দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান

তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান

চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

পূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে আরও ৪০ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশকে কৌশলগত অংশীদার মনে করে কানাডা: হাইকমিশনার

তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান

তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের দাম ও সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে তা স্থিতিশীল পর্যায়ে এলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। তবে কম দামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি থাকাকালে দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এখন দাম কমে আসায় দেশের বাজারে কত দ্রুত তা সমন্বয় করা হবে।

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার যে দরে তেলের দাম সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমার কারণ এবং এই পতন কতটা স্থায়ী হবে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, তেলের দাম কমার পর কয়েক দিনের মধ্যেই আবার বেড়ে ১০৬ থেকে ১০৭ ডলারের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। ফলে সাময়িক দরপতনকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

উপদেষ্টা বলেন, ‘তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে।’

বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পেছনে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার বিষয়টিও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে সাময়িকভাবে দামে প্রভাব পড়েছে বলে তিনি মনে করেন। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও নতুন সংঘাতের আশঙ্কা থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ভবিষ্যৎ প্রবণতা নিয়ে এখনই নিশ্চিত হওয়া কঠিন।

তার মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পাশাপাশি যদি তা কিছু সময় স্থিতিশীল থাকে, তখন দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বাস্তব সুযোগ তৈরি হবে।

অর্থাৎ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের এক দিনের বা কয়েক দিনের দরপতনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাকে গুরুত্ব দিতে চাইছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়। এর প্রভাব বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামে পড়ে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির গতিও কমতে পারে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সুযোগও সংকুচিত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব।’

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন, বাংলাদেশ নাকি অন্য কোনো দেশ করবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়গুলো ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহারের সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে।

চীনের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত পর্যটন চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এ ধরনের ঘটনায় জড়িত, অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জ্বালানি তেলের দাম কমলে শুধু গাড়িতে জ্বালানি কেনার খরচই কমে না; পরিবহন, পণ্য পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয়ের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে সাময়িক দরপতন আর দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা এক বিষয় নয়। তাই সরকারের সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক বাজারের গড় দাম, সরবরাহ পরিস্থিতি, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যয়—সবগুলো বিষয় বিবেচনায় আসা গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারে তেলের দাম তেলের দাম সমন্বয়

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে তা স্থিতিশীল পর্যায়ে এলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। তবে কম দামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি থাকাকালে দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এখন দাম কমে আসায় দেশের বাজারে কত দ্রুত তা সমন্বয় করা হবে।

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার যে দরে তেলের দাম সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমার কারণ এবং এই পতন কতটা স্থায়ী হবে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, তেলের দাম কমার পর কয়েক দিনের মধ্যেই আবার বেড়ে ১০৬ থেকে ১০৭ ডলারের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। ফলে সাময়িক দরপতনকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

উপদেষ্টা বলেন, ‘তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে।’

বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পেছনে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার বিষয়টিও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে সাময়িকভাবে দামে প্রভাব পড়েছে বলে তিনি মনে করেন। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও নতুন সংঘাতের আশঙ্কা থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ভবিষ্যৎ প্রবণতা নিয়ে এখনই নিশ্চিত হওয়া কঠিন।

তার মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পাশাপাশি যদি তা কিছু সময় স্থিতিশীল থাকে, তখন দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বাস্তব সুযোগ তৈরি হবে।

অর্থাৎ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের এক দিনের বা কয়েক দিনের দরপতনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাকে গুরুত্ব দিতে চাইছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়। এর প্রভাব বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামে পড়ে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির গতিও কমতে পারে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির সুযোগও সংকুচিত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব।’

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন, বাংলাদেশ নাকি অন্য কোনো দেশ করবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়গুলো ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহারের সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে।

চীনের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত পর্যটন চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এ ধরনের ঘটনায় জড়িত, অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জ্বালানি তেলের দাম কমলে শুধু গাড়িতে জ্বালানি কেনার খরচই কমে না; পরিবহন, পণ্য পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয়ের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে সাময়িক দরপতন আর দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা এক বিষয় নয়। তাই সরকারের সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক বাজারের গড় দাম, সরবরাহ পরিস্থিতি, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যয়—সবগুলো বিষয় বিবেচনায় আসা গুরুত্বপূর্ণ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর