দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

আর্কাইভ দেখুন

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গুম, খুন ও আন্দোলনে নিহত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসব পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা ও ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন আমিনুল হক। তিনি তাদের বর্তমান অবস্থা, পারিবারিক সংকট এবং জীবনের নানা বাস্তব সমস্যার কথা শোনেন। এ সময় পরিবেশ আবেগঘন হয়ে ওঠে।“পরিবারগুলো কখনো একা নয়”অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমিনুল হক বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী নেতাকর্মীদের পরিবারের প্রতি রাজনৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, “যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন কিংবা গুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের পরিবার কখনো একা নয়। বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে।”তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ সমাজের সব মানুষের ঘরে পৌঁছানো উচিত। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।তার বক্তব্যের সময় উপস্থিত অনেক পরিবার সদস্যকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞ পরিবারগুলোসহায়তা পাওয়া পরিবারগুলোর সদস্যরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা নানা সংকটের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছেন। অনেক পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারানোর কারণে অর্থনৈতিক চাপও বেড়েছে।এ সময় কয়েকজন স্বজন হারানোর স্মৃতিচারণ করেন। তারা বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা বা গুমের ঘটনায় পরিবারগুলো শুধু একজন মানুষকে হারায় না, বরং হারায় নিরাপত্তা, স্থিতি ও ভবিষ্যতের ভরসাও।সহায়তা পেয়ে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আহ্বান জানান।রাজনৈতিক ও মানবিক বার্তারাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের মতো বড় ধর্মীয় উৎসবের আগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো একদিকে মানবিক উদ্যোগ, অন্যদিকে রাজনৈতিক সহমর্মিতারও বার্তা বহন করে।তারা বলছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বা গুমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন আলোচনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মানসিক ও সামাজিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।তবে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এসব পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।ঈদকে ঘিরে বাড়ছে সহায়তা কার্যক্রমঈদুল আযহা সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নানা সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে। বিশেষ করে অসচ্ছল, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বজনহারা পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, উৎসবের সময় সহমর্মিতা ও সামাজিক সংযোগ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধও শক্তিশালী হয়।


সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। দুর্ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সলঙ্গা থানাধীন চরিয়া এলাকায় RAB-12-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সলঙ্গা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা সিরাজগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা রাজশাহীগামী একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়।দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।পুলিশের বক্তব্যঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন Md. Aslam Ali।তিনি জানান, “সলঙ্গা থেকে যাত্রী নিয়ে সিএনজি অটোরিকশাটি সিরাজগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।”তিনি আরও বলেন, নিহতদের মরদেহ Hatikumrul Highway Police Station-এ রাখা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কদুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা গেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতির বাস চলাচল বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “বাসটি খুব দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ করেই অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।”আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা হয়। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা খুব একটা দেখা যায় না।”সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্নসাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়তে থাকায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, ক্লান্ত চালক এবং ট্রাফিক নিয়ম না মানার কারণে এমন দুর্ঘটনা বাড়ছে।বিশেষ করে মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ভারী যানবাহনের একসঙ্গে চলাচলকে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থাপুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।একই সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।উপসংহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। মুহূর্তের অসতর্কতা বা বেপরোয়া গতি কত দ্রুত কয়েকটি পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিতে পারে, এই ঘটনাই তার আরেকটি নির্মম উদাহরণ।


ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

রাজধানীর নতুন বাজার সংলগ্ন নর্দ্দা এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ থেকে ১২ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দুর্ঘটনার পর সড়কজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, কান্না আর আহতদের আর্তনাদ।বুধবার (২৭ মে) সকাল ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা Islam Paribahan-এর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রোড ডিভাইডার ভেঙে বিপরীত লেনে উঠে যায়। পরে সেটি Akash Paribahan-এর একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়।দুর্ঘটনার পর ওই এলাকায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের অনেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়েন।ঘটনাস্থলেই মৃত্যু, হাসপাতালে আরও প্রাণহানিনিহতদের মধ্যে রয়েছেন—লাইজু বেগম (৩৮), তার স্বামী কবির জমাদ্দার (৪৭), খুশি বেগম (৩৫) এবং মো. রবিউল (২২)।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই একজন নারী যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও কয়েকজন মারা যান। নিহতদের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ এলাকায়।আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদের Kurmitola General Hospital এবং Dhaka Medical College Hospital-এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?ঘটনাস্থল থেকে Nesar Uddin গণমাধ্যমকে জানান, নতুন বাজারের নর্দ্দা এলাকায় একটি বাস কাউন্টারের সামনে সবসময় যানবাহনের চাপ থাকে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী থেকে আসা ইসলাম পরিবহনের বাসটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল। নতুন বাজার থেকে উত্তরামুখী সড়ক পার হওয়ার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর বাসটি রোড ডিভাইডারের ওপর উঠে বিপরীত লেনে চলে যায়।ঠিক সেই সময় উত্তরা থেকে গুলিস্তানগামী আকাশ পরিবহনের বাসটি সেখানে ছিল। নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসটি সরাসরি সেটিকে ধাক্কা দেয়।পুলিশ জানায়, আকাশ পরিবহনের বাসে যাত্রীসংখ্যা বেশি ছিল। অন্যদিকে ইসলাম পরিবহনের বাসে ছিল মাত্র কয়েকজন যাত্রী।পালিয়ে গেল চালক ও হেল্পারদুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাতে শুরু করেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।তবে এরই মধ্যে ইসলাম পরিবহনের বাসের চালক ও হেল্পার পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রাজধানীর সড়কে এখনও বেপরোয়া গতির বাস চলাচল বন্ধ হয়নি।যাত্রীদের অভিযোগ কী?পুলিশ জানিয়েছে, ইসলাম পরিবহনের বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাসটি পটুয়াখালী থেকেই দ্রুতগতিতে চলছিল।যাত্রীদের দাবি, চালক পুরো পথজুড়ে বেপরোয়া আচরণ করেছেন। কেউ গতি কমানোর অনুরোধ করলেও তা শোনেননি।একজন যাত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, “চালক পুরো রাস্তা চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল। বাস খুব দ্রুত চালাচ্ছিল। আমরা কয়েকবার বলেছিলাম আস্তে চালাতে।”যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বাস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।ঈদযাত্রায় বাড়ছে সড়ক আতঙ্কপ্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানো, প্রতিযোগিতামূলক গতিতে চলা এবং চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব—এসব কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।বিশেষ করে ভোরবেলা বা গভীর রাতে দূরপাল্লার বাস চলাচলের সময় নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা বেশি ঘটে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা বলছেন, শুধু দুর্ঘটনার পর অভিযান চালালে হবে না; নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি।স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কদুর্ঘটনার পর নর্দ্দা এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন জানান, ওই এলাকায় প্রায়ই দ্রুতগতির বাস চলাচল করে।এক দোকানদার বলেন, “ভোরের দিকে বাসগুলো খুব দ্রুত চলে। আজকের দুর্ঘটনা আরও ভয়ংকর হতে পারত।”আরেকজন বলেন, “ডিভাইডার ভেঙে বাস উঠে আসা খুবই ভয়াবহ বিষয়। এতে পথচারীরাও বড় ঝুঁকিতে থাকে।”তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থাপুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া চালক ও হেল্পারকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।এছাড়া দুর্ঘটনাকবলিত দুই বাস জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীতে বেপরোয়া বাস চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এমন দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে।উপসংহারঈদকে সামনে রেখে যখন হাজারো মানুষ পরিবারের কাছে ফিরতে পথে নেমেছেন, ঠিক তখনই রাজধানীর নর্দ্দায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিল। নিহতদের পরিবারের কান্না আর আহতদের যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—বেপরোয়া গতি ও দায়িত্বহীন চালনার মূল্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে।


খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানীতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ, কঠোর অবস্থানে ওয়ার্ড আহ্বায়ক কবির হোসেন

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ, নারীসহ একাধিক আহত, লুটপাটের দাবি

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত মঈন সরকার, এমপি জাহাঙ্গীরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

আশকোনায় হাজি স্কুলের পাশে শক্তিশালী বোমা উদ্ধার, বড় নাশকতা থেকে রক্ষা পেলো বিমানবন্দর এলাকা

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

পুরান ঢাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিল ও নবীনবরণ, শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

১০

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

জনপ্রিয় সব খবর

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

মিরপুরের কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল বাংলাদেশ সফরে কেন তারকা পেসারদের ছাড়াই আসছে? কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডের ব্যাখ্যা

হাম প্রতিরোধে দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা, অর্জনের হার ১২২ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

পাকিস্তানে এমপিএ সাকিব চাধার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী মোমিনা ইকবালের এফআইআর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

১০

সাতক্ষীরায় কারাবন্দি সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস

সর্বশেষ সব খবর

আর্কাইভ