দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

দুর্দিনেও শতবর্ষের নৌকা তৈরির পেশা আঁকড়ে চাপাতলীর কারিগররা

বন্ধুকে বাসায় দাওয়াত দিয়ে জিম্মি, ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি; গ্রেপ্তার ২

শীতের আগমনী বার্তাতেও রাজধানীর সবজিবাজারে স্বস্তি নেই

২ সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে চলছে ১৮০ স্কুল, ১১৭টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮৮২

বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক

পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মালকাডাঙ্গা সীমান্তে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়েছে বিজিবি।

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)—এমন তথ্য জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত ওই সাতজন একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। বিজিবি জানিয়েছে, ওই সাতজনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।

নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মালকাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় সাতজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন।

পরে তারা সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নেন। দিনভর সীমান্ত এলাকায় অবস্থানের পর রাতে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ না করে ভারতের দিকে ফিরে যায়।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিজিবি সদস্যরা পুরো সময় ওই এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার রাতে সাতজনই একই সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

তবে ওই সাতজন কারা, তাদের জাতীয়তা কী এবং কী কারণে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ পারাপার, পুশইনসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে বিজিবির সদস্যরা নিয়মিত টহল ও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অননুমোদিতভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা হলে তা শুধু নিরাপত্তার বিষয় নয়, দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যায়।

এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা, ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পঞ্চগড় সীমান্ত পুশইনের চেষ্টা পঞ্চগড়ে পুশইন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


পঞ্চগড় সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ভারতে ফেরত

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)—এমন তথ্য জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত ওই সাতজন একই সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। বিজিবি জানিয়েছে, ওই সাতজনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।

নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মালকাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় সাতজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন।

পরে তারা সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নেন। দিনভর সীমান্ত এলাকায় অবস্থানের পর রাতে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ না করে ভারতের দিকে ফিরে যায়।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিজিবি সদস্যরা পুরো সময় ওই এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার রাতে সাতজনই একই সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

তবে ওই সাতজন কারা, তাদের জাতীয়তা কী এবং কী কারণে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ পারাপার, পুশইনসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে বিজিবির সদস্যরা নিয়মিত টহল ও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অননুমোদিতভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা হলে তা শুধু নিরাপত্তার বিষয় নয়, দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যায়।

এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা, ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর