দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, যেভাবে মিলবে ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, যেভাবে মিলবে ছুটি

একাদশে ভর্তির নতুন আবেদন শুরু, সুযোগ থাকছে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন, পদোন্নতি ও বদলিতে আসছে নতুন নীতিমালা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন জমা

জবির সুমিতার যুক্তরাষ্ট্রে সাফল্য, শীর্ষ ৫ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেলেন স্কলারশিপ ও ভর্তি প্রস্তাব

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন? স্যাট পরীক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ, কত স্কোরে মিলবে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কলারশিপের সুযোগ

প্রেস রিলিজ নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে NUB Film and Photography Club-এর উদ্যোগে ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

অনার্সে বাংলা-ইতিহাস-দর্শন বন্ধ হচ্ছে না, গুজব উড়িয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, যেভাবে মিলবে ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, যেভাবে মিলবে ছুটি
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি, ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিলে টানা চার দিনের বিরতির সুযোগ।

এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের বিরতি পাওয়া সম্ভব।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক বার্ষিক ছুটির তালিকায় ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ওই দিন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তবে ২৪ সেপ্টেম্বর কোনো সাধারণ ছুটি নয়। সেদিন নিয়মিত কার্যক্রমে ফেরার কথা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের বিরতি তৈরি হবে।

এখানে একটি বিষয় নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে কোনো সাধারণ ছুটি রাখা হয়নি। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা বার্ষিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করে থাকে।

অর্থাৎ সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা আর স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা সব ক্ষেত্রে এক নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার মধুপূর্ণিমা পালিত হবে। কিন্তু দিনটি এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়েছে। তাই মধুপূর্ণিমা উপলক্ষে আলাদা করে আরেকটি ছুটি যোগ হচ্ছে না।

এ কারণেই ২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটির সঙ্গে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে চার দিনের বিরতির হিসাবটি সামনে এসেছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার: ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি।
  • ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার: নিয়মিত কার্যক্রম চলার কথা; ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকলে টানা ছুটি হতে পারে।
  • ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার: সাপ্তাহিক ছুটি।
  • ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার: সাপ্তাহিক ছুটি; একই দিনে মধুপূর্ণিমা।
  • ২৩–২৬ সেপ্টেম্বর: ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি পাওয়া গেলে টানা চার দিনের বিরতি সম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ভিন্ন। দেশের স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটির সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তাই ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ওই দিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে, আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক কার্যক্রমও চালিয়ে যেতে পারে।

এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বা ছুটির ক্যালেন্ডার দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

ছুটির হিসাবের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হয় সরকারি ছুটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি এবং ঐচ্ছিক ছুটিকে এক করে দেখলে। এই ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় আলাদা। ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ছুটি, ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়মিত কার্যদিবস এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি।

তাই চার দিনের ছুটির সুযোগটি সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও অনুমোদনের বিষয়টি মানতে হবে।

অরিজিনাল পর্যবেক্ষণ: এবারের ছুটির বিশেষত্ব আসলে নতুন কোনো দীর্ঘ সরকারি ছুটি তৈরি হওয়া নয়; বরং ক্যালেন্ডারে পাশাপাশি থাকা একটি নির্ধারিত ছুটি, একটি কার্যদিবস এবং দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়। ফলে ছুটির সংখ্যা না বাড়িয়েও অনেকের জন্য টানা বিশ্রামের সুযোগ তৈরি হচ্ছে—যা সাধারণ ছুটির তালিকা দেখলে প্রথম নজরে ধরা পড়ে না।

বিষয় : সেপ্টেম্বর ২০২৬ ছুটির তালিকা স্কুল কলেজ ছুটির তালিকা ৪ দিনের ছুটি ২০২৬ ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ছুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ, যেভাবে মিলবে ছুটি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের বিরতি পাওয়া সম্ভব।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক বার্ষিক ছুটির তালিকায় ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ওই দিন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তবে ২৪ সেপ্টেম্বর কোনো সাধারণ ছুটি নয়। সেদিন নিয়মিত কার্যক্রমে ফেরার কথা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের বিরতি তৈরি হবে।

এখানে একটি বিষয় নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে কোনো সাধারণ ছুটি রাখা হয়নি। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা বার্ষিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করে থাকে।

অর্থাৎ সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা আর স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা সব ক্ষেত্রে এক নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার মধুপূর্ণিমা পালিত হবে। কিন্তু দিনটি এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়েছে। তাই মধুপূর্ণিমা উপলক্ষে আলাদা করে আরেকটি ছুটি যোগ হচ্ছে না।

এ কারণেই ২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটির সঙ্গে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে চার দিনের বিরতির হিসাবটি সামনে এসেছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার: ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি।
  • ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার: নিয়মিত কার্যক্রম চলার কথা; ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকলে টানা ছুটি হতে পারে।
  • ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার: সাপ্তাহিক ছুটি।
  • ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার: সাপ্তাহিক ছুটি; একই দিনে মধুপূর্ণিমা।
  • ২৩–২৬ সেপ্টেম্বর: ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি পাওয়া গেলে টানা চার দিনের বিরতি সম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ভিন্ন। দেশের স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটির সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তাই ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ওই দিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে, আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক কার্যক্রমও চালিয়ে যেতে পারে।

এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বা ছুটির ক্যালেন্ডার দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

ছুটির হিসাবের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হয় সরকারি ছুটি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি এবং ঐচ্ছিক ছুটিকে এক করে দেখলে। এই ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় আলাদা। ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ছুটি, ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়মিত কার্যদিবস এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি।

তাই চার দিনের ছুটির সুযোগটি সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও অনুমোদনের বিষয়টি মানতে হবে।

অরিজিনাল পর্যবেক্ষণ: এবারের ছুটির বিশেষত্ব আসলে নতুন কোনো দীর্ঘ সরকারি ছুটি তৈরি হওয়া নয়; বরং ক্যালেন্ডারে পাশাপাশি থাকা একটি নির্ধারিত ছুটি, একটি কার্যদিবস এবং দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়। ফলে ছুটির সংখ্যা না বাড়িয়েও অনেকের জন্য টানা বিশ্রামের সুযোগ তৈরি হচ্ছে—যা সাধারণ ছুটির তালিকা দেখলে প্রথম নজরে ধরা পড়ে না।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর