দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান, জানালেন অভিনেত্রী

‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান, জানালেন অভিনেত্রী

পাবনায় বৈশাখের মঞ্চে জেমস-ইমরান-ঐশীর সুরে মাতবে লাখো মানুষ

সুর আর উৎসবে বরণ ১৪৩৩: দেশজুড়ে বৈশাখী উচ্ছ্বাস

মুখ খুললেন আলভী: ইকরাকে নিয়ে এবার যা বললেন!

শ্রীলীলা-তামান্না নন, ‘তাণ্ডব’-এর আইটেম গার্ল সাবিলা

‘চারিদিকে লালের মধ্যে আমাদের হাসিটা হারিয়ে গেছে’

সারিয়াকান্দিতে উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতির পদত্যাগ

বিয়ে করলেন অভিনেত্রী সোনালি

‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান, জানালেন অভিনেত্রী

‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান, জানালেন অভিনেত্রী
-ফাইল ফটো

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা সম্প্রতি তাঁর অভিনয় জীবনের একটি বিশেষ স্মৃতি নতুন করে সামনে এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারহিট সিনেমা ‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘদিন পর একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সেই স্মৃতির কথা শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি প্রচারিতব্য একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা বলেন, ২০০৩ সালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখার পর তিনি শুধু প্রশংসাই করেননি, বরং অভিনয়শিল্পীদের উৎসাহ দিতে একটি শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠিটি তাঁর কাছে অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে রয়ে গেছে।

চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পূর্ণিমা জানান, সেখানে সিনেমার প্রায় সব অভিনয়শিল্পীর নাম উল্লেখ করে তাঁদের অভিনয়ের প্রশংসা করা হয়েছিল। পাশাপাশি লেখা ছিল, এ ধরনের মানসম্মত সিনেমা নিয়মিত তৈরি হওয়া উচিত এবং চলচ্চিত্রে ভালো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এই কথাগুলো তাঁদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল বলে জানান তিনি।

পূর্ণিমা আরও বলেন, তখনকার সময়টা আজকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগ ছিল না। ফলে কোনো কাজের প্রশংসা এভাবে সরাসরি পাওয়া খুবই বিরল ব্যাপার ছিল। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো সেই শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে তাঁর মা এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে, পরিচিত সাংবাদিকদেরও চিঠিটি দেখিয়েছিলেন। পরিবারের জন্যও এটি ছিল আনন্দের একটি বিশেষ মুহূর্ত।

অভিনেত্রী বলেন, অভিনয়জীবনের শুরুতেই এমন একটি স্বীকৃতি পাওয়া তাঁকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল। ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার জন্য এটি তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি সে সময়ের অন্যতম ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিতি পায়। সিনেমাটির গান, গল্প এবং অভিনয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বিশেষ করে পূর্ণিমার অভিনয় তখনকার সময়ের তরুণ দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নব্বই দশকের শেষভাগ ও ২০০০ সালের শুরুতে যে কয়েকজন অভিনেত্রী ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে পূর্ণিমা অন্যতম। একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দ্রুতই শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রীদের কাতারে জায়গা করে নেন।

পূর্ণিমার এই স্মৃতিচারণ উঠে এসেছে ‘বিহাইন্ড দ্য ফেম উইথ আরআরকে’ নামের একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে। জানা গেছে, তাঁর সাক্ষাৎকারভিত্তিক এই বিশেষ পর্বটি শনিবার রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। সেখানে তাঁর ক্যারিয়ারের আরও অনেক অজানা গল্প উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিন আগের একটি ছোট্ট শুভেচ্ছা বার্তা কীভাবে একজন শিল্পীর মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে—পূর্ণিমার এই অভিজ্ঞতা তারই একটি উদাহরণ। অভিনয়জীবনের পথচলায় এমন স্বীকৃতি যে একজন শিল্পীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, তাঁর বক্তব্যেও সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান, জানালেন অভিনেত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা সম্প্রতি তাঁর অভিনয় জীবনের একটি বিশেষ স্মৃতি নতুন করে সামনে এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারহিট সিনেমা ‘মনের মাঝে তুমি’ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘদিন পর একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সেই স্মৃতির কথা শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি প্রচারিতব্য একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা বলেন, ২০০৩ সালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখার পর তিনি শুধু প্রশংসাই করেননি, বরং অভিনয়শিল্পীদের উৎসাহ দিতে একটি শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠিটি তাঁর কাছে অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে রয়ে গেছে।

চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পূর্ণিমা জানান, সেখানে সিনেমার প্রায় সব অভিনয়শিল্পীর নাম উল্লেখ করে তাঁদের অভিনয়ের প্রশংসা করা হয়েছিল। পাশাপাশি লেখা ছিল, এ ধরনের মানসম্মত সিনেমা নিয়মিত তৈরি হওয়া উচিত এবং চলচ্চিত্রে ভালো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এই কথাগুলো তাঁদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল বলে জানান তিনি।

পূর্ণিমা আরও বলেন, তখনকার সময়টা আজকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগ ছিল না। ফলে কোনো কাজের প্রশংসা এভাবে সরাসরি পাওয়া খুবই বিরল ব্যাপার ছিল। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো সেই শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে তাঁর মা এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে, পরিচিত সাংবাদিকদেরও চিঠিটি দেখিয়েছিলেন। পরিবারের জন্যও এটি ছিল আনন্দের একটি বিশেষ মুহূর্ত।

অভিনেত্রী বলেন, অভিনয়জীবনের শুরুতেই এমন একটি স্বীকৃতি পাওয়া তাঁকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল। ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার জন্য এটি তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি সে সময়ের অন্যতম ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিতি পায়। সিনেমাটির গান, গল্প এবং অভিনয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বিশেষ করে পূর্ণিমার অভিনয় তখনকার সময়ের তরুণ দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নব্বই দশকের শেষভাগ ও ২০০০ সালের শুরুতে যে কয়েকজন অভিনেত্রী ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে পূর্ণিমা অন্যতম। একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দ্রুতই শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রীদের কাতারে জায়গা করে নেন।

পূর্ণিমার এই স্মৃতিচারণ উঠে এসেছে ‘বিহাইন্ড দ্য ফেম উইথ আরআরকে’ নামের একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে। জানা গেছে, তাঁর সাক্ষাৎকারভিত্তিক এই বিশেষ পর্বটি শনিবার রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। সেখানে তাঁর ক্যারিয়ারের আরও অনেক অজানা গল্প উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিন আগের একটি ছোট্ট শুভেচ্ছা বার্তা কীভাবে একজন শিল্পীর মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে—পূর্ণিমার এই অভিজ্ঞতা তারই একটি উদাহরণ। অভিনয়জীবনের পথচলায় এমন স্বীকৃতি যে একজন শিল্পীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, তাঁর বক্তব্যেও সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর