দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ; পাঁচ দশক পরও তাঁর সৃষ্টি বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদর ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিদ্রোহী এই কবি।

মৃত্যুর পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে নজরুলের লেখা এখনো মানুষের মনে শক্তি জোগায়। কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে তিনি যে মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তা আজও আলোচিত।

১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নজরুল। শৈশবে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করলেও সেটি তাঁর সৃষ্টিশীলতাকে থামাতে পারেনি।

কবিতা ও গানের পাশাপাশি তিনি লিখেছেন নাটক, হামদ, নাথ, গজল ও শ্যামাসংগীত। বাংলা সাহিত্যের নানা শাখায় তাঁর বিচরণ তাঁকে অনন্য অবস্থানে নিয়ে যায়।

নজরুলের সক্রিয় সৃষ্টিশীল সময়কাল ছিল প্রায় ২৩ বছর। এই অল্প সময়েই তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি রেখে গেছেন।

তাঁর লেখায় একদিকে যেমন বিদ্রোহের ভাষা রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে প্রেম, মানবতা ও সাম্যের কথা। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তাঁকে বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসে বিশেষ জায়গা দিয়েছে।

নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: নজরুলের সবচেয়ে বড় শক্তির একটি ছিল—তিনি শুধু প্রতিবাদের কথা বলেননি, মানুষের ভেতরের সাহসকেও জাগিয়ে তুলেছেন। তাই সময় বদলালেও অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছেও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। তাঁকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা এবং ঢাকার ধানমন্ডিতে বসবাসের জন্য বাড়ি দেওয়া হয়।

১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে নাগরিকত্ব দেয়। একই বছর তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ???? জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯
  • ???? জন্মস্থান: চুরুলিয়া, বর্ধমান
  • ???????? ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে আগমন
  • ???? ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট
  • ???? ১৯৭৬ সালে একুশে পদক
  • ????️ মৃত্যু: ১২ ভাদর ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
  • আজ তাঁর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

নজরুলকে শুধু একটি বিশেষ দিবসে স্মরণ না করে তাঁর সাম্য, মানবতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার বার্তাগুলো দৈনন্দিন জীবনে ধারণ করাই হতে পারে তাঁর প্রতি সবচেয়ে অর্থবহ শ্রদ্ধা।

বিষয় : কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয় কবি নজরুল নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদর ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিদ্রোহী এই কবি।

মৃত্যুর পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে নজরুলের লেখা এখনো মানুষের মনে শক্তি জোগায়। কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে তিনি যে মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তা আজও আলোচিত।

১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নজরুল। শৈশবে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করলেও সেটি তাঁর সৃষ্টিশীলতাকে থামাতে পারেনি।

কবিতা ও গানের পাশাপাশি তিনি লিখেছেন নাটক, হামদ, নাথ, গজল ও শ্যামাসংগীত। বাংলা সাহিত্যের নানা শাখায় তাঁর বিচরণ তাঁকে অনন্য অবস্থানে নিয়ে যায়।

নজরুলের সক্রিয় সৃষ্টিশীল সময়কাল ছিল প্রায় ২৩ বছর। এই অল্প সময়েই তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি রেখে গেছেন।

তাঁর লেখায় একদিকে যেমন বিদ্রোহের ভাষা রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে প্রেম, মানবতা ও সাম্যের কথা। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান তাঁকে বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাসে বিশেষ জায়গা দিয়েছে।

নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: নজরুলের সবচেয়ে বড় শক্তির একটি ছিল—তিনি শুধু প্রতিবাদের কথা বলেননি, মানুষের ভেতরের সাহসকেও জাগিয়ে তুলেছেন। তাই সময় বদলালেও অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছেও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। তাঁকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা এবং ঢাকার ধানমন্ডিতে বসবাসের জন্য বাড়ি দেওয়া হয়।

১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে নাগরিকত্ব দেয়। একই বছর তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ???? জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯
  • ???? জন্মস্থান: চুরুলিয়া, বর্ধমান
  • ???????? ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে আগমন
  • ???? ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট
  • ???? ১৯৭৬ সালে একুশে পদক
  • ????️ মৃত্যু: ১২ ভাদর ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
  • আজ তাঁর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

নজরুলকে শুধু একটি বিশেষ দিবসে স্মরণ না করে তাঁর সাম্য, মানবতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার বার্তাগুলো দৈনন্দিন জীবনে ধারণ করাই হতে পারে তাঁর প্রতি সবচেয়ে অর্থবহ শ্রদ্ধা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর