দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে এক ধাপ পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ

মাল্টার দাম কেজিতে ৫২০ টাকা, ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১১ টাকা ৯২ পয়সা, রাত ১২টা থেকেই কার্যকর

একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা

মুনাফা ছাড়ার শর্তে মিলছে মূল টাকা, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের ক্ষোভ

জ্বালানির দাম বাড়লেও বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১১ টাকা ৯২ পয়সা, রাত ১২টা থেকেই কার্যকর

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১১ টাকা ৯২ পয়সা, রাত ১২টা থেকেই কার্যকর
বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বিইআরসি।

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্তে প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করে বিইআরসি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

বিইআরসির নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, আগের দামের তুলনায় ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বেড়েছে।

ফার্নেস অয়েল মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিভিন্ন ভারী শিল্পে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে এর দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার পরিচালন ব্যয়ের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

তবে নতুন মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ বা শিল্পপণ্যের দামে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবহার ও ব্যয়ের কাঠামোর ওপর নির্ভর করবে।

বিইআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পর গণশুনানি এবং বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। এরপর ফার্নেস অয়েলের নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিইআরসির গত ২২ ফেব্রুয়ারির আদেশ অনুযায়ী ২৯ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত ফার্নেস অয়েলের প্ল্যাটস রেটের গড় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি করা ক্রুড অয়েলের সিআইএফ মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হারও মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে।

বিইআরসির সচিব নজরুল ইসলাম সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিশনের দায়িত্ব ও ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী কোনো আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যহার কার্যকর থাকবে।

অর্থাৎ বুধবার রাত পেরিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন দরে ফার্নেস অয়েল কিনতে হবে।

ফার্নেস অয়েল বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি। পাশাপাশি বিভিন্ন ভারী শিল্পেও এর ব্যবহার রয়েছে। ফলে দাম বাড়ার পর এসব খাতের জ্বালানি ব্যয় বাড়তে পারে।

বিশেষ করে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র ফার্নেস অয়েলনির্ভর, তাদের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বা শিল্পপণ্যের দাম বাড়বে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ফার্নেস অয়েলের দাম সরাসরি সাধারণ ভোক্তারা না দিলেও এর প্রভাব পরোক্ষভাবে অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বা শিল্পের জ্বালানি ব্যয় বাড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট পরিচালন ব্যয়ও বাড়তে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট খাতে মূল্য সমন্বয়ের ওপর।

বিষয় : ফার্নেস অয়েলের নতুন দাম ফার্নেস অয়েল দাম বৃদ্ধি BERC বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল ১১ টাকা ৯২ পয়সা, রাত ১২টা থেকেই কার্যকর

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্তে প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করে বিইআরসি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

বিইআরসির নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, আগের দামের তুলনায় ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বেড়েছে।

ফার্নেস অয়েল মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিভিন্ন ভারী শিল্পে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে এর দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানার পরিচালন ব্যয়ের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

তবে নতুন মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ বা শিল্পপণ্যের দামে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবহার ও ব্যয়ের কাঠামোর ওপর নির্ভর করবে।

বিইআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পর গণশুনানি এবং বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। এরপর ফার্নেস অয়েলের নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিইআরসির গত ২২ ফেব্রুয়ারির আদেশ অনুযায়ী ২৯ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত ফার্নেস অয়েলের প্ল্যাটস রেটের গড় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি করা ক্রুড অয়েলের সিআইএফ মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হারও মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে।

বিইআরসির সচিব নজরুল ইসলাম সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিশনের দায়িত্ব ও ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী কোনো আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যহার কার্যকর থাকবে।

অর্থাৎ বুধবার রাত পেরিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন দরে ফার্নেস অয়েল কিনতে হবে।

ফার্নেস অয়েল বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি। পাশাপাশি বিভিন্ন ভারী শিল্পেও এর ব্যবহার রয়েছে। ফলে দাম বাড়ার পর এসব খাতের জ্বালানি ব্যয় বাড়তে পারে।

বিশেষ করে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র ফার্নেস অয়েলনির্ভর, তাদের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বা শিল্পপণ্যের দাম বাড়বে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ফার্নেস অয়েলের দাম সরাসরি সাধারণ ভোক্তারা না দিলেও এর প্রভাব পরোক্ষভাবে অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বা শিল্পের জ্বালানি ব্যয় বাড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট পরিচালন ব্যয়ও বাড়তে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট খাতে মূল্য সমন্বয়ের ওপর।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর