বসায় ক্ষতি হলেও ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম টার্নওভার কর দিতে বাধ্য হওয়ায় ছোট উদ্যোক্তারা বড় চাপে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ। একই সঙ্গে দেশে জ্বালানিশঙ্কার আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছেন বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এর সম্মেলনকক্ষে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব বিষয় তুলে ধরেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
তিনি প্রস্তাব দেন, ছোট উদ্যোক্তাদের করের আলাদা স্ল্যাবের আওতায় আনা হলে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। কারণ অনেক সময় আয় না থাকলেও তাদের কর দিতে হয়, যা ব্যবসার ধারাবাহিকতা নষ্ট করছে।
বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে যে পরিমাণ তৈরি পোশাকের অর্ডার আসার কথা ছিল, তার বড় অংশ ধীর হয়ে গেছে। অনেক বড় আন্তর্জাতিক ক্রেতা ইতিমধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছেন। এতে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস তৈরি পোশাক খাত ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বরং কর ফাঁকি বন্ধ করে রাজস্ব বাড়ানোর দিকে জোর দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ঢাকা চেম্বারের নেতারা বলেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে ব্যবসার খরচ কমবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে।
তিনি আরও জানান, ভ্যাটের আওতা বাড়ানো এবং কর ফাঁকি কমানোর বিষয়ে এনবিআর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সত্যিকারের করদাতাদের হয়রানি কমাতে যারা কর দিচ্ছে না, তাদের করের আওতায় আনা হবে। ????????
অন্যদিকে এনবিআর দেশের প্রধান রাজস্ব সংগ্রহকারী সংস্থা হিসেবে বাজেট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতি বছর বাজেটের আগে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বসায় ক্ষতি হলেও ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম টার্নওভার কর দিতে বাধ্য হওয়ায় ছোট উদ্যোক্তারা বড় চাপে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ। একই সঙ্গে দেশে জ্বালানিশঙ্কার আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছেন বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এর সম্মেলনকক্ষে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব বিষয় তুলে ধরেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
তিনি প্রস্তাব দেন, ছোট উদ্যোক্তাদের করের আলাদা স্ল্যাবের আওতায় আনা হলে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। কারণ অনেক সময় আয় না থাকলেও তাদের কর দিতে হয়, যা ব্যবসার ধারাবাহিকতা নষ্ট করছে।
বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসে যে পরিমাণ তৈরি পোশাকের অর্ডার আসার কথা ছিল, তার বড় অংশ ধীর হয়ে গেছে। অনেক বড় আন্তর্জাতিক ক্রেতা ইতিমধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছেন। এতে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস তৈরি পোশাক খাত ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বরং কর ফাঁকি বন্ধ করে রাজস্ব বাড়ানোর দিকে জোর দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ঢাকা চেম্বারের নেতারা বলেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে ব্যবসার খরচ কমবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে।
তিনি আরও জানান, ভ্যাটের আওতা বাড়ানো এবং কর ফাঁকি কমানোর বিষয়ে এনবিআর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সত্যিকারের করদাতাদের হয়রানি কমাতে যারা কর দিচ্ছে না, তাদের করের আওতায় আনা হবে। ????????
অন্যদিকে এনবিআর দেশের প্রধান রাজস্ব সংগ্রহকারী সংস্থা হিসেবে বাজেট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতি বছর বাজেটের আগে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন