ময়মনসিংহের ত্রিশাল যেন এখন এক অন্য রূপে সাজছে। সড়কের দুই পাশে তোরণ, আলোকসজ্জা, ব্যানার-ফেস্টুন আর মানুষের কৌতূহলী ভিড়—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ পুরো জেলাজুড়ে। কারণ, শনিবার (২৩ মে) প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ঐতিহাসিক ‘ধরার খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন এবং দলীয় সাংগঠনিক সভা—সব মিলিয়ে দিনটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।
[TECHTARANGA-POST:1435
সরকারি সূত্র বলছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ময়মনসিংহ সফর। ফলে প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী—সবাই এখন ব্যস্ত প্রস্তুতিতে। বিশেষ করে ত্রিশাল এলাকায় নিরাপত্তা ও সাজসজ্জায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি উদ্যোগ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টায় তিনি সড়কপথে ঢাকা থেকে ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন।
সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে দুপুর ১২টায় বৈলর ইউনিয়নে ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন তিনি। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিল। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং কৃষিকাজে পানির সংকটের বিষয়টিও স্থানীয়ভাবে আলোচিত ছিল। এমন বাস্তবতায় খাল পুনঃখননকে স্থানীয়রা উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
খাল উদ্বোধনের পর সেখানে একটি সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এই কর্মসূচিতে বিপুল মানুষের উপস্থিতি হতে পারে।
দুপুর ২টায় ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় অল্প সময়ের বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন ঘিরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন। থাকবে কবিতা আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশনা, নাট্যাংশ এবং নজরুলের সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা।
ত্রিশালবাসীর অনেকেই বলছেন, নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত ছিল। এবার রাষ্ট্রীয় আয়োজনে জন্মজয়ন্তী উদযাপন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আলাদা আবেগ কাজ করছে।
ত্রিশাল ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তৈরি করা হয়েছে বর্ণিল তোরণ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক ব্যানারে ছেয়ে গেছে সড়ক।
নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও বইমেলা। আয়োজকদের দাবি, ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক স্টল বসানো হয়েছে। খেলনা, লোকজ পণ্য, বই, হস্তশিল্প ও খাবারের দোকানে জমতে শুরু করেছে মানুষের ভিড়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই আয়োজনকে ঘিরে তাদের বিক্রি বেড়েছে। হোটেল-মোটেল ও পরিবহন খাতেও ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ত্রিশালের অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
একজন স্থানীয় দোকানি বলেন, “অনেক বছর পর ত্রিশালে এত বড় আয়োজন হচ্ছে। বাইরে থেকে মানুষ আসছে। ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।”
সফরের শেষ কর্মসূচিতে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির বিশেষ সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর শুধু সাংস্কৃতিক বা প্রশাসনিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক শক্তি যাচাই, নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা এবং আগামী রাজনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যদিও দলীয় নেতারা বলছেন, এটি মূলত সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক সফর। তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই আশা করছেন, ময়মনসিংহ ও ত্রিশালের উন্নয়ন নিয়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে পুরো জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল এবং প্রবেশপথে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সফর উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনায় আলাদা টিম কাজ করছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের একটি অংশ বলছে, বড় রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় আয়োজনের সময় প্রায়ই সাধারণ যাতায়াতে ভোগান্তি তৈরি হয়। তাই নিরাপত্তার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও প্রশাসনের নজর রাখা প্রয়োজন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে একসঙ্গে তিনটি বার্তা সামনে আসছে—সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও রাজনীতি। নজরুল জন্মজয়ন্তীর মতো জাতীয় সাংস্কৃতিক আয়োজনকে ত্রিশালে ফিরিয়ে আনা যেমন সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করছে, তেমনি খাল পুনঃখননের মতো প্রকল্প স্থানীয় উন্নয়ন আলোচনাকেও সামনে এনেছে।
অন্যদিকে দলীয় সাংগঠনিক সভা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে বলছেন, শুধু অনুষ্ঠান নয়, সফরের পর বাস্তব উন্নয়ন কাজ দৃশ্যমান হলে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল যেন এখন এক অন্য রূপে সাজছে। সড়কের দুই পাশে তোরণ, আলোকসজ্জা, ব্যানার-ফেস্টুন আর মানুষের কৌতূহলী ভিড়—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ পুরো জেলাজুড়ে। কারণ, শনিবার (২৩ মে) প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ঐতিহাসিক ‘ধরার খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন এবং দলীয় সাংগঠনিক সভা—সব মিলিয়ে দিনটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।
[TECHTARANGA-POST:1435
সরকারি সূত্র বলছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ময়মনসিংহ সফর। ফলে প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী—সবাই এখন ব্যস্ত প্রস্তুতিতে। বিশেষ করে ত্রিশাল এলাকায় নিরাপত্তা ও সাজসজ্জায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি উদ্যোগ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টায় তিনি সড়কপথে ঢাকা থেকে ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন।
সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে দুপুর ১২টায় বৈলর ইউনিয়নে ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন তিনি। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খালটি অব্যবস্থাপনার কারণে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিল। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং কৃষিকাজে পানির সংকটের বিষয়টিও স্থানীয়ভাবে আলোচিত ছিল। এমন বাস্তবতায় খাল পুনঃখননকে স্থানীয়রা উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
খাল উদ্বোধনের পর সেখানে একটি সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এই কর্মসূচিতে বিপুল মানুষের উপস্থিতি হতে পারে।
দুপুর ২টায় ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় অল্প সময়ের বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন ঘিরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন। থাকবে কবিতা আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশনা, নাট্যাংশ এবং নজরুলের সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা।
ত্রিশালবাসীর অনেকেই বলছেন, নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত ছিল। এবার রাষ্ট্রীয় আয়োজনে জন্মজয়ন্তী উদযাপন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আলাদা আবেগ কাজ করছে।
ত্রিশাল ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তৈরি করা হয়েছে বর্ণিল তোরণ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক ব্যানারে ছেয়ে গেছে সড়ক।
নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও বইমেলা। আয়োজকদের দাবি, ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক স্টল বসানো হয়েছে। খেলনা, লোকজ পণ্য, বই, হস্তশিল্প ও খাবারের দোকানে জমতে শুরু করেছে মানুষের ভিড়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই আয়োজনকে ঘিরে তাদের বিক্রি বেড়েছে। হোটেল-মোটেল ও পরিবহন খাতেও ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ত্রিশালের অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
একজন স্থানীয় দোকানি বলেন, “অনেক বছর পর ত্রিশালে এত বড় আয়োজন হচ্ছে। বাইরে থেকে মানুষ আসছে। ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।”
সফরের শেষ কর্মসূচিতে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির বিশেষ সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর শুধু সাংস্কৃতিক বা প্রশাসনিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক শক্তি যাচাই, নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা এবং আগামী রাজনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যদিও দলীয় নেতারা বলছেন, এটি মূলত সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক সফর। তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই আশা করছেন, ময়মনসিংহ ও ত্রিশালের উন্নয়ন নিয়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে পুরো জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল এবং প্রবেশপথে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সফর উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনায় আলাদা টিম কাজ করছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের একটি অংশ বলছে, বড় রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় আয়োজনের সময় প্রায়ই সাধারণ যাতায়াতে ভোগান্তি তৈরি হয়। তাই নিরাপত্তার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও প্রশাসনের নজর রাখা প্রয়োজন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে একসঙ্গে তিনটি বার্তা সামনে আসছে—সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও রাজনীতি। নজরুল জন্মজয়ন্তীর মতো জাতীয় সাংস্কৃতিক আয়োজনকে ত্রিশালে ফিরিয়ে আনা যেমন সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করছে, তেমনি খাল পুনঃখননের মতো প্রকল্প স্থানীয় উন্নয়ন আলোচনাকেও সামনে এনেছে।
অন্যদিকে দলীয় সাংগঠনিক সভা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে বলছেন, শুধু অনুষ্ঠান নয়, সফরের পর বাস্তব উন্নয়ন কাজ দৃশ্যমান হলে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন।

আপনার মতামত লিখুন