প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফর হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলি।
তিনি বলেন, ‘মাসের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী জাপান যাবেন। এ বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে।’ তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কোন তারিখে ঢাকা ছাড়বেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু জানাননি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়তে পারেন। সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। গত ১২ আগস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও জাপানের সপ্তম পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ সভায় এ আমন্ত্রণ বাংলাদেশের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলাকালে জাপানের জ্যেষ্ঠ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণটি বাংলাদেশের কাছে পৌঁছে দেন।
এর ধারাবাহিকতায় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্বের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
তবে সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও আলোচ্যসূচি এখনো বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি। সফরসূচি চূড়ান্ত হলে বৈঠক ও আলোচনার বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের জবাবে বাংলাদেশও সানায়ে তাকাইচিকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
একই সময়ে জাপানের জ্যেষ্ঠ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সফর ও পারস্পরিক আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফর শুধু আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সফর হিসেবে নয়, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে নতুন আলোচনা বা সমঝোতার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা হবে কি না, তা সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফর হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলি।
তিনি বলেন, ‘মাসের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী জাপান যাবেন। এ বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে।’ তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কোন তারিখে ঢাকা ছাড়বেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু জানাননি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়তে পারেন। সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। গত ১২ আগস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও জাপানের সপ্তম পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ সভায় এ আমন্ত্রণ বাংলাদেশের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলাকালে জাপানের জ্যেষ্ঠ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণটি বাংলাদেশের কাছে পৌঁছে দেন।
এর ধারাবাহিকতায় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্বের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
তবে সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও আলোচ্যসূচি এখনো বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি। সফরসূচি চূড়ান্ত হলে বৈঠক ও আলোচনার বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের জবাবে বাংলাদেশও সানায়ে তাকাইচিকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
একই সময়ে জাপানের জ্যেষ্ঠ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সফর ও পারস্পরিক আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফর শুধু আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সফর হিসেবে নয়, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে নতুন আলোচনা বা সমঝোতার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা হবে কি না, তা সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন