যশোরের বেনাপোল সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায় ১০ লাখ টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে গাঁজা, নেশাজাতীয় সিরাপ, ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস, চকলেটসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি সামগ্রী।
রোববার (৭ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর ঘিবা ও হিজলী বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫ বোতল নেশাজাতীয় ESCUF সিরাপ, ৯ কেজি গাঁজা, ৫৭টি ভারতীয় শাড়ি, ৪টি থ্রি-পিস, ৪ কেজি জিরা, ৮৬ প্যাকেট ফুসকা, ৬ দশমিক ৫ কেজি কিসমিস, ২ প্যাকেট সনপাপড়ি, ২৪টি খাদ্যসামগ্রী, ২ হাজার ৫২১টি চকলেট এবং ৪৯৪টি কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়।
আটককৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১২০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। এসব পণ্য অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে দেশে প্রবেশ অথবা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, “চোরাচালান ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান থাকলেও অসাধু চক্র নানা কৌশলে অবৈধ পণ্য পাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সীমান্ত সুরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও চোরাচালান শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, বরং সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির ক্ষেত্রও তৈরি করে। তাই এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির সাম্প্রতিক এই অভিযান সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমে নতুন বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায় ১০ লাখ টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে গাঁজা, নেশাজাতীয় সিরাপ, ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস, চকলেটসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি সামগ্রী।
রোববার (৭ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর ঘিবা ও হিজলী বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫ বোতল নেশাজাতীয় ESCUF সিরাপ, ৯ কেজি গাঁজা, ৫৭টি ভারতীয় শাড়ি, ৪টি থ্রি-পিস, ৪ কেজি জিরা, ৮৬ প্যাকেট ফুসকা, ৬ দশমিক ৫ কেজি কিসমিস, ২ প্যাকেট সনপাপড়ি, ২৪টি খাদ্যসামগ্রী, ২ হাজার ৫২১টি চকলেট এবং ৪৯৪টি কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়।
আটককৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১২০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। এসব পণ্য অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে দেশে প্রবেশ অথবা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, “চোরাচালান ও মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান থাকলেও অসাধু চক্র নানা কৌশলে অবৈধ পণ্য পাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সীমান্ত সুরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও চোরাচালান শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, বরং সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির ক্ষেত্রও তৈরি করে। তাই এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির সাম্প্রতিক এই অভিযান সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমে নতুন বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন