দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শেখ মোহাম্মদ মাজেদুল হক যিনি -মাজেদুল হক  নামে অধিক পরিচিত

শেখ মোহাম্মদ মাজেদুল হক যিনি -মাজেদুল হক নামে অধিক পরিচিত "বিরহী কবি" উপাধিতে সমধিক খ্যাত ও সমাদৃত।

মহাখালী সাততলা ফাঁড়িতে অপকর্মের পাহাড়: পোশাকের আড়ালে ‘অসীম-গং’-এর মাদক ও ফিটিং বাণিজ্য!

চার সাংবাদিকের স্মরণে খিলক্ষেত প্রেস ক্লাবে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

নাসিরনগরে হাডুডু খেলা শেষে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১২–১৫ জন; পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পুলিশ

উজানচর কংশ নারায়ণ উচ্চবিদ্যালয়ে মরণোত্তর সম্মাননা ও শিক্ষক বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত, বাসচালক পলাতক

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

নূরুল আনোয়ার ওয়াকফ স্টেটের সম্পত্তি দখল ও অনিয়মের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য

ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
ভোলায় অভিযানে উদ্ধার হওয়া গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ফুলকাচিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মো. নজরুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি মৃত শাহজাহানের ছেলে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।


মাদকবিরোধী অভিযানে আটক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ভোলা জানায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের একপর্যায়ে ফুলকাচিয়া এলাকার একটি স্থান থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়

আটকের পর তাকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও কারাভোগের নির্দেশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

স্থানীয়দের উদ্বেগ

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মত, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা ও পুনর্বাসনমূলক উদ্যোগও বাড়ানো প্রয়োজন। শুধুমাত্র শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার পূর্ণ সমাধান দিতে পারে না বলেও মনে করেন তারা।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলছে অধিদপ্তর

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভোলা জানিয়েছে, সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা হবে।

বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

বিষয় : ভ্রাম্যমাণ আদালত ভোলা মাদক অভিযান বোরহানউদ্দিন গাঁজা উদ্ধার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ফুলকাচিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মো. নজরুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি মৃত শাহজাহানের ছেলে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।


মাদকবিরোধী অভিযানে আটক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ভোলা জানায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের একপর্যায়ে ফুলকাচিয়া এলাকার একটি স্থান থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়

আটকের পর তাকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে তাকে ৩ মাস ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও কারাভোগের নির্দেশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

স্থানীয়দের উদ্বেগ

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মত, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা ও পুনর্বাসনমূলক উদ্যোগও বাড়ানো প্রয়োজন। শুধুমাত্র শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার পূর্ণ সমাধান দিতে পারে না বলেও মনে করেন তারা।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলছে অধিদপ্তর

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভোলা জানিয়েছে, সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা হবে।

বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর