তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যেই নতুন এক তথ্য সামনে এসেছে। চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানিয়েছেন, চীনের উদ্বেগের জবাবে একপর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
রোববার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে পারডিউ বলেন, ট্রাম্প সরাসরি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র কিনতে চান কি না।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আবারও আলোচনায় রয়েছে।
এ কারণে বহু বছর ধরেই তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রি বেইজিং ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অন্যতম সংবেদনশীল ইস্যু।
ডেভিড পারডিউ জানান, গত সপ্তাহে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময়ও এই বিষয়টি আলোচনা হয়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প একপর্যায়ে সি চিন পিংকে জিজ্ঞেস করেন, চীনও কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র কিনতে আগ্রহী?
তবে পারডিউ স্পষ্ট করেন যে, তাইওয়ান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
অন্যদিকে, গত জুনে চীন তাইওয়ানকে সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা সফল হবে না।
তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান ভিন্ন হওয়ায় প্রতিটি কূটনৈতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা তৈরি করে।
একটি বিষয় লক্ষণীয়, সামরিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশ একই সময়ে অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কূটনীতির ক্ষেত্রেও একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। ফলে প্রকাশ্য বক্তব্য ও পর্দার আড়ালের আলোচনা—দুই দিকই এখন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নজরে রয়েছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তাইওয়ানকে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যেই নতুন এক তথ্য সামনে এসেছে। চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানিয়েছেন, চীনের উদ্বেগের জবাবে একপর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
রোববার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে পারডিউ বলেন, ট্রাম্প সরাসরি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র কিনতে চান কি না।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক আবারও আলোচনায় রয়েছে।
এ কারণে বহু বছর ধরেই তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রি বেইজিং ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অন্যতম সংবেদনশীল ইস্যু।
ডেভিড পারডিউ জানান, গত সপ্তাহে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময়ও এই বিষয়টি আলোচনা হয়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প একপর্যায়ে সি চিন পিংকে জিজ্ঞেস করেন, চীনও কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র কিনতে আগ্রহী?
তবে পারডিউ স্পষ্ট করেন যে, তাইওয়ান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
অন্যদিকে, গত জুনে চীন তাইওয়ানকে সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা সফল হবে না।
তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান ভিন্ন হওয়ায় প্রতিটি কূটনৈতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা তৈরি করে।
একটি বিষয় লক্ষণীয়, সামরিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশ একই সময়ে অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কূটনীতির ক্ষেত্রেও একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। ফলে প্রকাশ্য বক্তব্য ও পর্দার আড়ালের আলোচনা—দুই দিকই এখন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নজরে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন