দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ হিসাব থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ হিসাব থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, যারা আবেদন করতে পারবেন

স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল, ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ২ হাজার ১৫৮ টাকা

প্রবাসী আয়ে স্বস্তির ধারা, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৪১ বিলিয়ন ডলার

দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ হিসাব থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ হিসাব থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি
পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ বা অ্যাটাচ করা ব্যাংক হিসাব থেকে রাষ্ট্রের পাওনা আদায়ের পথ খুঁজবে সাত সদস্যের কমিটি।

বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের কোনো ব্যাংক হিসাব আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচ করা হলে, সেখান থেকে সরকারের পাওনা শুল্ক-কর কীভাবে আদায় করা যাবে—তা ঠিক করতে সাত সদস্যের আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।

আদালতের আদেশে অবরুদ্ধ ব্যাংক হিসাব থেকে রাষ্ট্রের প্রাপ্য অর্থ আদায়ের আইনি পথ খুঁজবে এই কমিটি। একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় সরকারের পাওনা আদায় সম্ভব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কীভাবে সমন্বয় বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ দেবে তারা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলকে। সদস্য হিসেবে থাকছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মানি লন্ডারিং শাখার মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি।

এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) মহাপরিচালক সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অর্থাৎ পাচার হওয়া অর্থের অনুসন্ধান, মানি লন্ডারিং তদন্ত, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, কর আদায় এবং আইনগত পদক্ষেপ—বিভিন্ন দিকের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচমেন্ট করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবে কমিটি।

এ জন্য বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করা হবে। কোথায় আইনগত জটিলতা রয়েছে, কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন এবং কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব—এসব বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিটি।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ দেওয়া হবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ বা সম্পদ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণত একাধিক সরকারি সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। অর্থের উৎস, লেনদেনের পথ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য এবং আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ সম্পদের ব্যবস্থাপনা—প্রতিটি ধাপেই আলাদা সংস্থার ভূমিকা থাকে।

এ কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কোনো সম্পদ আদালতের আদেশে ফ্রিজ হওয়ার পর সেটি থেকে সরকারের বৈধ পাওনা কীভাবে আদায় করা হবে। নতুন কমিটির মূল কাজগুলোর একটি হবে এই জায়গায় আইনি ও প্রশাসনিক পথ স্পষ্ট করা।

এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো, কমিটি গঠন মানেই ফ্রিজ করা সব অর্থ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কর আদায় শুরু হচ্ছে না। বরং বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করে কোন অর্থ বা সম্পদ থেকে রাষ্ট্রের পাওনা আদায়ের সুযোগ আছে এবং তার জন্য কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, সেটিই নির্ধারণ করবে কমিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে আদালতের আদেশে অর্থ বা সম্পদ অবরুদ্ধ হওয়ার পর বিভিন্ন সংস্থার এখতিয়ার, আইনি প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ সুপারিশ করবে কমিটি।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • পাচার হওয়া সম্পদের ফ্রিজ বা অ্যাটাচ করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের পাওনা আদায়ের পথ খুঁজবে কমিটি।

  • অ্যাটর্নি জেনারেলকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • দুদক, বিএফআইইউ, এনবিআর, সিআইডি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধিরা এতে থাকছেন।

  • বিদ্যমান আইন-বিধি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের সুপারিশ করবে কমিটি।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের আলোচনা সাধারণত কত টাকা ফেরত আনা গেল, তা ঘিরেই বেশি হয়। কিন্তু রাষ্ট্রের পাওনা কর ও শুল্ক আদায়ের বিষয়টিও এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি সেই অর্থের ওপর সরকারের বৈধ পাওনা নিশ্চিত করার জন্য পরিষ্কার আইনগত প্রক্রিয়া থাকা জরুরি।

মূল পর্যবেক্ষণ: এই কমিটির সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হতে পারে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য ও ক্ষমতাকে এক জায়গায় আনা। অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে টাকা কোথা থেকে গেল, কোথায় গেল এবং কীভাবে ফেরত আনা হবে—এই তিন ধাপের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাওনা আদায়ের বিষয়টি যুক্ত করতে পারলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

বিষয় : অর্থ পাচার পাচার হওয়া অর্থ মানি লন্ডারিং ফ্রিজ ব্যাংক হিসাব কর আদায়

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাচার হওয়া অর্থের ফ্রিজ হিসাব থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের কোনো ব্যাংক হিসাব আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচ করা হলে, সেখান থেকে সরকারের পাওনা শুল্ক-কর কীভাবে আদায় করা যাবে—তা ঠিক করতে সাত সদস্যের আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।

আদালতের আদেশে অবরুদ্ধ ব্যাংক হিসাব থেকে রাষ্ট্রের প্রাপ্য অর্থ আদায়ের আইনি পথ খুঁজবে এই কমিটি। একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় সরকারের পাওনা আদায় সম্ভব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কীভাবে সমন্বয় বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ দেবে তারা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলকে। সদস্য হিসেবে থাকছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মানি লন্ডারিং শাখার মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি।

এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) মহাপরিচালক সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অর্থাৎ পাচার হওয়া অর্থের অনুসন্ধান, মানি লন্ডারিং তদন্ত, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, কর আদায় এবং আইনগত পদক্ষেপ—বিভিন্ন দিকের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের মধ্যে আদালতের আদেশে ফ্রিজ বা অ্যাটাচমেন্ট করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবে কমিটি।

এ জন্য বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করা হবে। কোথায় আইনগত জটিলতা রয়েছে, কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন এবং কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব—এসব বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিটি।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ দেওয়া হবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ বা সম্পদ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণত একাধিক সরকারি সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। অর্থের উৎস, লেনদেনের পথ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য এবং আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ সম্পদের ব্যবস্থাপনা—প্রতিটি ধাপেই আলাদা সংস্থার ভূমিকা থাকে।

এ কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কোনো সম্পদ আদালতের আদেশে ফ্রিজ হওয়ার পর সেটি থেকে সরকারের বৈধ পাওনা কীভাবে আদায় করা হবে। নতুন কমিটির মূল কাজগুলোর একটি হবে এই জায়গায় আইনি ও প্রশাসনিক পথ স্পষ্ট করা।

এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো, কমিটি গঠন মানেই ফ্রিজ করা সব অর্থ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কর আদায় শুরু হচ্ছে না। বরং বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করে কোন অর্থ বা সম্পদ থেকে রাষ্ট্রের পাওনা আদায়ের সুযোগ আছে এবং তার জন্য কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, সেটিই নির্ধারণ করবে কমিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রাপ্য শুল্ক ও কর আদায়ের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে আদালতের আদেশে অর্থ বা সম্পদ অবরুদ্ধ হওয়ার পর বিভিন্ন সংস্থার এখতিয়ার, আইনি প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ সুপারিশ করবে কমিটি।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • পাচার হওয়া সম্পদের ফ্রিজ বা অ্যাটাচ করা ব্যাংক হিসাব থেকে সরকারের পাওনা আদায়ের পথ খুঁজবে কমিটি।

  • অ্যাটর্নি জেনারেলকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • দুদক, বিএফআইইউ, এনবিআর, সিআইডি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধিরা এতে থাকছেন।

  • বিদ্যমান আইন-বিধি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের সুপারিশ করবে কমিটি।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের আলোচনা সাধারণত কত টাকা ফেরত আনা গেল, তা ঘিরেই বেশি হয়। কিন্তু রাষ্ট্রের পাওনা কর ও শুল্ক আদায়ের বিষয়টিও এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি সেই অর্থের ওপর সরকারের বৈধ পাওনা নিশ্চিত করার জন্য পরিষ্কার আইনগত প্রক্রিয়া থাকা জরুরি।

মূল পর্যবেক্ষণ: এই কমিটির সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হতে পারে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য ও ক্ষমতাকে এক জায়গায় আনা। অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে টাকা কোথা থেকে গেল, কোথায় গেল এবং কীভাবে ফেরত আনা হবে—এই তিন ধাপের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাওনা আদায়ের বিষয়টি যুক্ত করতে পারলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর