এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের বিরতি পাওয়া সম্ভব।
তবে ২৪ সেপ্টেম্বর কোনো সাধারণ ছুটি নয়। সেদিন নিয়মিত কার্যক্রমে ফেরার কথা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের বিরতি তৈরি হবে।
অর্থাৎ সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা আর স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা সব ক্ষেত্রে এক নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
এ কারণেই ২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটির সঙ্গে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে চার দিনের বিরতির হিসাবটি সামনে এসেছে।
তাই ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ওই দিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে, আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক কার্যক্রমও চালিয়ে যেতে পারে।
এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বা ছুটির ক্যালেন্ডার দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
তাই চার দিনের ছুটির সুযোগটি সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও অনুমোদনের বিষয়টি মানতে হবে।
অরিজিনাল পর্যবেক্ষণ: এবারের ছুটির বিশেষত্ব আসলে নতুন কোনো দীর্ঘ সরকারি ছুটি তৈরি হওয়া নয়; বরং ক্যালেন্ডারে পাশাপাশি থাকা একটি নির্ধারিত ছুটি, একটি কার্যদিবস এবং দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়। ফলে ছুটির সংখ্যা না বাড়িয়েও অনেকের জন্য টানা বিশ্রামের সুযোগ তৈরি হচ্ছে—যা সাধারণ ছুটির তালিকা দেখলে প্রথম নজরে ধরা পড়ে না।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের বিরতি পাওয়া সম্ভব।
তবে ২৪ সেপ্টেম্বর কোনো সাধারণ ছুটি নয়। সেদিন নিয়মিত কার্যক্রমে ফেরার কথা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারলে পরের দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের বিরতি তৈরি হবে।
অর্থাৎ সরকারি অফিসের ছুটির তালিকা আর স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা সব ক্ষেত্রে এক নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
এ কারণেই ২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটির সঙ্গে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২৫–২৬ সেপ্টেম্বরের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে চার দিনের বিরতির হিসাবটি সামনে এসেছে।
তাই ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ওই দিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে, আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক কার্যক্রমও চালিয়ে যেতে পারে।
এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বা ছুটির ক্যালেন্ডার দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
তাই চার দিনের ছুটির সুযোগটি সবার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও অনুমোদনের বিষয়টি মানতে হবে।
অরিজিনাল পর্যবেক্ষণ: এবারের ছুটির বিশেষত্ব আসলে নতুন কোনো দীর্ঘ সরকারি ছুটি তৈরি হওয়া নয়; বরং ক্যালেন্ডারে পাশাপাশি থাকা একটি নির্ধারিত ছুটি, একটি কার্যদিবস এবং দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়। ফলে ছুটির সংখ্যা না বাড়িয়েও অনেকের জন্য টানা বিশ্রামের সুযোগ তৈরি হচ্ছে—যা সাধারণ ছুটির তালিকা দেখলে প্রথম নজরে ধরা পড়ে না।

আপনার মতামত লিখুন