দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাক্ষাৎ, গুরুত্ব পেল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

বাঞ্ছারামপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার, পালিয়েছে দুই সহযোগী

জলাশয়হীন আগারগাঁও এখন ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’, কংক্রিটের চাপে বাড়ছে তাপদাহের ঝুঁকি

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার অনলাইন সেবা চালু, ঘরে বসেই মিলছে ট্রেড লাইসেন্স ও নাগরিক সনদ

বেনাপোল সীমান্তে ৫ লাখ টাকার বেশি চোরাচালানী মালামাল আটক

উখিয়া সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলি, জি-থ্রি রাইফেল ও ৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে জব্দ হওয়া ভারতীয় চোরাচালান পণ্যের একটি অংশ।

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে শাড়ি, থ্রি-পিস, জর্দ্দা, পানমসলা, চকলেট এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকসসহ প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার মালামাল আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।

কী কী পণ্য জব্দ করা হয়েছে?

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ভারতীয় ২০টি শাড়ি, ২টি থ্রি-পিস, ১৬ প্যাকেট জর্দ্দা, ৭ প্যাকেট পানমসলা, ১৭০টি চকলেট এবং ১ হাজার ২৩৯টি বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আটককৃত এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা

সীমান্তে বাড়ছে নজরদারি

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান চক্রগুলো বেশি তৎপর হয়ে ওঠে। এ সুযোগে অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারির কারণে এসব চক্রের কার্যক্রম অনেকাংশে ব্যাহত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার হওয়ায় চোরাকারবারিরা আগের মতো সহজে পণ্য পাচার করতে পারছে না।

বিজিবি যা বলছে

এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সীমান্ত নিরাপত্তায় কেন গুরুত্বপূর্ণ এসব অভিযান?

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান শুধু সরকারের রাজস্ব ক্ষতিই করে না, বরং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। অনেক সময় একই রুট ব্যবহার করে মাদক, নিষিদ্ধ পণ্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ সামগ্রীও পাচারের চেষ্টা করা হয়।

তাই সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : বিজিবি অভিযান ভারতীয় পণ্য জব্দ বেনাপোল সীমান্ত যশোর সীমান্ত চোরাচালান পণ্য আটক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

যশোর সীমান্তে আবারও সক্রিয় হয়েছে চোরাচালানবিরোধী অভিযান। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে শাড়ি, থ্রি-পিস, জর্দ্দা, পানমসলা, চকলেট এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকসসহ প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার মালামাল আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।

কী কী পণ্য জব্দ করা হয়েছে?

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ভারতীয় ২০টি শাড়ি, ২টি থ্রি-পিস, ১৬ প্যাকেট জর্দ্দা, ৭ প্যাকেট পানমসলা, ১৭০টি চকলেট এবং ১ হাজার ২৩৯টি বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আটককৃত এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা

সীমান্তে বাড়ছে নজরদারি

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান চক্রগুলো বেশি তৎপর হয়ে ওঠে। এ সুযোগে অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারির কারণে এসব চক্রের কার্যক্রম অনেকাংশে ব্যাহত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার হওয়ায় চোরাকারবারিরা আগের মতো সহজে পণ্য পাচার করতে পারছে না।

বিজিবি যা বলছে

এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সীমান্ত নিরাপত্তায় কেন গুরুত্বপূর্ণ এসব অভিযান?

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান শুধু সরকারের রাজস্ব ক্ষতিই করে না, বরং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। অনেক সময় একই রুট ব্যবহার করে মাদক, নিষিদ্ধ পণ্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ সামগ্রীও পাচারের চেষ্টা করা হয়।

তাই সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর