দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

বিরাট কোহলি-ট্রাভিস হেড দ্বন্দ্বে উত্তাল আইপিএল, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেকও করলেন না কোহলি

বিরাট কোহলি-ট্রাভিস হেড দ্বন্দ্বে উত্তাল আইপিএল, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেকও করলেন না কোহলি

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংবর্ধনা | ICC Women’s T20 World Cup 2026

সিলেট টেস্টে শেষ দিনে বাংলাদেশের জয়ের দ্বারপ্রান্তে, পাকিস্তানের দরকার ১২১ রান

চার বিশ্বকাপের বিরল কীর্তিতে নেইমার, পেলে-রোনালদোদের অভিজাত তালিকায় নতুন নাম

সিলেট টেস্টে টস জিতে পাকিস্তানের বোলিং সিদ্ধান্ত, একাদশে বড় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

নরসিংদী জেলা স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের জমকালো ফাইনাল, শিশুদের উচ্ছ্বাসে মুখর ক্রীড়াঙ্গন

আজই কি শিরোপা উৎসব? কুমিল্লার মহারণে মুখোমুখি বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী

নাহিদ রানাকে ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটারের, প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশের গতি তারকা

বিরাট কোহলি-ট্রাভিস হেড দ্বন্দ্বে উত্তাল আইপিএল, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেকও করলেন না কোহলি

বিরাট কোহলি-ট্রাভিস হেড দ্বন্দ্বে উত্তাল আইপিএল, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেকও করলেন না কোহলি
ম্যাচ চলাকালে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন বিরাট কোহলি। -ছবি: সংগৃহীত

হেডের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন কোহলি, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেক না করায় নতুন বিতর্ক

আইপিএলের উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। তবে শুক্রবার রাতের ম্যাচে যা দেখা গেল, তা নিয়ে ক্রিকেটভক্তদের আলোচনা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে। মাঠের ভেতর কথার লড়াই, খোঁচা, পাল্টা জবাব—সবশেষে ম্যাচ শেষে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে হাত না মেলানোয় নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন Virat Kohli


সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু ম্যাচের স্কোরলাইনকে ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে আসে কোহলি ও Travis Head–এর উত্তপ্ত মুহূর্ত। টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে দুজনের কথোপকথন, যা পরে ম্যাচ-পরবর্তী আচরণে আরও বড় আলোচনার জন্ম দেয়।

শুরুটা যেভাবে

শুক্রবার (২২ মে) আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় Sunrisers Hyderabad। এমন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন কোহলি।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে হঠাৎ করেই দেখা যায়, ট্রাভিস হেডের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। স্টাম্প মাইকে স্পষ্ট শোনা না গেলেও মাঠে থাকা ক্রিকেটারদের প্রতিক্রিয়া এবং পরে বিভিন্ন সম্প্রচারে দাবি করা হয়, হেডের কোনো মন্তব্যে বিরক্ত হয়ে কোহলি তাকে উদ্দেশ করে বলেন, “ঠিক আছে, এসে কয়েকটা বল করো।”

মাঠের সেই মুহূর্তে দুজনকেই বেশ উত্তেজিত দেখা যায়। আম্পায়ার এবং অন্য ক্রিকেটাররা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন বলেও দেখা গেছে সম্প্রচারে।

আউট হওয়ার পর পাল্টা খোঁচা

তর্কের কয়েক বল পরই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন কোহলি। এরপরই পাল্টা মন্তব্য করতে দেখা যায় ট্রাভিস হেডকে। সম্প্রচারে দাবি করা হয়, হেড তখন কোহলিকে উদ্দেশ করে বলেন, “আমি বোলিংয়ে আসার আগেই তো তুমি আউট হয়ে গেলে!”

ক্রিকেটে এমন স্লেজিং বা মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা নতুন নয়। তবে কোহলি এবং হেড—দুজনই আক্রমণাত্মক মানসিকতার ক্রিকেটার হওয়ায় ঘটনাটি দ্রুতই আলোচনায় চলে আসে।

মজার বিষয় হলো, পরে সত্যিই বোলিংয়ে আসেন ট্রাভিস হেড। ইনিংসের ১৯তম ওভারে বল হাতে নিয়ে মাত্র ৭ রান দেন এবং বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক Rajat Patidar–এর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানের বড় জয় পায় হায়দরাবাদ।

ম্যাচ শেষে যা হলো

তবে আসল বিতর্ক তৈরি হয় ম্যাচ শেষে। দুই দলের ক্রিকেটাররা যখন নিয়মমাফিক একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন, তখন ট্রাভিস হেডকে কোহলির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে, হেড হাত বাড়ালেও কোহলি খুব একটা সাড়া দেননি এবং দ্রুত সামনে এগিয়ে যান।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। কেউ বলছেন, ম্যাচের উত্তেজনা তখনও কাটেনি। আবার অনেকের মতে, কোহলি ইচ্ছাকৃতভাবেই হ্যান্ডশেক এড়িয়ে গেছেন।


যদিও এ বিষয়ে ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। কোহলি বা হেড—কেউই সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে মুখ খোলেননি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো নানা ব্যাখ্যা ঘুরছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ভাগে বিভক্ত ভক্তরা

ঘটনার পর থেকেই এক্স, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হতে শুরু করে। একদল সমর্থক কোহলির আগ্রাসী মানসিকতাকে “জয়ের ক্ষুধা” হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বড় ম্যাচে আবেগ থাকবেই এবং কোহলি সবসময়ই আবেগপ্রবণ ক্রিকেট খেলেন।

অন্যদিকে আরেক অংশের দাবি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে আরও সংযত আচরণ প্রত্যাশা করা হয়। বিশেষ করে ম্যাচ শেষে সৌজন্য বজায় রাখা ক্রিকেট সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছেন, আইপিএলের মতো হাই-প্রেশার টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের মধ্যে এমন উত্তেজনা প্রায়ই তৈরি হয়। কারণ শুধু ম্যাচ নয়, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলীয় অবস্থান এবং কোটি ভক্তের প্রত্যাশাও খেলোয়াড়দের মানসিক চাপে রাখে।

কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে?

আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন শুধু ব্যাট-বলের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এটি মানসিক শক্তিরও খেলা। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলা, আত্মবিশ্বাস নষ্ট করা কিংবা আগ্রাসী শরীরী ভাষা দেখানো—এসব এখন অনেক দলের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মাঠের ছোট একটি মুহূর্ত কয়েক মিনিটের মধ্যেই কোটি মানুষের আলোচনায় চলে আসে। ফলে খেলোয়াড়দের প্রতিটি অভিব্যক্তিও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় একটি অংশ এখনও বিশ্বাস করেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা যতই তীব্র হোক, ম্যাচ শেষে পারস্পরিক সম্মান দেখানো খেলাটির সৌন্দর্য ধরে রাখে।

হায়দরাবাদের দাপুটে জয়

বিতর্কের আড়ালে ম্যাচের ফলও ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় হায়দরাবাদ। বেঙ্গালুরুর বোলাররা কার্যত দিশেহারা ছিলেন পুরো ইনিংসজুড়ে।


জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বেঙ্গালুরু। কোহলির দ্রুত বিদায় দলকে আরও বিপদে ফেলে। পরে কিছুটা লড়াই হলেও বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি তারা।

এই জয়ে প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে হায়দরাবাদ। অন্যদিকে বেঙ্গালুরুর জন্য চাপ আরও বেড়ে গেল বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

বিষয় : Virat Kohli, Travis Head, IPL controversy RCB vs SRH, Kohli handshake controversy

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


বিরাট কোহলি-ট্রাভিস হেড দ্বন্দ্বে উত্তাল আইপিএল, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেকও করলেন না কোহলি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

হেডের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন কোহলি, ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেক না করায় নতুন বিতর্ক

আইপিএলের উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। তবে শুক্রবার রাতের ম্যাচে যা দেখা গেল, তা নিয়ে ক্রিকেটভক্তদের আলোচনা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে। মাঠের ভেতর কথার লড়াই, খোঁচা, পাল্টা জবাব—সবশেষে ম্যাচ শেষে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে হাত না মেলানোয় নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন Virat Kohli


সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু ম্যাচের স্কোরলাইনকে ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে আসে কোহলি ও Travis Head–এর উত্তপ্ত মুহূর্ত। টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে দুজনের কথোপকথন, যা পরে ম্যাচ-পরবর্তী আচরণে আরও বড় আলোচনার জন্ম দেয়।

শুরুটা যেভাবে

শুক্রবার (২২ মে) আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় Sunrisers Hyderabad। এমন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন কোহলি।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে হঠাৎ করেই দেখা যায়, ট্রাভিস হেডের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। স্টাম্প মাইকে স্পষ্ট শোনা না গেলেও মাঠে থাকা ক্রিকেটারদের প্রতিক্রিয়া এবং পরে বিভিন্ন সম্প্রচারে দাবি করা হয়, হেডের কোনো মন্তব্যে বিরক্ত হয়ে কোহলি তাকে উদ্দেশ করে বলেন, “ঠিক আছে, এসে কয়েকটা বল করো।”

মাঠের সেই মুহূর্তে দুজনকেই বেশ উত্তেজিত দেখা যায়। আম্পায়ার এবং অন্য ক্রিকেটাররা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন বলেও দেখা গেছে সম্প্রচারে।

আউট হওয়ার পর পাল্টা খোঁচা

তর্কের কয়েক বল পরই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন কোহলি। এরপরই পাল্টা মন্তব্য করতে দেখা যায় ট্রাভিস হেডকে। সম্প্রচারে দাবি করা হয়, হেড তখন কোহলিকে উদ্দেশ করে বলেন, “আমি বোলিংয়ে আসার আগেই তো তুমি আউট হয়ে গেলে!”

ক্রিকেটে এমন স্লেজিং বা মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা নতুন নয়। তবে কোহলি এবং হেড—দুজনই আক্রমণাত্মক মানসিকতার ক্রিকেটার হওয়ায় ঘটনাটি দ্রুতই আলোচনায় চলে আসে।

মজার বিষয় হলো, পরে সত্যিই বোলিংয়ে আসেন ট্রাভিস হেড। ইনিংসের ১৯তম ওভারে বল হাতে নিয়ে মাত্র ৭ রান দেন এবং বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক Rajat Patidar–এর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানের বড় জয় পায় হায়দরাবাদ।

ম্যাচ শেষে যা হলো

তবে আসল বিতর্ক তৈরি হয় ম্যাচ শেষে। দুই দলের ক্রিকেটাররা যখন নিয়মমাফিক একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন, তখন ট্রাভিস হেডকে কোহলির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে, হেড হাত বাড়ালেও কোহলি খুব একটা সাড়া দেননি এবং দ্রুত সামনে এগিয়ে যান।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। কেউ বলছেন, ম্যাচের উত্তেজনা তখনও কাটেনি। আবার অনেকের মতে, কোহলি ইচ্ছাকৃতভাবেই হ্যান্ডশেক এড়িয়ে গেছেন।


যদিও এ বিষয়ে ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। কোহলি বা হেড—কেউই সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে মুখ খোলেননি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো নানা ব্যাখ্যা ঘুরছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ভাগে বিভক্ত ভক্তরা

ঘটনার পর থেকেই এক্স, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হতে শুরু করে। একদল সমর্থক কোহলির আগ্রাসী মানসিকতাকে “জয়ের ক্ষুধা” হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বড় ম্যাচে আবেগ থাকবেই এবং কোহলি সবসময়ই আবেগপ্রবণ ক্রিকেট খেলেন।

অন্যদিকে আরেক অংশের দাবি, আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে আরও সংযত আচরণ প্রত্যাশা করা হয়। বিশেষ করে ম্যাচ শেষে সৌজন্য বজায় রাখা ক্রিকেট সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছেন, আইপিএলের মতো হাই-প্রেশার টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের মধ্যে এমন উত্তেজনা প্রায়ই তৈরি হয়। কারণ শুধু ম্যাচ নয়, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলীয় অবস্থান এবং কোটি ভক্তের প্রত্যাশাও খেলোয়াড়দের মানসিক চাপে রাখে।

কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে?

আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন শুধু ব্যাট-বলের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এটি মানসিক শক্তিরও খেলা। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলা, আত্মবিশ্বাস নষ্ট করা কিংবা আগ্রাসী শরীরী ভাষা দেখানো—এসব এখন অনেক দলের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মাঠের ছোট একটি মুহূর্ত কয়েক মিনিটের মধ্যেই কোটি মানুষের আলোচনায় চলে আসে। ফলে খেলোয়াড়দের প্রতিটি অভিব্যক্তিও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় একটি অংশ এখনও বিশ্বাস করেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা যতই তীব্র হোক, ম্যাচ শেষে পারস্পরিক সম্মান দেখানো খেলাটির সৌন্দর্য ধরে রাখে।

হায়দরাবাদের দাপুটে জয়

বিতর্কের আড়ালে ম্যাচের ফলও ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় হায়দরাবাদ। বেঙ্গালুরুর বোলাররা কার্যত দিশেহারা ছিলেন পুরো ইনিংসজুড়ে।


জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বেঙ্গালুরু। কোহলির দ্রুত বিদায় দলকে আরও বিপদে ফেলে। পরে কিছুটা লড়াই হলেও বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি তারা।

এই জয়ে প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে হায়দরাবাদ। অন্যদিকে বেঙ্গালুরুর জন্য চাপ আরও বেড়ে গেল বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর