যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার স্বপ্ন দেখেন হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। কিন্তু শুধু ভালো জিপিএ থাকলেই সব সময় সেই স্বপ্ন পূরণ হয় না। অনেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবেদনকারীর একাডেমিক সক্ষমতা যাচাই করতে চায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানদণ্ডে। আর সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে স্যাট (SAT) পরীক্ষা।
বিশ্বের চার হাজারের বেশি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে স্যাট স্কোর গ্রহণ করে। শুধু ভর্তি নয়, অনেক ক্ষেত্রে মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ভালো স্যাট স্কোর বড় ভূমিকা রাখে। ফলে বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা থাকলে স্যাট এখন অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ।
স্যাটের পূর্ণরূপ Scholastic Assessment Test। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানসম্মত পরীক্ষা, যার মাধ্যমে মূলত শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা ও গণিত বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মনে করে, উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু স্যাট একটি অভিন্ন মূল্যায়ন পদ্ধতি তৈরি করে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি তুলনা করা সম্ভব হয়।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা পরামর্শকদের মতে, শক্তিশালী স্যাট স্কোর আবেদনকারীর প্রোফাইলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভর্তি কর্মকর্তাদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেয়।
স্যাটের পূর্ণমান ১৬০০।
সাধারণভাবে—
বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের সাধারণ স্কোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, Harvard University-এ সাধারণত ১৪৬০-১৫৮০, Stanford University-এ ১৪৪০-১৫৭০ এবং Massachusetts Institute of Technology-এ ১৫২০-১৫৭০ স্কোরধারী শিক্ষার্থীরা বেশি দেখা যায়।
তবে ভর্তি শুধু স্কোরের ওপর নির্ভর করে না। সহশিক্ষা কার্যক্রম, নেতৃত্বগুণ, প্রবন্ধ এবং সামগ্রিক প্রোফাইলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিদেশে স্নাতক পর্যায়ে পড়তে আগ্রহী যেকোনো শিক্ষার্থী স্যাট দিতে পারে।
এসএসসি পাসের পর কিংবা এইচএসসি বা সমমানের পর্যায়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায়। বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা কিংবা মানবিক—সব বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এ পরীক্ষার জন্য যোগ্য।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, অযথা একাধিকবার পরীক্ষা না দিয়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে অংশ নেওয়া উচিত, কারণ পরীক্ষার ফি তুলনামূলক বেশি।
নতুন শিক্ষাবর্ষে মোট আটটি স্যাট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—
প্রথম পরীক্ষার জন্য নিবন্ধনের শেষ সময় ৭ আগস্ট ২০২৬। বিলম্বিত নিবন্ধন ও তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত।
বর্তমানে স্যাট সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রথমে College Board-এর ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম এবং ছবি আপলোড করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়।
নিবন্ধনের সময় পরীক্ষার কেন্দ্র ও তারিখ নির্বাচন করতে হয়। বাংলাদেশে ঢাকাসহ কয়েকটি অনুমোদিত কেন্দ্রে স্যাট অনুষ্ঠিত হয়।
বর্তমান ফি কাঠামো অনুযায়ী—
বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ টাকার সমপরিমাণ।
স্যাট দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত।
এ অংশে পাঠ-অনুধাবন, শব্দভান্ডার, ব্যাকরণ এবং লেখন দক্ষতা যাচাই করা হয়।
এ অংশে বীজগণিত, সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী গণিতের প্রশ্ন থাকে।
সব মিলিয়ে পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিট। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পরীক্ষায় কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই।
গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে স্কলারশিপের জন্য প্রতিযোগিতাও তীব্র হয়েছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ভালো একাডেমিক ফল নয়, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় ভালো স্কোর শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বা আংশিক স্কলারশিপের লক্ষ্য নিয়ে আবেদন করে, তাদের জন্য স্যাট একটি বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনেক শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে স্যাট সম্পর্কে জানতে পারেন। ফলে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পান না। বিদেশে পড়ার পরিকল্পনা থাকলে অন্তত এক থেকে দেড় বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা কার্যকর হতে পারে।
বাংলাদেশে অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন স্যাট শুধু মেধাবীদের জন্য। বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। শিক্ষা পরামর্শকদের অভিজ্ঞতা বলছে, নিয়মিত অনুশীলন, সময় ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার কাঠামো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে মাঝারি মানের শিক্ষার্থীরাও উল্লেখযোগ্য স্কোর অর্জন করতে পারে। অর্থাৎ স্যাটে সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে কৌশলগত প্রস্তুতির ওপর।
বিদেশে পড়াশোনা এখন শুধু উচ্চবিত্ত পরিবারের স্বপ্ন নয়; মেধা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে অনেক মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাচ্ছেন। তবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভুল তথ্য বা দেরিতে প্রস্তুতি নেওয়ার কারণে অনেকেই সুযোগ হারান। তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচিত নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য থাকলে স্যাটকে শুধু একটি পরীক্ষা হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ একাডেমিক যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা প্রয়োজন।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার স্বপ্ন দেখেন হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। কিন্তু শুধু ভালো জিপিএ থাকলেই সব সময় সেই স্বপ্ন পূরণ হয় না। অনেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবেদনকারীর একাডেমিক সক্ষমতা যাচাই করতে চায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানদণ্ডে। আর সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে স্যাট (SAT) পরীক্ষা।
বিশ্বের চার হাজারের বেশি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে স্যাট স্কোর গ্রহণ করে। শুধু ভর্তি নয়, অনেক ক্ষেত্রে মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ভালো স্যাট স্কোর বড় ভূমিকা রাখে। ফলে বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা থাকলে স্যাট এখন অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ।
স্যাটের পূর্ণরূপ Scholastic Assessment Test। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানসম্মত পরীক্ষা, যার মাধ্যমে মূলত শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা ও গণিত বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মনে করে, উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু স্যাট একটি অভিন্ন মূল্যায়ন পদ্ধতি তৈরি করে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি তুলনা করা সম্ভব হয়।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা পরামর্শকদের মতে, শক্তিশালী স্যাট স্কোর আবেদনকারীর প্রোফাইলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভর্তি কর্মকর্তাদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেয়।
স্যাটের পূর্ণমান ১৬০০।
সাধারণভাবে—
বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের সাধারণ স্কোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, Harvard University-এ সাধারণত ১৪৬০-১৫৮০, Stanford University-এ ১৪৪০-১৫৭০ এবং Massachusetts Institute of Technology-এ ১৫২০-১৫৭০ স্কোরধারী শিক্ষার্থীরা বেশি দেখা যায়।
তবে ভর্তি শুধু স্কোরের ওপর নির্ভর করে না। সহশিক্ষা কার্যক্রম, নেতৃত্বগুণ, প্রবন্ধ এবং সামগ্রিক প্রোফাইলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিদেশে স্নাতক পর্যায়ে পড়তে আগ্রহী যেকোনো শিক্ষার্থী স্যাট দিতে পারে।
এসএসসি পাসের পর কিংবা এইচএসসি বা সমমানের পর্যায়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায়। বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা কিংবা মানবিক—সব বিভাগের শিক্ষার্থীরাই এ পরীক্ষার জন্য যোগ্য।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, অযথা একাধিকবার পরীক্ষা না দিয়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে অংশ নেওয়া উচিত, কারণ পরীক্ষার ফি তুলনামূলক বেশি।
নতুন শিক্ষাবর্ষে মোট আটটি স্যাট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—
প্রথম পরীক্ষার জন্য নিবন্ধনের শেষ সময় ৭ আগস্ট ২০২৬। বিলম্বিত নিবন্ধন ও তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত।
বর্তমানে স্যাট সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রথমে College Board-এর ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম এবং ছবি আপলোড করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়।
নিবন্ধনের সময় পরীক্ষার কেন্দ্র ও তারিখ নির্বাচন করতে হয়। বাংলাদেশে ঢাকাসহ কয়েকটি অনুমোদিত কেন্দ্রে স্যাট অনুষ্ঠিত হয়।
বর্তমান ফি কাঠামো অনুযায়ী—
বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ টাকার সমপরিমাণ।
স্যাট দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত।
এ অংশে পাঠ-অনুধাবন, শব্দভান্ডার, ব্যাকরণ এবং লেখন দক্ষতা যাচাই করা হয়।
এ অংশে বীজগণিত, সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণধর্মী গণিতের প্রশ্ন থাকে।
সব মিলিয়ে পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিট। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পরীক্ষায় কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই।
গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে স্কলারশিপের জন্য প্রতিযোগিতাও তীব্র হয়েছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ভালো একাডেমিক ফল নয়, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় ভালো স্কোর শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বা আংশিক স্কলারশিপের লক্ষ্য নিয়ে আবেদন করে, তাদের জন্য স্যাট একটি বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনেক শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে স্যাট সম্পর্কে জানতে পারেন। ফলে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পান না। বিদেশে পড়ার পরিকল্পনা থাকলে অন্তত এক থেকে দেড় বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা কার্যকর হতে পারে।
বাংলাদেশে অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন স্যাট শুধু মেধাবীদের জন্য। বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। শিক্ষা পরামর্শকদের অভিজ্ঞতা বলছে, নিয়মিত অনুশীলন, সময় ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার কাঠামো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে মাঝারি মানের শিক্ষার্থীরাও উল্লেখযোগ্য স্কোর অর্জন করতে পারে। অর্থাৎ স্যাটে সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে কৌশলগত প্রস্তুতির ওপর।
বিদেশে পড়াশোনা এখন শুধু উচ্চবিত্ত পরিবারের স্বপ্ন নয়; মেধা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে অনেক মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাচ্ছেন। তবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভুল তথ্য বা দেরিতে প্রস্তুতি নেওয়ার কারণে অনেকেই সুযোগ হারান। তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উচিত নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য থাকলে স্যাটকে শুধু একটি পরীক্ষা হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ একাডেমিক যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন