দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

সুন্দরবন ঘেঁষে ২৪ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ, ৩০ দিনের মধ্যে সরানোর সময়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা, উঠছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

রাত ১১টার মধ্যে বার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

দুদকের ৩ উপপরিচালক ও ৯ সহকারী পরিচালক পদে রদবদল

তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান

চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন
বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক সভা শেষে প্রেস ব্রিফংয়ে কথা বলছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সড়ক, ড্রেনেজ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প শুরুর দুই বছরের মধ্যে সমন্বিত পয়োনিষ্কাশন পরিকল্পনা (এসটিপি) যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণের প্রকল্পে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নের পাশাপাশি নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ করা হবে।

অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসনের জন্যও প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

সিটি করপোরেশনগুলোর এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সড়ক যোগাযোগ, পানি নিষ্কাশন এবং নগরবাসীর দৈনন্দিন চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হতে পারে।

একনেক সভায় সড়ক ও অবকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী—এমন তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো রাস্তা বা অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পর তিন বছরের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে ঠিকাদারকে নিজ দায়িত্বে তা মেরামত করে দিতে হবে। এ বাধ্যবাধকতা প্রকল্পে যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নগর উন্নয়ন প্রকল্পে শুধু নির্মাণ শেষ করাই নয়, কাজের মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিটি করপোরেশনগুলোর এসব প্রকল্প নির্বাচনী প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পগুলোর প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই চলছে। নির্বাচনী প্রস্তুতির সঙ্গে এসব প্রকল্পের সম্পর্ক নেই।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশনগুলোর উন্নয়নে আরও প্রকল্প আসবে।

বুধবারের একনেক সভায় সিটি করপোরেশনের চার প্রকল্পসহ মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্পও রয়েছে।

রামপালের ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খরচ ছয় টাকা ধরা হয়েছিল। পরে চার ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ যুক্ত করায় তা বেড়ে নয় টাকা হয়েছে।

এখন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটারি ব্যাকআপ আট ঘণ্টা করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে প্রকল্পটির ব্যয় আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

একনেকে সিটি করপোরেশনের চার প্রকল্প ছাড়াও আরও যেসব প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
  • সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন।
  • গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধন।
  • বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ।
  • রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ।
  • ফ্রান্সের প্যারিসে কেনা চ্যান্সারি ভবন সংস্কার ও আধুনিকায়ন।
  • ভজনপুর-আটোয়ারী-ময়দানগুড়ি-আমতলী-মির্জাগঞ্জ-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ।
  • খানাটি-রিয়ামারি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণের দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্প।

এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের একটি প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছেন। বিষয়টি একনেক সভাকে অবহিত করা হয়েছে।

বিষয় : একনেক সভা একনেকের ১৩ প্রকল্প ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সড়ক, ড্রেনেজ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প শুরুর দুই বছরের মধ্যে সমন্বিত পয়োনিষ্কাশন পরিকল্পনা (এসটিপি) যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণের প্রকল্পে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নের পাশাপাশি নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ করা হবে।

অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসনের জন্যও প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

সিটি করপোরেশনগুলোর এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সড়ক যোগাযোগ, পানি নিষ্কাশন এবং নগরবাসীর দৈনন্দিন চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হতে পারে।

একনেক সভায় সড়ক ও অবকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী—এমন তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো রাস্তা বা অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পর তিন বছরের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে ঠিকাদারকে নিজ দায়িত্বে তা মেরামত করে দিতে হবে। এ বাধ্যবাধকতা প্রকল্পে যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নগর উন্নয়ন প্রকল্পে শুধু নির্মাণ শেষ করাই নয়, কাজের মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিটি করপোরেশনগুলোর এসব প্রকল্প নির্বাচনী প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পগুলোর প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই চলছে। নির্বাচনী প্রস্তুতির সঙ্গে এসব প্রকল্পের সম্পর্ক নেই।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশনগুলোর উন্নয়নে আরও প্রকল্প আসবে।

বুধবারের একনেক সভায় সিটি করপোরেশনের চার প্রকল্পসহ মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্পও রয়েছে।

রামপালের ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খরচ ছয় টাকা ধরা হয়েছিল। পরে চার ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ যুক্ত করায় তা বেড়ে নয় টাকা হয়েছে।

এখন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটারি ব্যাকআপ আট ঘণ্টা করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে প্রকল্পটির ব্যয় আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

একনেকে সিটি করপোরেশনের চার প্রকল্প ছাড়াও আরও যেসব প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
  • সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন।
  • গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধন।
  • বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ।
  • রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ।
  • ফ্রান্সের প্যারিসে কেনা চ্যান্সারি ভবন সংস্কার ও আধুনিকায়ন।
  • ভজনপুর-আটোয়ারী-ময়দানগুড়ি-আমতলী-মির্জাগঞ্জ-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ।
  • খানাটি-রিয়ামারি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণের দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্প।

এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের একটি প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছেন। বিষয়টি একনেক সভাকে অবহিত করা হয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর