দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক

মুকেশ আম্বানিকে ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী’ বলে কটাক্ষ ইলন মাস্কের

বিদেশি শিক্ষার্থীদের OPT-তে ৭০ হাজার ডলার ফি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮১ সামরিক উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস: সিআরএস

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ২৩ ভারতীয় ক্রুবাহী তেল ট্যাঙ্কারে আগুন

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার ৯০০

দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যারিকেড সরানো এবং ইন্টারনেট ও গণপরিবহন স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে আরোপ করা বিধিনিষেধ শিথিল করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করতে বলেছেন আদালত। একই সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ না রাখা এবং রেল ও মেট্রো পরিষেবা সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দিল্লির বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানিতে এসব নির্দেশ দেওয়া হয়। আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠি আবেদনটি করেন।

আদালত বলেন, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থা যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় অযথা বাধা সৃষ্টি না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভের কারণে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।

আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বিধিনিষেধের প্রয়োজনীয়তা ও সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে হবে এবং ইন্টারনেট, রেল ও মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর অন্য একটি মামলার শুনানিতে দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হন আবেদনকারী।

শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেন, নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে হবে আইনের সীমার মধ্যে থেকে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘আপনাদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এ নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু প্রতিবাদের পদ্ধতি অবশ্যই আইনের মধ্যে থাকতে হবে।’

আবেদনকারীকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বাগচি বলেন, প্রতিবাদ করার অধিকারকে পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে বলে দাবি করা যায় না।

আদালতের বক্তব্যে একদিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা—দুই বিষয়ই গুরুত্ব পেয়েছে।

বিক্ষোভের সময় আটক ব্যক্তিদের পরিস্থিতি এবং আটকের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব ও দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশনকে (ডিএমআরসি) নোটিস দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।

আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিক্ষোভের সময় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং গণপরিবহনসহ অন্যান্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে আদালত আরও তথ্য পেতে পারেন।

বিষয় : দিল্লিতে বিক্ষোভ দিল্লি সুপ্রিম কোর্ট ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ ইন্টারনেট পরিষেবা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে আরোপ করা বিধিনিষেধ শিথিল করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করতে বলেছেন আদালত। একই সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ না রাখা এবং রেল ও মেট্রো পরিষেবা সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দিল্লির বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানিতে এসব নির্দেশ দেওয়া হয়। আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠি আবেদনটি করেন।

আদালত বলেন, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থা যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় অযথা বাধা সৃষ্টি না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভের কারণে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।

আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বিধিনিষেধের প্রয়োজনীয়তা ও সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে হবে এবং ইন্টারনেট, রেল ও মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর অন্য একটি মামলার শুনানিতে দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচল বাতিলের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হন আবেদনকারী।

শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেন, নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে হবে আইনের সীমার মধ্যে থেকে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘আপনাদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এ নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু প্রতিবাদের পদ্ধতি অবশ্যই আইনের মধ্যে থাকতে হবে।’

আবেদনকারীকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বাগচি বলেন, প্রতিবাদ করার অধিকারকে পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে বলে দাবি করা যায় না।

আদালতের বক্তব্যে একদিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা—দুই বিষয়ই গুরুত্ব পেয়েছে।

বিক্ষোভের সময় আটক ব্যক্তিদের পরিস্থিতি এবং আটকের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব ও দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশনকে (ডিএমআরসি) নোটিস দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।

আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিক্ষোভের সময় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং গণপরিবহনসহ অন্যান্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে আদালত আরও তথ্য পেতে পারেন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর