দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

নওগাঁর পত্নীতলায় বাবাহারা দুই শিশুর জীবনে নতুন সংকট, কারাগারে মা—অনিশ্চয়তায় ভবিষ্যৎ

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দিনাজপুরে মহিলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা

খুলনা বিভাগে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, ১১ প্রতিষ্ঠানকে ৮২ হাজার টাকা জরিমানা

নাটোর সদর হাসপাতালে শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা; ভিডিও ধারণেরও অভিযোগ

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের নেপথ্যে কী? পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন, দলীয় দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক চাপের অভিযোগ

মান্দার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, আটক দুই; প্রকৃত জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকানের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, ২০ জন আহত; গ্রেপ্তার ৫

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। -ছবি: সংগৃহীত

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহ

নীলফামারীসহ তিস্তা অববাহিকার কয়েকটি জেলায় নতুন করে বন্যা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। সেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

উজানের বৃষ্টিই পানি বৃদ্ধির মূল কারণ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই বৃষ্টির পানি পাহাড়ি ঢলের আকারে তিস্তা নদীতে নেমে আসায় হঠাৎ করেই নদীর পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়।

এর প্রভাব ইতোমধ্যে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিতে শুরু করেছে। নদীর তীরঘেঁষা নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

যেসব এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে

তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

এছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই নদীর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় তারা জানেন, তিস্তার পানি দ্রুত বাড়ার পাশাপাশি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেও পারে।

কী বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরি বলেন, সকাল ৬টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে দুপুরের দিকে পানির চাপ কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।


তিনি জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের জলকপাটগুলো খোলা রাখা হয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিস্থিতি

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তিস্তা অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষের জন্য এটি শুধু বন্যার ঝুঁকি নয়, কৃষিজমি, গ্রামীণ সড়ক এবং বসতবাড়ির জন্যও সম্ভাব্য হুমকি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তিস্তার চর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ সাধারণত সবচেয়ে আগে ক্ষতির মুখে পড়েন। সময়মতো সতর্কতা পৌঁছালে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।


একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের বৃষ্টিপাত বাংলাদেশের উজান অংশে হয়নি। অর্থাৎ বর্তমানে পানির চাপের বড় অংশই এসেছে ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে। এতে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে তিস্তা অববাহিকার পানি পরিস্থিতি অনেকাংশে উজানের আবহাওয়া ও পানিপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
  • পানির চাপ সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
  • ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলের ভারী বৃষ্টিপাতকে পানি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
  • নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকার একাধিক নিম্নাঞ্চল প্লাবনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

সাধারণ মানুষের ভাবনা ও সতর্কতা

নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সতর্ক থাকা জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করা, গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে রাখার প্রস্তুতি নেওয়া এবং নদীর সর্বশেষ পরিস্থিতির খবর নিয়মিত জানা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও নিচু এলাকার পরিবারগুলোকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হলে আগাম প্রস্তুতি রাখা উচিত।

বিষয় : তিস্তার পানি বৃদ্ধি তিস্তা নদীর সর্বশেষ খবর তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্ট নীলফামারী বন্যা পরিস্থিতি উজানের ঢল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহ

নীলফামারীসহ তিস্তা অববাহিকার কয়েকটি জেলায় নতুন করে বন্যা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। সেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

উজানের বৃষ্টিই পানি বৃদ্ধির মূল কারণ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই বৃষ্টির পানি পাহাড়ি ঢলের আকারে তিস্তা নদীতে নেমে আসায় হঠাৎ করেই নদীর পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়।

এর প্রভাব ইতোমধ্যে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিতে শুরু করেছে। নদীর তীরঘেঁষা নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

যেসব এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে

তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

এছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই নদীর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় তারা জানেন, তিস্তার পানি দ্রুত বাড়ার পাশাপাশি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেও পারে।

কী বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরি বলেন, সকাল ৬টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে দুপুরের দিকে পানির চাপ কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।


তিনি জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের জলকপাটগুলো খোলা রাখা হয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরিস্থিতি

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তিস্তা অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষের জন্য এটি শুধু বন্যার ঝুঁকি নয়, কৃষিজমি, গ্রামীণ সড়ক এবং বসতবাড়ির জন্যও সম্ভাব্য হুমকি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তিস্তার চর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ সাধারণত সবচেয়ে আগে ক্ষতির মুখে পড়েন। সময়মতো সতর্কতা পৌঁছালে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।


একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের বৃষ্টিপাত বাংলাদেশের উজান অংশে হয়নি। অর্থাৎ বর্তমানে পানির চাপের বড় অংশই এসেছে ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে। এতে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে তিস্তা অববাহিকার পানি পরিস্থিতি অনেকাংশে উজানের আবহাওয়া ও পানিপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
  • পানির চাপ সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
  • ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলের ভারী বৃষ্টিপাতকে পানি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
  • নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকার একাধিক নিম্নাঞ্চল প্লাবনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

সাধারণ মানুষের ভাবনা ও সতর্কতা

নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সতর্ক থাকা জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করা, গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে রাখার প্রস্তুতি নেওয়া এবং নদীর সর্বশেষ পরিস্থিতির খবর নিয়মিত জানা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও নিচু এলাকার পরিবারগুলোকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হলে আগাম প্রস্তুতি রাখা উচিত।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর