দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু: হাম পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে রোগীর চাপ তীব্র

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক

হামের ভয়াবহতা বাড়ছেই: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৬ হাজার ছাড়াল

শেরপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব

বরিশালে থামছে না হাম আতঙ্ক, আরও ২ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীতে হামের প্রকোপ, এক বেডে ২-৩ শিশু নিয়ে চলছে চিকিৎসা

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ
হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ

দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একই সময়ে নতুন করে এক হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

শুক্রবার (৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২১২ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৭১০ জনে।

নিশ্চিত রোগীও বাড়ছে দ্রুত

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ২৮২ শিশু। এ নিয়ে চলতি প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৪৯০ জনে।

চিকিৎসকরা বলছেন, নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা বাড়ার অর্থ হলো সংক্রমণ কমিউনিটিতে আরও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় টিকাদানের হার কম, সেখানে আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হাজারো শিশু

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝা যাচ্ছে হাসপাতালের চাপ থেকেও। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩২ হাজার ৮৬২ শিশু।

এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৯ হাজার ১৫২ শিশু। তবে এখনও অনেক শিশু বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক অভিভাবক প্রথম দিকে জ্বর বা র‌্যাশকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে আসছেন। এতে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ছে।

মৃত্যু নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।

অন্যদিকে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক সংক্রমণে গত একদিনে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত প্রায় দুই মাসে সন্দেহজনক হাম বা উপসর্গে মারা গেছে ২৮৫ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব মৃত্যুর কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য জটিল রোগও যুক্ত থাকতে পারে। তাই সব ঘটনা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

কেন বাড়ছে হামের সংক্রমণ?

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি, অভিভাবকদের অসচেতনতা এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

করোনার সময় অনেক শিশু নির্ধারিত টিকা থেকে বাদ পড়েছিল। তার প্রভাব এখনও রয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া গ্রামাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। শুরুতে জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে দাগ দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা মস্তিষ্কে সংক্রমণের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা

স্বাস্থ্য অধিদফতর অভিভাবকদের শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

সামাজিক প্রভাবও বাড়ছে

শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, হামের এই বিস্তার সামাজিকভাবেও চাপ তৈরি করছে। অনেক পরিবার শিশুদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে। হাসপাতালে বাড়তি রোগীর চাপের কারণে অন্যান্য রোগের চিকিৎসাতেও প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। পরিবার, স্কুল এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে টিকা নিয়ে ভুল তথ্য বা গুজব ঠেকানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য বলছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। যদিও চিকিৎসকরা আশা করছেন, দ্রুত টিকাদান ও সচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তবে সংক্রমণের গতি কমাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিশুস্বাস্থ্যের জন্য এটি বড় সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : হাম পরিস্থিতি বাংলাদেশ শিশুমৃত্যু স্বাস্থ্য অধিদফতর হাম সংক্রমণ টিকাদান সংকট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বাড়ছে চাপ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একই সময়ে নতুন করে এক হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

শুক্রবার (৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২১২ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৭১০ জনে।

নিশ্চিত রোগীও বাড়ছে দ্রুত

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ২৮২ শিশু। এ নিয়ে চলতি প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৪৯০ জনে।

চিকিৎসকরা বলছেন, নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা বাড়ার অর্থ হলো সংক্রমণ কমিউনিটিতে আরও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় টিকাদানের হার কম, সেখানে আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হাজারো শিশু

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝা যাচ্ছে হাসপাতালের চাপ থেকেও। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩২ হাজার ৮৬২ শিশু।

এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৯ হাজার ১৫২ শিশু। তবে এখনও অনেক শিশু বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক অভিভাবক প্রথম দিকে জ্বর বা র‌্যাশকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে আসছেন। এতে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ছে।

মৃত্যু নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।

অন্যদিকে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক সংক্রমণে গত একদিনে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত প্রায় দুই মাসে সন্দেহজনক হাম বা উপসর্গে মারা গেছে ২৮৫ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব মৃত্যুর কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য জটিল রোগও যুক্ত থাকতে পারে। তাই সব ঘটনা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

কেন বাড়ছে হামের সংক্রমণ?

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি, অভিভাবকদের অসচেতনতা এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

করোনার সময় অনেক শিশু নির্ধারিত টিকা থেকে বাদ পড়েছিল। তার প্রভাব এখনও রয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া গ্রামাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। শুরুতে জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে দাগ দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা মস্তিষ্কে সংক্রমণের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা

স্বাস্থ্য অধিদফতর অভিভাবকদের শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

সামাজিক প্রভাবও বাড়ছে

শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, হামের এই বিস্তার সামাজিকভাবেও চাপ তৈরি করছে। অনেক পরিবার শিশুদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে। হাসপাতালে বাড়তি রোগীর চাপের কারণে অন্যান্য রোগের চিকিৎসাতেও প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। পরিবার, স্কুল এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে টিকা নিয়ে ভুল তথ্য বা গুজব ঠেকানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য বলছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। যদিও চিকিৎসকরা আশা করছেন, দ্রুত টিকাদান ও সচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তবে সংক্রমণের গতি কমাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শিশুস্বাস্থ্যের জন্য এটি বড় সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর