বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠেয় আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত করেছে ওমান। সোমবার ওমানের সালালায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ পরিচালনা, জাহাজ চলাচল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে কোন কোন দেশ এতে অংশ নেবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী সহযোগিতায় অবদান রাখে—এমন সংলাপ এগিয়ে নিতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তবে বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময় জানানো হয়নি।
এদিকে বাহরাইন আগেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা বৈঠকে অংশ নেবে না। ফলে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সংখ্যা ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে যেকোনো আলোচনা আঞ্চলিক রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই এ ধরনের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানির দাম, পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।
যুদ্ধের আগে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ইরানের শর্ত না মানা জাহাজগুলো হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রও বিভিন্ন সময়ে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়তে পারে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠেয় আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত করেছে ওমান। সোমবার ওমানের সালালায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ পরিচালনা, জাহাজ চলাচল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে কোন কোন দেশ এতে অংশ নেবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী সহযোগিতায় অবদান রাখে—এমন সংলাপ এগিয়ে নিতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তবে বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময় জানানো হয়নি।
এদিকে বাহরাইন আগেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা বৈঠকে অংশ নেবে না। ফলে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সংখ্যা ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে যেকোনো আলোচনা আঞ্চলিক রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই এ ধরনের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানির দাম, পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।
যুদ্ধের আগে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ইরানের শর্ত না মানা জাহাজগুলো হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রও বিভিন্ন সময়ে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন