ফেনী শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুমে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে তথাকথিত ‘খাঁটি মধু’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, সেখানে ভেজাল মধু তৈরির সময় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী পৌর এলাকার বড় মসজিদ রোডের ‘হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিক’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে ফেনী মডেল থানা-পুলিশ।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, কম দামে মধু কেনার সাধারণ মানুষের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে এসব পণ্য ‘খাঁটি মধু’ হিসেবে বিক্রি করা হতো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে ভেজাল মধু তৈরির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন আলামতসহ চারজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মহসিন, মেহেদী হাসান, মো. রাসেল ও জসিম উদ্দিন। তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়।
মহসিনের দাবি অনুযায়ী, তাদের চক্রে মোট ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন পাঁচগাছিয়া এলাকায় এবং ১৪ জন ওই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে বিভিন্ন এলাকায় পণ্য বিক্রি করতেন।
তবে এসব তথ্য আটক ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া দাবি; তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই করা হবে।
তার দাবি, বাথরুমের ভেতরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছিল—এমন বিষয় হোটেলের কেউ আগে জানতে পারেননি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চিনি মিশিয়ে ভেজাল মধু তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। চক্রের অন্য সদস্যদের আটকের জন্য অভিযান চলছে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেনী শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুমে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে তথাকথিত ‘খাঁটি মধু’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, সেখানে ভেজাল মধু তৈরির সময় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেনী পৌর এলাকার বড় মসজিদ রোডের ‘হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিক’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে ফেনী মডেল থানা-পুলিশ।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, কম দামে মধু কেনার সাধারণ মানুষের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে এসব পণ্য ‘খাঁটি মধু’ হিসেবে বিক্রি করা হতো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে ভেজাল মধু তৈরির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন আলামতসহ চারজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মহসিন, মেহেদী হাসান, মো. রাসেল ও জসিম উদ্দিন। তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়।
মহসিনের দাবি অনুযায়ী, তাদের চক্রে মোট ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন পাঁচগাছিয়া এলাকায় এবং ১৪ জন ওই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে বিভিন্ন এলাকায় পণ্য বিক্রি করতেন।
তবে এসব তথ্য আটক ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া দাবি; তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই করা হবে।
তার দাবি, বাথরুমের ভেতরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছিল—এমন বিষয় হোটেলের কেউ আগে জানতে পারেননি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চিনি মিশিয়ে ভেজাল মধু তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। চক্রের অন্য সদস্যদের আটকের জন্য অভিযান চলছে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন