কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের পর নিখোঁজ এক অটোরিকশাচালকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নের বিনয়ঘর গ্রামের উত্তরপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ আরমান হোসেন নামের ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের স্বজনরা পরনের কাপড় দেখে মরদেহটি তাদের স্বজনের বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করেছেন। তবে পুলিশ এখনো পরিচয় নিশ্চিত করেনি। পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।
গাছ কাটা শেষে পুকুরপাড় দিয়ে গাছ সরানোর সময় কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন তারা। এ সময় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।
খবর পেয়ে মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে রাত ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
নিহতের নানা মুশফিকুর রহমান মানছুর দাবি করেন, মরদেহটি তার নাতি আরমান হোসেনের হতে পারে। আরমানের বয়স ১৫ বছর। তার বাড়ি সিলেটে হলেও তিনি নানার বাড়িতে থেকে মিশুক বা অটোরিকশা চালাতেন।
প্রায় এক মাস ১৬ দিন আগে নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে অটোরিকশাসহ আরমান নিখোঁজ হন বলে জানান তার নানা। এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে পরনের কাপড় দেখে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেলেও মরদেহটি আরমানের কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তবে মনোহরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি আরমানের কি না, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদ আহমেদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মরদেহটি কচুরিপানার নিচে চাপা অবস্থায় ছিল। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে মরদেহের পরিচয়, নিখোঁজ কিশোর আরমানের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র এবং ঘটনার পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার আগে মরদেহটি আরমানের—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত, নিখোঁজ মামলার তথ্য এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ—সবকিছু মিলিয়ে প্রকৃত ঘটনা বের করার সুযোগ তৈরি হবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের পর নিখোঁজ এক অটোরিকশাচালকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নের বিনয়ঘর গ্রামের উত্তরপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ আরমান হোসেন নামের ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের স্বজনরা পরনের কাপড় দেখে মরদেহটি তাদের স্বজনের বলে প্রাথমিকভাবে দাবি করেছেন। তবে পুলিশ এখনো পরিচয় নিশ্চিত করেনি। পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।
গাছ কাটা শেষে পুকুরপাড় দিয়ে গাছ সরানোর সময় কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন তারা। এ সময় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।
খবর পেয়ে মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে রাত ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
নিহতের নানা মুশফিকুর রহমান মানছুর দাবি করেন, মরদেহটি তার নাতি আরমান হোসেনের হতে পারে। আরমানের বয়স ১৫ বছর। তার বাড়ি সিলেটে হলেও তিনি নানার বাড়িতে থেকে মিশুক বা অটোরিকশা চালাতেন।
প্রায় এক মাস ১৬ দিন আগে নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে অটোরিকশাসহ আরমান নিখোঁজ হন বলে জানান তার নানা। এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে পরনের কাপড় দেখে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেলেও মরদেহটি আরমানের কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তবে মনোহরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি আরমানের কি না, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদ আহমেদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মরদেহটি কচুরিপানার নিচে চাপা অবস্থায় ছিল। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে মরদেহের পরিচয়, নিখোঁজ কিশোর আরমানের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র এবং ঘটনার পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার আগে মরদেহটি আরমানের—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্ত, নিখোঁজ মামলার তথ্য এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ—সবকিছু মিলিয়ে প্রকৃত ঘটনা বের করার সুযোগ তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন