দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগেও বহাল

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগেও বহাল

সরকারের হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার, মিলবে আইনি সুরক্ষাও

আওয়ামী লীগের মিছিল হবে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরদিন বগুড়ায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশের ৮ বিভাগে বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে ভ্যাপসা গরম

ফরিদপুরে ভাতিজা হত্যার আড়াই মাস পর চাচাকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩

কুমিল্লায় পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুর থেকে কিশোরের গলিত মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা

ফরিদপুরে ৩ কার্টন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির ৬ টুকরো মরদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী নিখোঁজ

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগেও বহাল

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগেও বহাল
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি কেটে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ আপাতত থেমেই থাকছে। সৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ ও সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার ভেতরে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টে জারি করা রুল দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় সড়ক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চেয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে শুনানিতে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অবকাশ শেষে আদালত খোলার পর দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে সংশ্লিষ্ট রুল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। আদালতের অবকাশ শেষে ২৫ অক্টোবরের পর দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফলে এর মধ্যে সড়ক নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না।

বেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত এলাকায় ওই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ‘নগর উন্নয়ন ও নগর শাসন প্রকল্প’-এর আওতায় নির্মাণের কথা ছিল। বেলার দাবি, প্রকল্পটিতে জাইকার অর্থায়ন রয়েছে এবং সড়ক নির্মাণের জন্য সৈকতের বড় একটি অংশ ভরাট করা হয়েছে।

এ নিয়ে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে আপত্তি তৈরি হয়।

সড়ক নির্মাণের জন্য সৈকতের দীর্ঘদিনের বালিয়াড়ি এক্সক্যাভেটর দিয়ে কেটে ফেলার অভিযোগ করেছে বেলা। সংগঠনটির ভাষ্য, এসব বালিয়াড়ি উপকূলকে প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষা দেওয়ার অন্যতম ঢাল হিসেবে কাজ করে।

শুধু বালিয়াড়ি নয়, সৈকতের পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত সাগরলতা, লাল কাঁকড়া ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, পর্যটন এলাকার উন্নয়ন করতে গিয়ে এমন অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, যা শেষ পর্যন্ত সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশকেই দুর্বল করে দিতে পারে।

কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সৈকতের বালিয়াড়ি ও প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে উন্নয়ন কতটা টেকসই হবে—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

কারণ একটি সড়ক নির্মাণ করা গেলে তার সুবিধা দৃশ্যমান হয়, কিন্তু একটি বালিয়াড়ি ধ্বংসের পরিবেশগত ক্ষতি অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়ে না। বালিয়াড়ি উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হওয়ায় এগুলো নষ্ট হলে ভবিষ্যতে সৈকতের পরিবেশ ও উপকূলীয় স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব পড়বে, সেটিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

বেলা জানিয়েছে, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে এর আগে সুপ্রিম কোর্ট একাধিক রায় ও আদেশ দিয়েছেন। সংগঠনটির দাবি, এসব আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই জনস্বার্থে সড়ক নির্মাণের বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে ১.৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল।

  • আপিল বিভাগও নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেননি।

  • হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

  • ২৫ অক্টোবরের পর দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • বেলার অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে বালিয়াড়ি ও সৈকতের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় উন্নয়ন দরকার, কিন্তু সেই উন্নয়নের সঙ্গে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার ভারসাম্যও জরুরি। পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করতে নতুন সড়ক তৈরি করা গেলেও সৈকতের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট হলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।

মূল পর্যবেক্ষণ: কক্সবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় শুধু ‘কোথায় সড়ক হবে’—এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়; ‘কোন জায়গা অক্ষত রাখলে সৈকত আগামী কয়েক দশক নিরাপদ থাকবে’—সেই প্রশ্নটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের আদেশের পর এই পরিবেশগত দিকটি নতুন করে আলোচনায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিষয় : কক্সবাজার সৈকত, কক্সবাজার সড়ক নির্মাণ আপিল বিভাগ বালিয়াড়ি পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগেও বহাল

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি কেটে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ আপাতত থেমেই থাকছে। সৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ ও সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার ভেতরে সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টে জারি করা রুল দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় সড়ক নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চেয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে শুনানিতে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী জানান, আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অবকাশ শেষে আদালত খোলার পর দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে সংশ্লিষ্ট রুল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। আদালতের অবকাশ শেষে ২৫ অক্টোবরের পর দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফলে এর মধ্যে সড়ক নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না।

বেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত এলাকায় ওই সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ‘নগর উন্নয়ন ও নগর শাসন প্রকল্প’-এর আওতায় নির্মাণের কথা ছিল। বেলার দাবি, প্রকল্পটিতে জাইকার অর্থায়ন রয়েছে এবং সড়ক নির্মাণের জন্য সৈকতের বড় একটি অংশ ভরাট করা হয়েছে।

এ নিয়ে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে আপত্তি তৈরি হয়।

সড়ক নির্মাণের জন্য সৈকতের দীর্ঘদিনের বালিয়াড়ি এক্সক্যাভেটর দিয়ে কেটে ফেলার অভিযোগ করেছে বেলা। সংগঠনটির ভাষ্য, এসব বালিয়াড়ি উপকূলকে প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষা দেওয়ার অন্যতম ঢাল হিসেবে কাজ করে।

শুধু বালিয়াড়ি নয়, সৈকতের পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত সাগরলতা, লাল কাঁকড়া ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, পর্যটন এলাকার উন্নয়ন করতে গিয়ে এমন অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, যা শেষ পর্যন্ত সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশকেই দুর্বল করে দিতে পারে।

কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সৈকতের বালিয়াড়ি ও প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে উন্নয়ন কতটা টেকসই হবে—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

কারণ একটি সড়ক নির্মাণ করা গেলে তার সুবিধা দৃশ্যমান হয়, কিন্তু একটি বালিয়াড়ি ধ্বংসের পরিবেশগত ক্ষতি অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়ে না। বালিয়াড়ি উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হওয়ায় এগুলো নষ্ট হলে ভবিষ্যতে সৈকতের পরিবেশ ও উপকূলীয় স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব পড়বে, সেটিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

বেলা জানিয়েছে, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে এর আগে সুপ্রিম কোর্ট একাধিক রায় ও আদেশ দিয়েছেন। সংগঠনটির দাবি, এসব আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই জনস্বার্থে সড়ক নির্মাণের বিরুদ্ধে রিট করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে ১.৬ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বহাল।

  • আপিল বিভাগও নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেননি।

  • হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

  • ২৫ অক্টোবরের পর দুই সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • বেলার অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে বালিয়াড়ি ও সৈকতের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় উন্নয়ন দরকার, কিন্তু সেই উন্নয়নের সঙ্গে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার ভারসাম্যও জরুরি। পর্যটকদের যাতায়াত সহজ করতে নতুন সড়ক তৈরি করা গেলেও সৈকতের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট হলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।

মূল পর্যবেক্ষণ: কক্সবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় শুধু ‘কোথায় সড়ক হবে’—এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়; ‘কোন জায়গা অক্ষত রাখলে সৈকত আগামী কয়েক দশক নিরাপদ থাকবে’—সেই প্রশ্নটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আদালতের আদেশের পর এই পরিবেশগত দিকটি নতুন করে আলোচনায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর