দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮৮২

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮৮২

বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক

বাংলাদেশি ভেবে দুজনকে বিএসএফের গুলি, পরে জানা গেল তারা ভারতীয় নাগরিক

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত

চট্টগ্রামে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

ভারতের সঙ্গে সমঝোতা হলেই মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর উদ্যোগ: নৌপ্রতিমন্ত্রী

নরসিংদী থেকে লোক ভাড়া করে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক

বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক
বাউফল থানা। ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে পরপর চারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে কোথাও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করে কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ধুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন বাজার ও আশপাশের এলাকায় এসব বিকট শব্দ শোনা যায়।

তবে বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট স্থান, কোনো আলামত কিংবা ঘটনায় হতাহতের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কারা বা কী কারণে এ ধরনের শব্দ হয়েছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের নীরবতার মধ্যে পরপর চারটি বিকট শব্দ শোনা যায়। শব্দগুলো এতটাই জোরালো ছিল যে আশপাশের অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যায়।

প্রথমে কেউ কেউ মনে করেন, এলাকায় হয়তো ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এরপর কয়েকজন বাসিন্দা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসেন।

পরে স্থানীয়রা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করলেও কাউকে দেখতে পাননি। বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট স্থান বা কোনো দৃশ্যমান আলামতও পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা।

ঘটনার পর স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বা বিস্ফোরকজাতীয় কোনো বস্তু বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।

তবে এটি কেবল স্থানীয়দের ধারণা। পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বিস্ফোরণের কারণ বা প্রকৃতি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফলে শব্দগুলো আসলে বিস্ফোরণের কারণে হয়েছিল কি না, হলেও কী ধরনের বস্তু ব্যবহার করা হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমি পাইনি। তবে খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

পুলিশ ঘটনাস্থল বা আশপাশে অনুসন্ধান করলে বিস্ফোরণের শব্দের উৎস এবং প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।

এলাকার বাসিন্দা রফিক হাওলাদার বলেন, ‘আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। প্রথমে ধারণা হয়েছিল, কোথাও ডাকাতি হচ্ছে। পরে কয়েকজন মিলে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসি। কিন্তু কাউকে দেখা যায়নি। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়ে থাকতে পারে।’

ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানান।

বিষয় : বাউফলে বিস্ফোরণের শব্দ বাউফলে চার বিস্ফোরণ বাউফল থানা পটুয়াখালী বিস্ফোরণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে ৪ বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে মিনিটের ব্যবধানে পরপর চারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রথমে কোথাও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করে কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ধুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন বাজার ও আশপাশের এলাকায় এসব বিকট শব্দ শোনা যায়।

তবে বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট স্থান, কোনো আলামত কিংবা ঘটনায় হতাহতের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কারা বা কী কারণে এ ধরনের শব্দ হয়েছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের নীরবতার মধ্যে পরপর চারটি বিকট শব্দ শোনা যায়। শব্দগুলো এতটাই জোরালো ছিল যে আশপাশের অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যায়।

প্রথমে কেউ কেউ মনে করেন, এলাকায় হয়তো ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এরপর কয়েকজন বাসিন্দা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসেন।

পরে স্থানীয়রা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করলেও কাউকে দেখতে পাননি। বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট স্থান বা কোনো দৃশ্যমান আলামতও পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা।

ঘটনার পর স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেল বা বিস্ফোরকজাতীয় কোনো বস্তু বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।

তবে এটি কেবল স্থানীয়দের ধারণা। পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বিস্ফোরণের কারণ বা প্রকৃতি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফলে শব্দগুলো আসলে বিস্ফোরণের কারণে হয়েছিল কি না, হলেও কী ধরনের বস্তু ব্যবহার করা হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমি পাইনি। তবে খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

পুলিশ ঘটনাস্থল বা আশপাশে অনুসন্ধান করলে বিস্ফোরণের শব্দের উৎস এবং প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।

এলাকার বাসিন্দা রফিক হাওলাদার বলেন, ‘আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। প্রথমে ধারণা হয়েছিল, কোথাও ডাকাতি হচ্ছে। পরে কয়েকজন মিলে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসি। কিন্তু কাউকে দেখা যায়নি। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়ে থাকতে পারে।’

ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানান।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর