা হয়তো আর জীবিত অবস্থায় বিমান থেকে বের হতে পারবেন না।

জেরুজালেম পোস্টকে আরেক যাত্রী জানান, দুই পাইলটের মধ্যে ঝামেলার সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামছিল। পরে যাত্রীদের আসনে থাকা দুই পাইলট ককপিটে গিয়ে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সহায়তা করেন বলে তিনি জানান।

এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও ককপিটের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে একজন পাইলট কীভাবে ককপিটে থাকা আরেক পাইলটকে আক্রমণ করার সুযোগ পেলেন, সেটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

এ ছাড়া জরুরি অবস্থায় বিমানের নিয়ন্ত্রণ কীভাবে অন্য পাইলটদের হাতে গেল, ককপিটে থাকা নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করেছে এবং দ্রুত উচ্চতা কমে যাওয়ার পেছনে ঠিক কী কারণ ছিল—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

একই সঙ্গে ৭৫০০ সংকেত দেওয়ার কারণ এবং ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর