শনিবার (৬ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ভারতীয় ২০টি শাড়ি, ২টি থ্রি-পিস, ১৬ প্যাকেট জর্দ্দা, ৭ প্যাকেট পানমসলা, ১৭০টি চকলেট এবং ১ হাজার ২৩৯টি বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আটককৃত এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান চক্রগুলো বেশি তৎপর হয়ে ওঠে। এ সুযোগে অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারির কারণে এসব চক্রের কার্যক্রম অনেকাংশে ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার হওয়ায় চোরাকারবারিরা আগের মতো সহজে পণ্য পাচার করতে পারছে না।
এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান শুধু সরকারের রাজস্ব ক্ষতিই করে না, বরং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। অনেক সময় একই রুট ব্যবহার করে মাদক, নিষিদ্ধ পণ্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ সামগ্রীও পাচারের চেষ্টা করা হয়।
তাই সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
শনিবার (৬ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ভারতীয় ২০টি শাড়ি, ২টি থ্রি-পিস, ১৬ প্যাকেট জর্দ্দা, ৭ প্যাকেট পানমসলা, ১৭০টি চকলেট এবং ১ হাজার ২৩৯টি বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আটককৃত এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ঈদ ও বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান চক্রগুলো বেশি তৎপর হয়ে ওঠে। এ সুযোগে অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারির কারণে এসব চক্রের কার্যক্রম অনেকাংশে ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার হওয়ায় চোরাকারবারিরা আগের মতো সহজে পণ্য পাচার করতে পারছে না।
এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান শুধু সরকারের রাজস্ব ক্ষতিই করে না, বরং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। অনেক সময় একই রুট ব্যবহার করে মাদক, নিষিদ্ধ পণ্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ সামগ্রীও পাচারের চেষ্টা করা হয়।
তাই সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন