মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে রিনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সুমন সরকারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জেরে রিনাকে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়ে গেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত রিনা আক্তার ওই গ্রামের সুমন সরকারের স্ত্রী। তিনি উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বৈদ্যারগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মেয়ে। তার সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। কখনো কখনো তা শারীরিক বিরোধেও গড়াত।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, রাতে তাদের মধ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না। শনিবার সকালে সুমনের মেয়ে সিনহা কান্নাকাটি করলে তিনি ঘরে গিয়ে রিনার নিথর দেহ দেখতে পান।
তবে রিনা কীভাবে মারা গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।
তার দাবি, এসব বিরোধের জের ধরে রিনাকে হত্যা করে সুমন পালিয়ে গেছেন। তিনি মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর বিচার দাবি করেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে সুমনের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তবে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।
তিনি জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশের তদন্তে পারিবারিক বিরোধ, ঘটনার আগের সময়ের পরিস্থিতি, স্বামীর অবস্থান এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গুরুত্ব পাবে।
এ ধরনের ঘটনায় শুধু মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ নয়, এর আগে কোনো নির্যাতনের অভিযোগ ছিল কি না, পরিবার বা স্থানীয়ভাবে কেউ বিষয়টি জানতেন কি না—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে প্রতিবেশী, আত্মীয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য তদন্তে সহায়ক হতে পারে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে রিনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সুমন সরকারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জেরে রিনাকে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়ে গেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত রিনা আক্তার ওই গ্রামের সুমন সরকারের স্ত্রী। তিনি উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বৈদ্যারগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মেয়ে। তার সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। কখনো কখনো তা শারীরিক বিরোধেও গড়াত।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, রাতে তাদের মধ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না। শনিবার সকালে সুমনের মেয়ে সিনহা কান্নাকাটি করলে তিনি ঘরে গিয়ে রিনার নিথর দেহ দেখতে পান।
তবে রিনা কীভাবে মারা গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।
তার দাবি, এসব বিরোধের জের ধরে রিনাকে হত্যা করে সুমন পালিয়ে গেছেন। তিনি মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর বিচার দাবি করেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে সুমনের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তবে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।
তিনি জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশের তদন্তে পারিবারিক বিরোধ, ঘটনার আগের সময়ের পরিস্থিতি, স্বামীর অবস্থান এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গুরুত্ব পাবে।
এ ধরনের ঘটনায় শুধু মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ নয়, এর আগে কোনো নির্যাতনের অভিযোগ ছিল কি না, পরিবার বা স্থানীয়ভাবে কেউ বিষয়টি জানতেন কি না—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে প্রতিবেশী, আত্মীয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য তদন্তে সহায়ক হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন